পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই টানটান উত্তেজনা।  দুদলের হকিযুদ্ধও তাই। তবে ফুটবলে সেই আঁচ পাওয়া যায় না।  দীর্ঘ ৫ বছর পর মুখোমুখি হয়েছিল পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই পড়শি।

ক্রিকেট-হকির মতো ফুটবল মাঠেও সেই উত্তেজনার রেশ টেনে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন।  কিন্তু খেলায় সেই ছাপ থাকল না।  তাদের ৩-১ গোলে হারিয়ে সাফ সুজুকি কাপের ফাইনালে উঠে গেল ভারত।

বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান।  শুরুটা আক্রমণাত্মক করে স্টিফেন কনস্টান্টাইনের শিষ্যরা।  ঘন ঘন আক্রমণে সাদ্দাম বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন তারা।  পুরো প্রথমার্ধজুড়ে চলেছে তাদের আক্রমণে জোয়ার। মাঝে মাঝে গোলের জন্য ছুটেছে পাকিস্তান।  তবে কোনো দলই এ অর্ধে সাফল্য পায়নি। 

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্রপট পাল্টে যায়।  মূলত অলআউট খেলতে গিয়ে ধরা খায় পাকিস্তান।  এতে খেলা ওপেন হয়ে যায়।  ফলে পাকিস্তানের ডি বক্সের সামনে আরো জায়গায় পায় ভারত।  সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্রপট পাল্টে যায়।  মূলত অলআউট খেলতে গিয়ে ধরা খায় পাকিস্তান।  এতে এ অর্ধের শুরু থেকেই খেলা ওপেন হয়ে যায়।  ফলে পাকিস্তানের ডি বক্সের সামনে আরো জায়গায় পায় ভারত।  সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪৯ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের ক্রসে দুর্দান্ত প্লেসিংয়ে নিশানাভেদ করেন মানবীর সিং।

এগিয়ে গিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় ভারত। ফলে ব্যবধান বাড়তেও খুব একটা সময় লাগেনি।  ফের কাণ্ডারি মানবীর।  ৬৯ মিনিটে ভিনতি রায়ের পাস ধরে বল জালে পাঠান তিনি।  টুর্নামেন্টে এ ফরোয়ার্ডের এটি তৃতীয় গোল। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। সেই সুযোগে ৮৪ মিনিটে তৃতীয় গোল আদায় করে নেন বদলি ফরোয়ার্ড সুমিত পাশি। এতেও ছোঁয়া ছিল আশিক কুরুনিয়ানের।

এ গোলের পর হাতাহাতি লেগে যায় ভারতের লালিয়ানজুলা ও পাকিস্তানের মহসনি আলীর মধ্যে। দুজনকেই লালকার্ড দেখিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন রেফারি।  এরপর যেন একটু তেতে উঠে পাকিস্তান। এবার সাফল্যও পায়।  ৮৮ মিনিটে ব্যবধান কমান হাসান বশির। তবে এ গোল শুধু হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।

বিকালে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে মালদ্বীপ।  শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মালদিভিয়ানদের সঙ্গী হলো ভারত।  আসছে ১৫ সেপ্টেম্বর হবে দুদলের ফাইনালি লড়াই।