পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন মিরাজ
jugantor
পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন মিরাজ

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১৩:৩৭:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

রোমাঞ্চ আর উত্তেজনার নানা মোড় পেরিয়ে ম্যাচ তখন শেষের নাটকীয়তায়। লড়াইটা তখন বাংলাদেশ বনাম রোহিত শর্মার। ৪৯তম ওভারে ভারত অধিনায়ককে দুই দফা জীবন দিয়ে ম্যাচটাই হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় শেষ বলে। সেখানেই মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত ইয়র্কারে রান নিতে ব্যর্থ রোহিত। বাংলাদেশ পেল পাঁচ রানের রোমাঞ্চকর জয়। উল্লাসে ফেটে পড়ে মিরপুরের গ্যালারি।

মেহেদী হাসান মিরাজের অসাধারণ সেঞ্চুরি আর দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের ম্যাচে শেষদিকে রোহিতের ব্যাটিং-তাণ্ডব সামলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের নাটকীয় জয়ে নিশ্চিত হয়ে গেল দুর্দান্ত এক সিরিজ জয়ও। ম্যাচের ঘণ্টা দেড়েক পার না হতেই গ্যালারি হয়ে যায় প্রায় নীরব। ২০ ওভারের আগেই যে উধাও বাংলাদেশের ছয় উইকেট। সেই গ্যালারিকেই জাগিয়ে তোলেন মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ।

রেকর্ড গড়া জুটিতে দুজন উদ্ধার করেন দলকে। মাহমুদউল্লাহ ফিরে গেলেও আটে নেমে অসাধারণ এক সেঞ্চুরিতে নিজেকে নতুন উচ্চতায় তুলে নেন মিরাজ। সেঞ্চুরির পর দুই উইকেট নিয়ে আবারও ম্যাচসেরা তিনি।

ভারতের বিপক্ষে এমন স্মরণীয় পারফরম্যান্সের পর মিরাজ জানালেন, গত কয়েক বছরে ব্যাটিং নিয়ে তার কঠোর পরিশ্রমের কথা, ‘আমাকে এটা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সব কৃতিত্ব মহান আল্লাহর। খুব ভালো লাগছে। গত কয়েক বছর ধরে আমি ব্যাটিংয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছি। উন্নতির জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছি। আমার কোচরা উন্নতির জন্য অনেক সহায়তা করেছেন। আজ রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ) আমাকে বারবার জুটির ছোট ছোট লক্ষ্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। আমি শুধু মারার মতো বলে শট খেলে চাপটা ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

সিরিজ হারের পর ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, ‘আমরা শুরুটা ভালো করেছিলাম। কিন্তু মাঝের ওভার ও শেষদিকে ছন্দটা ধরে রাখতে পারিনি। আগের ম্যাচেও এটাই ঘটেছিল। এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করা উচিত। মেহেদী ও মাহমুদউল্লাহকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। এটা ছিল তাদের ম্যাচ জেতানো জুটি। এ ধরনের জুটি ভাঙার একটা পথ আমাদের খুঁজে বের করতেই হবে। ৬৯/৬ থেকে ২৭০ ছাড়ানো রান আমাদের বোলারদের মানসিকভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল।’


পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন মিরাজ

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রোমাঞ্চ আর উত্তেজনার নানা মোড় পেরিয়ে ম্যাচ তখন শেষের নাটকীয়তায়। লড়াইটা তখন বাংলাদেশ বনাম রোহিত শর্মার। ৪৯তম ওভারে ভারত অধিনায়ককে দুই দফা জীবন দিয়ে ম্যাচটাই হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় শেষ বলে। সেখানেই মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত ইয়র্কারে রান নিতে ব্যর্থ রোহিত। বাংলাদেশ পেল পাঁচ রানের রোমাঞ্চকর জয়। উল্লাসে ফেটে পড়ে মিরপুরের গ্যালারি।

মেহেদী হাসান মিরাজের অসাধারণ সেঞ্চুরি আর দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের ম্যাচে শেষদিকে রোহিতের ব্যাটিং-তাণ্ডব সামলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের নাটকীয় জয়ে নিশ্চিত হয়ে গেল দুর্দান্ত এক সিরিজ জয়ও। ম্যাচের ঘণ্টা দেড়েক পার না হতেই গ্যালারি হয়ে যায় প্রায় নীরব। ২০ ওভারের আগেই যে উধাও বাংলাদেশের ছয় উইকেট। সেই গ্যালারিকেই জাগিয়ে তোলেন মিরাজ ও মাহমুদউল্লাহ।

রেকর্ড গড়া জুটিতে দুজন উদ্ধার করেন দলকে। মাহমুদউল্লাহ ফিরে গেলেও আটে নেমে অসাধারণ এক সেঞ্চুরিতে নিজেকে নতুন উচ্চতায় তুলে নেন মিরাজ। সেঞ্চুরির পর দুই উইকেট নিয়ে আবারও ম্যাচসেরা তিনি।

ভারতের বিপক্ষে এমন স্মরণীয় পারফরম্যান্সের পর মিরাজ জানালেন, গত কয়েক বছরে ব্যাটিং নিয়ে তার কঠোর পরিশ্রমের কথা, ‘আমাকে এটা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সব কৃতিত্ব মহান আল্লাহর। খুব ভালো লাগছে। গত কয়েক বছর ধরে আমি ব্যাটিংয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছি। উন্নতির জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছি। আমার কোচরা উন্নতির জন্য অনেক সহায়তা করেছেন। আজ রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ) আমাকে বারবার জুটির ছোট ছোট লক্ষ্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। আমি শুধু মারার মতো বলে শট খেলে চাপটা ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

সিরিজ হারের পর ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, ‘আমরা শুরুটা ভালো করেছিলাম। কিন্তু মাঝের ওভার ও শেষদিকে ছন্দটা ধরে রাখতে পারিনি। আগের ম্যাচেও এটাই ঘটেছিল। এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করা উচিত। মেহেদী ও মাহমুদউল্লাহকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। এটা ছিল তাদের ম্যাচ জেতানো জুটি। এ ধরনের জুটি ভাঙার একটা পথ আমাদের খুঁজে বের করতেই হবে। ৬৯/৬ থেকে ২৭০ ছাড়ানো রান আমাদের বোলারদের মানসিকভাবে পিছিয়ে দিয়েছিল।’


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ ২০২২