সাফের শুরুতেই পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ নেপাল

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান ফুটবল দলের অধিনায়ক-ফাইল ছবি

দীর্ঘ নয় বছর পর ফের ঢাকার মাঠে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৯ সালে সর্বশেষ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের আসরটি। সাত দেশের এ টুর্নামেন্টে সর্বশেষ বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে। এরপর গত তিন আসরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল লাল-সবুজের দল।

এবার দুটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। এক, নিজেদের মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করা। দুই, আয়োজক হিসেবে কৃতিত্ব দেখান। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপাল-পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সাফের লড়াই। উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

অভ্যন্তরীণ সমস্যায় গত চার বছর আন্তর্জাতিক কোনো আসরে খেলেনি পাকিস্তান। সর্বশেষ ভারতের কেরালায় অনুষ্ঠিত সাফ ফুটবলেও অংশ নেয়নি দেশটি। এবারের আসরে অংশ নিতে মালদ্বীপের বিপক্ষে কাতারে একটি প্রস্তুততি ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভিসা জটিলতায় সেটাও হয়নি।

পাকিস্তানের ব্রাজিলীয় কোচ হোসে অ্যান্তোনিওর কথা, ‘এখন আমরা এই দলটা গঠন করছি কাতার বিশ্বকাপ সামনে রেখে। আমাদের আপাতত লক্ষ্য টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে খেলা। এশিয়ান গেমসে খেলা ১০ জন রয়েছে এই দলে। সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়ান গেমসে আমরা নেপালকে হারিয়েছিলাম।’

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বালগোপাল মহারজনের নেপাল। এবার তার কোচিংয়েই সাফে খেলতে এসেছে নেপাল। সেই বালগোপাল বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এই মাঠেই জিতেছি। এই টুর্নামেন্টে আসার আগে আমরা তিন মাস অনুশীলন করেছি। তবে এটা পুরোপুরি নতুন দল। তাই আপাতত গ্রুপ পেরোনোই আমাদের প্রথম লক্ষ্য।’

শ্রীলংকার কোচ এখন পাকির আলী। যিনি ঢাকা আবাহনীতে খেলেছেন দীর্ঘদিন। বাংলা ভাষাটি বেশ দখলে তার। তাই বাংলা ভাষাতেই বলেন তিনি, ‘প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে হারানো আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। আমাদের দলটা ভালো। প্রস্তুতি নিয়েই আমরা এখানে এসেছি। লিথুনিয়াকে হারিয়েছিলাম। জাপানে ও দক্ষিণ কোরিয়ায় আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি।’

মালদ্বীপের কোচ পিটার্স সেগ্রেট গত আসরে আফগানিস্তান দলের কোচ ছিলেন। সেবার রানার্সআপ হয়েছিল আফগানিস্তান। তবে এবার আফগানিস্তান খেলছে না এ অঞ্চলের টুর্নামেন্টটিতে।

এবার মালদ্বীপের কোচ হয়ে ঢাকায় এসেছেন। তার কথায়, ‘আফগানিস্তান না খেলায় খারাপ লাগছে। আফগানিস্তানের এ টুর্নামেন্ট খেলা দরকার নিজেদের ও এ অঞ্চলের স্বার্থের জন্যই। এখানে আমরা তরুণ দল নিয়ে এসেছি। এটা আমাদের ফুটবলের নতুন প্রজন্ম। দক্ষিণ এশিয়ার মেসিখ্যাত আলি আশফাক এবারের দলে নেই। সে দুর্দান্ত খেলোয়াড়। কিন্তু বাকি যারা আছে তাদেরও সম্মান জানাতে হবে। তারা এখানে ভালো একটা টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছে। এই দলটিই মালদ্বীপ ফুটবলের ভবিষ্যৎ। মাঠের লড়াইয়ের আগে সাত দলই ফেভারিট। আমরা চেষ্টা করব আমাদের সেরাটা দিয়ে সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়ার।’