টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

  স্পোর্টস ডেস্ক ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:৫৪ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ,

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেন আজ যাওয়া-আসার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। শুরুতেই ফিরে যান দুই ওপেনার শান্ত-লিটন। খানিক বাদেই সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল। এবার তাদের পথ ধরলেন মিথুন। গুলবাদিনের বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন তিনি। শেষ খবর পর্যন্ত ১৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৪৯ রান করেছে বাংলাদেশ। সাকিব ১৮ ও মাহমুদউল্লাহ ৫ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। স্কোর বোর্ডে ১৭ রান উঠতেই দুই ওপেনারকে হারায় টাইগাররা। প্রথম উইকেটের শিকারী আফগান তরুণ তুর্কি মুজিব-উর-রহমান। তার বলে আফতাব আলমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুতে ধাক্কা খাওয়ার পরও ধৈর্যের পরিচয় দিতে পারেননি লিটন দাস। খানিক বাদে আফতাবের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন তিনি।

পরে মুমিনুল হককে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন সাকিব। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি মুমিনুল। মাত্র ৯ রান করেই ফেরেন দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এ ব্যাটসম্যান। শিকারী গুলবাদিন নাইব।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। সূচনালগ্নেই ইহসানুল্লাহকে ফিরিয়ে দেন আবু হায়দার রনি। খানিক বাদেই রহমত শাহকে ফিরিয়ে অভিষেক ম্যাচে স্মরণীয় শুরু করেন তিনি। পরে হাশমতউল্লাহ শহিদিকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠেন মোহাম্মদ শাহজাদ। ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন তারা। ৫১ রানের জুটি গড়ে চোখ রাঙাতে থাকেন এ জুটি। শাহজাদকে (৩৭) বাউন্ডারি লাইনে আবু হায়দারের তালুবন্দি করে তাদের চোখ রাঙানি থামান সাকিব আল হাসান। কিছুক্ষণ পরই অধিনায়ক আসগর আফগানকে সাজঘরে পাঠিয়ে আফগানিস্তানকে চেপে ধরেন তিনি।

পরে সামিউল্লাহ সেনওয়ারিকে নিয়ে চাপ কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন শহিদি। সেই পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ান সাকিব। স্পিন ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত করে সেনওয়ারিকে ফেরান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরলেও ক্রিজে থেকে যান শহিদি। বাংলাদেশ বোলারদের রীতিমতো ঘাম ঝরিয়ে ছাড়েন তিনি। অবশেষে তাকে সরিয়ে পথের কাঁটা সরান রুবেল হোসেন। লিটনের কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরার আগে ৫৮ রান করেন হাশমতউল্লাহ শহিদি। এরপর মাঠে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মোহাম্মদ নবী। ব্যক্তিগত ১০ রান করে সাকিবের ঘূর্ণি ফাঁদে পড়ে এলবিডব্লিউ হন তিনি। তখন পর্যন্ত লাগাম ছিল বাংলাদেশের হাতে।

এরপরই দৃশ্যপটে রশিদ খান। তিনি যখন ব্যাট করতে নামেন তখন আফগানিস্তানের সংগ্রহ ১৬০/৭। এসে গুলবাদিন নাইবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। রীতিমতো ঝড় তোলেন ‘ব্যাটসম্যান’ রশিদ। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন নাইব। এতে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। রশিদ-নাইব তাণ্ডবে এলোমেলো হয়ে যায় টাইগার বোলিং লাইনআপ। তাদের বিপক্ষে আবু হায়দার, মাশরাফি, মিরাজ, রুবেলদের কেউই সুবিধা করে উঠতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটেই ২৫৫ রান করে আফগানিস্তান। রশিদ-নাইব, দু’জন মিলে গড়েন ৫৭ বলে ৯৫ রানের জুটি। টাইগার বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালিয়ে শেষ ৫ ওভারে তারা তোলেন ৫৭ রান। রশিদ খান ৩১ বলে পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে। গুলবাদিন নাইব করেন হার না মানা ৪২ রান। বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট নেন সাকিব। আবু হায়দার নেন ২ উইকেট।

ঘটনাপ্রবাহ : এশিয়া কাপ ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter