কাজী সালাউদ্দিনের প্রশংসায় যা বললেন ফারুকী
jugantor
কাজী সালাউদ্দিনের প্রশংসায় যা বললেন ফারুকী

  স্পোর্টস ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সাফে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ইতিহাস রচনার পর প্রশংসার চেয়ে নিন্দাই বেশি কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

বিশেষ করে সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট কাজী সালাউদ্দিন।

এর অন্যতম কারণ সাফ জয়ের পর বাফুফে সভাপতির কিছু বক্তব্য। মেয়েদের খেলা দেখতে নেপালে যাননি বাফুফে প্রেসিডেন্ট। এমনকি সাফজয়ীদের বরণে বিমানবন্দরেও উপস্থিত থাকেননি।

এসব বিষয় নিয়ে যখন সমালোচনার ঝড়ে পড়েন কাজী সালাউদ্দিন, তখন বাফুফে প্রেসিডেন্টের প্রশংসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

সাফে নারীদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবের নেপথ্যে কাজী সালাউদ্দীনের অবদানকে সামনে তুলে ধরলেন ফারুকী।

‘ডুব’খ্যাত নির্মাতার ভাষ্য— কাজী সালাউদ্দিনের বাফুফে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনই এলো দিন একার। হিমালয়কন্যাদের হারিয়ে সাফ ফুটবলের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশের মেয়েরা।

পাঠকের উদ্দেশে এ নির্মাতার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘মাঝে মধ্যে আমার মনে হয় আমরা সব কিছু এমনভাবে ঠেলতে শুরু করি যে, তখন আর জিনিসপত্র অবজেক্টিভলি দেখার সুযোগ থাকে না। এই যেমন সালাউদ্দিন ভাই। উনার বিতর্কিত শেষ নির্বাচন, সভাপতি পদে প্রায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় এবং যুক্তিহীন কথা যেমন মেয়েদের বিয়ে দিতে সাহায্য করা, দৃষ্টিকটু রাগ— এ রকম আরও অনেক বিষয়েই সমালোচনা করা যাইতে পারে।

কিন্তু বহু বছর আগ থেকেই এই মেয়েদের এক সাথে রেখে ট্রেনিং করানো এবং এদের একটা টিম হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করাটাকে অ্যাপ্রিশিয়েট না করাটা ঠিক হবে না। এমনকি উনাদের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলন ও ফটোসেশন ডিজাস্টারকে সমালোচনা করলেও তাতে তাদের এই কৃতিত্ব আড়াল করার সুযোগ নাই।

গাইজ, প্লিজ লেটস গিভ দেম হোয়াট দে ডিজার্ভ। এখন যেটা দরকার সেটা হলো— এদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক জায়গায় নেওয়া। এই বিষয়ে সবাই কথা বললে শুধু যে এই খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হবে তা না, অন্য মেয়েরাও খেলায় আসতে উৎসাহিত হবে। এ ছাড়া দেশের ভেতর মেয়েদের নিয়মিত টুর্নামেন্ট কেমনে খেলানো যায়, এসব নিয়েও ভাবা যাইতে পারে। জেলায় জেলায় ফুটবল করা যায় কেমনে দেখা যাইতে পারে। এমনকি গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, উত্তরা, মিরপুরের স্কুলগুলোতে কী হচ্ছে, ওখানকার মেয়েরা কি খেলতে চায়, চাইলে কীভাবে ওদের ইনক্লুড করা যায়, এ রকম নানা আইডিয়া নিয়া ভাবেন। এই মনোযোগ আর জোয়ারটাকে পজিটিভলি কাজে লাগানো যায় কীভাবে সেটি ভাবি আসেন। ’

কাজী সালাউদ্দিনের প্রশংসায় যা বললেন ফারুকী

 স্পোর্টস ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাফে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ইতিহাস রচনার পর প্রশংসার চেয়ে নিন্দাই বেশি কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। 

বিশেষ করে সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট কাজী সালাউদ্দিন।

এর অন্যতম কারণ সাফ জয়ের পর বাফুফে সভাপতির কিছু বক্তব্য। মেয়েদের খেলা দেখতে নেপালে যাননি বাফুফে প্রেসিডেন্ট। এমনকি সাফজয়ীদের বরণে বিমানবন্দরেও উপস্থিত থাকেননি।  

এসব বিষয় নিয়ে যখন সমালোচনার ঝড়ে পড়েন কাজী সালাউদ্দিন, তখন বাফুফে প্রেসিডেন্টের প্রশংসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

সাফে নারীদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবের নেপথ্যে কাজী সালাউদ্দীনের অবদানকে সামনে তুলে ধরলেন ফারুকী।

‘ডুব’খ্যাত নির্মাতার ভাষ্য— কাজী সালাউদ্দিনের বাফুফে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনই এলো দিন একার। হিমালয়কন্যাদের হারিয়ে সাফ ফুটবলের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশের মেয়েরা।

পাঠকের উদ্দেশে এ নির্মাতার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘মাঝে মধ্যে আমার মনে হয় আমরা সব কিছু এমনভাবে ঠেলতে শুরু করি যে, তখন আর জিনিসপত্র অবজেক্টিভলি দেখার সুযোগ থাকে না। এই যেমন সালাউদ্দিন ভাই। উনার বিতর্কিত শেষ নির্বাচন, সভাপতি পদে প্রায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় এবং যুক্তিহীন কথা যেমন মেয়েদের বিয়ে দিতে সাহায্য করা, দৃষ্টিকটু রাগ— এ রকম আরও অনেক বিষয়েই সমালোচনা করা যাইতে পারে। 

কিন্তু বহু বছর আগ থেকেই এই মেয়েদের এক সাথে রেখে ট্রেনিং করানো এবং এদের একটা টিম হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করাটাকে অ্যাপ্রিশিয়েট না করাটা ঠিক হবে না। এমনকি উনাদের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলন ও ফটোসেশন ডিজাস্টারকে সমালোচনা করলেও তাতে তাদের এই কৃতিত্ব আড়াল করার সুযোগ নাই। 

গাইজ, প্লিজ লেটস গিভ দেম হোয়াট দে ডিজার্ভ। এখন যেটা দরকার সেটা হলো— এদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক জায়গায় নেওয়া। এই বিষয়ে সবাই কথা বললে শুধু যে এই খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হবে তা না, অন্য মেয়েরাও খেলায় আসতে উৎসাহিত হবে। এ ছাড়া দেশের ভেতর মেয়েদের নিয়মিত টুর্নামেন্ট কেমনে খেলানো যায়, এসব নিয়েও ভাবা যাইতে পারে। জেলায় জেলায় ফুটবল করা যায় কেমনে দেখা যাইতে পারে। এমনকি গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, উত্তরা, মিরপুরের স্কুলগুলোতে কী হচ্ছে, ওখানকার মেয়েরা কি খেলতে চায়, চাইলে কীভাবে ওদের ইনক্লুড করা যায়, এ রকম নানা আইডিয়া নিয়া ভাবেন। এই মনোযোগ আর জোয়ারটাকে পজিটিভলি কাজে লাগানো যায় কীভাবে সেটি ভাবি আসেন। ’   
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন