‘পরপর ম্যাচ খেললে ক্রিকেটাররা মরে যাবে না’

  স্পোর্টস ডেস্ক ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৯:২০ | অনলাইন সংস্করণ

ভারত-পাকিস্তান

খেলোয়াড়রাও মানুষ, তারা মেশিন নন! তাদের পক্ষে একটানা ম্যাচ খেলা সম্ভব না। ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হলে একটা ম্যাচ খেলার পর মিনিমাম একদিন বিশ্রামে থাকা প্রয়োজন।

কিন্তু বিশ্রাম নেয়ার আগেই যদি দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হয় শক্তিশালী কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাহলে তাহলে বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এশিয়া কাপের সূচি অনুসারে ভারতীয় ক্রিকেট দলের পরপর দুটি খেলা পড়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ এখনও ঠিক হয়নি। তবে পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখ হবে বিরাট কোহলিরা।

ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ পেলেও, কোহলিরা পাচ্ছেন না প্রস্তুতির সুযোগ। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক।

সূচি অনুসারে পরপর দুটি খেলা থাকায় ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেবাগ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারতের উচিত এশিয়া কাপ বয়কট করা।

শেবাগের এমন মন্তব্যে পাল্টা জবাব দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটার ডিন জোন্স। তিনি বলেন, পরপর ম্যাচ খেললে কোনও ক্রিকেটারই মরে যাবে না। আমাদের সময় একাধিকবার পরপর ম্যাচ খেলেছি। বুঝতে পারছি না, কেন এই বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন আজকের ক্রিকেটাররা।

নিজের মতের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ৫৭ বছর বয়সী সাবেক এই অজি ক্রিকেটার বলেন, আমার স্পষ্ট মনে আছে, একবার ইংল্যান্ড সিরিজে ১১ দিনের মধ্য পরপর তিনবার টানা ম্যাচ খেলতে হয়েছিল। তাছাড়া ক্রিকেটাররা টেস্ট ম্যাচও খেলছে। আমি জানি, এই সময়টায় অনেকটা গরম থাকে, কিন্তু এটাও তো ঠিক, এখন ক্রিকেটাররা তার জন্য অনেক টাকা পান।

এশিয়া কাপে ভারতের পরপর ম্যাচ প্রসঙ্গে ডিন জোন্স বলেন, আমার মনে হয় ভারতীয়দের জন্য তেমন কোনো সমস্যা হবে না। ক্লান্তি নিশ্চয়ই একটা চিন্তার বিষয়, তবে এখনকার ক্রিকেটাররা অবিশ্বাস্য রকম ফিট এবং স্বাস্থ্য সচেতন। ওদের কিছু হবে না, কেউ মরে যাবে না।

আগামী ১৫ সেপ্টম্বর থেকে আরব আমিরাতে শুরু হবে এশিয়া কাপ।

প্রতিযোগিতার ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ছাড়াও রয়েছে এশিয়ার টেস্ট মর্যাদা পাওয়া নতুন দল আফগানিস্তান।

‘এ’ গ্রুপে খেলবে এশিয়ার দুই চীরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ভারত-পাকিস্তান। তাদের সঙ্গে খেলবে বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল।

এশিয়া কাপ শুরুর আগে হবে বাছাইপর্বের খেলা হবে। বাছাই পর্বে খেলবে হংকং, মালেয়েশিয়া, নেপাল, ওমান, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল সুযোগ পাবে এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলার।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।

এশিয়া কাপের সবশেষ তিনটি আসরই হয়েছিল বাংলাদেশে। ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরে সাকিব-তামিমদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।

এশিয়া কাপের সবশেষ আসর টি-টোয়েন্টি ফর্মেটে হলেও দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য এবারের আসর হবে ওয়ানডে সংস্করণে।

এশিয়া কাপের অতীতের সব আসরগুলো ওয়ানডে ফর্মেটে হলেও গত আসরের আগে পরিবর্তন করা হয়। বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফর্মেটে। আর ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে এশিয়া কাপ ওয়ানডে সংস্করণে।

ঘটনাপ্রবাহ : এশিয়া কাপ ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter