অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো ইংল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচ

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০১৮, ০২:০২ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

নাটকের পর নাটক জন্ম দিচ্ছে ইংল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচ। একেবারে জয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল ইংলিশরা। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়াল কলম্বিয়ানরা। আবারো ত্রাতা ইয়েরি মিনা। ইনজুরি  টাইমের  তৃতীয়  মিনিটে  তার দুর্দান্ত হেড জড়ালো জালে। এতে সমতায় ফিরল ল্যাতিন দলটি। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হলো নির্ধারিত সময়ের খেলা।  ম্যাচ নিষ্পত্তির জন্য এখন দ্বারস্থ অতিরিক্ত সময়ের।

শেষ ষোলোর সবশেষ ম্যাচে স্পার্টাক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও কলম্বিয়া। শুরু থেকেই মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে খেলতে থাকে ইংলিশরা। ৬ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় তারা। ডি বক্সের সামান্য বাইরে ফ্রি কিক পায় কেনরা। তা থেকে দুর্দান্ত শট নেন অ্যাশলি ইয়াং। তবে তার শট দারুণ নৈপুণ্যে পাঞ্চ করে প্রতিহত করেন ডেভিড ওস্পানিয়া। ১৬ মিনিটে ট্রিপিয়েরের ক্রসে গোলমুখে হেড করেন কেন। কিন্তু তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এরপর অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে আক্রমণে উঠে ইংল্যান্ড। তবে তাদের পরিকল্পিত কোনো আক্রমণই আলোর মুখ দেখেনি। কলম্বিয়ার জমাট রক্ষণভাগ ডিঙাতে পারেনি তারা। মাঝে মাঝে বল নিয়ে ক্ষীপ্রগিতর দৌড় দিয়েছে কলম্বিয়ানরা। তবে তাদের সব প্রচেষ্টা থেমেছে প্রতিপক্ষের ডি বক্সের সামনে গিয়ে। ৪১ মিনিটে আবার ডি বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইংল্যান্ড। এবার শট নেন ট্রিপিয়ের। তবু সাফল্য আসেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।

বিরতির পরও আক্রমণের গতি সচল রাখে ইংল্যান্ড। এবার গোল পেয়ে যায় ১৯৬৬ বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৫৪ মিনিটে ডি বক্সে হ্যারি কেনকে গুরুতর ফাউল করেন কার্লস সানচেজ। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তা থেকে নিশানাভেদ করতে মোটেও ভুল করেননি কেন। এ নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে ব্রিটিশ গোলমেশিনের গোল হলো ৬টি। এর সুবাদে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এগিয়ে গেলেন তিনি।

পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে পড়ে কলম্বিয়া।  মুহুর্মুহু আক্রমণে ইংলিশ শিবিরে ত্রাস ছড়ায় তারা।  ৮১ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ পায় ল্যাতিন আমেরিকার দলটি।  তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও ঠিকানায় বল পাঠাতে পারেননি হুয়ান কুয়াদ্রাদো। পরক্ষণে ফের সুযোগ পায় তারা। এবার মিস করেন রাদামেল ফ্যালকাও।