মিঠুনের দ্বিতীয় ফিফটি

  স্পোর্টস ডেস্ক ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

মোহাম্মদ মিঠুন
মোহাম্মদ মিঠুন

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। একদিনের ক্রিকেটে নিজের অষ্টম ম্যাচে মিঠুনের এটা দ্বিতীয় ফিফটি। এশিয়া কাপেও দ্বিতীয় ফিফটি তার। এর আগে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৬৩ রান করেছিলেন ২৭ বছর বয়সী এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩১ ওভারের খেলা শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান। ৭১ ও ৫৪ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক ও মিঠুন। এই জুটিতে তাদের সংগ্রহ ১৩১ রান।

মুশফিক-মিঠুনে প্রতিরোধ

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলকে খেলায় ফেরান তারা। ইতিমধ্যে ১১৩ রানের জুটি গড়েছেন তারা।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড জুটির মালিক রাজিন সালেহ এবং হাবিবুল বাশার সুমন। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ফতুল্লাহ স্টেডিয়ামে ১৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছিলেন তারা।

মুশফিকের ৩০তম ফিফটি

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩০তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। একদিনের ক্রিকেটে ১৯১তম ম্যাচ খেলছেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। আগের ১৯০ ম্যাচে ৬টি সেঞ্চুরি এবং ২৯টি ফিফটিতে ৫ হাজার ২৬ রান করেছেন দেশের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান।

ওয়ানডে ক্রিকেটে দেশের হয়ে রান সংগ্রহের দিক থেকে মুশফিক তৃতীয়। ১৮৩ ম্যাচে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ৪২টি ফিফটির সাহায্যে ৬ হাজার ৩০৭ রান নিয়ে সবার ওপরে আছেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

আর ১৯২ ম্যাচে ৭টি সেঞ্চুরি এবং ৩৯টি ফিফটিতে ৫ হাজার ৪৮২ রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আঙুলে চিড় ধরায় খেলতে পারছেন না তিনি। অন্যদিকে হাতে চোট পেয়ে দেশে ফিরে এসেছেন তামিম ইকবাল।

মুশফিক-মিঠুনের জুটির ফিফটি

পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল ম্যাচে মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল। সেই অবস্থা থেকে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন।

চতুর্থ উইকেটে ইতিমধ্যে মুশফিক-মিঠুনরা ৬৫ রানের জুটি গড়েছেন। প্রাথমিক বিপর্যয় এড়িয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন তারা।

এর আগে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন তারা। সেদিন ষষ্ঠ উইকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১২৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন তারা।

সৌম্য-মুমিনুল-লিটনকে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল। মাত্র ৫ রানের সৌম্যর উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।

খেলায় ফেরার আগেই এরপর মুমিনুল হক ও লিটন দাসের উইকেট হারায়। মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল।

১৬ বলে ৬ রান করে জুনায়েদ খানের বলে বোল্ড হন লিটন দাস। আর ৫ বলে ৪ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন মুমিনুল হক সৌরভ।

আবারও ব্যর্থ সৌম্য সরকার

এক বছর পর সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি সৌম্য সরকার। ওপেনিংয়ে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার পরিবর্তে পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পেয়ে শূন্য রানে ফেরেন সৌম্য।

দলীয় ৫ রানে জুনায়েদ খানের বলে ফখর জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সৌম্য। তার উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি

সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

আবুধাবিতে খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এশিয়া কাপের আজকের ম্যাচটি অঘোষিত সেমিফাইনালে পরিণত হয়েছে।

দুই ম্যাচ জিতে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত। অন্যদিকে দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে আফগানিস্তান।

ফলে সুপার ফোরের দুটি ম্যাচের একটি করে জেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই বিন্দুতে। দুদলের সামনেই অভিন্ন সরল সমীকরণ। জিতলে ফাইনাল, হারলে বিদায়।

তামিমের জায়গায় টানা তিন ম্যাচে সুযোগ দেয়া হয়েছিল তরুণ ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তকে। তিন ম্যাচেই ব্যর্থ তিনি। আরেক ওপেনার লিটন দাসও দিতে পারছেন না প্রত্যাশার প্রতিদান।

ধারাবাহিক ব্যর্থতায় আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে অলিখিত ‘সেমিফাইনালে’ ওপেনিংয়ে শান্তর পরিবর্তে খেলেন সৌম্য সরকার।

আর আঙুলে চিড় ধরায় সাকিব আল হাসানের পরিবর্তে খেলার সুযোগ পান মুমিনুল হক সৌরভ। নাজমুল ইসলাম অপুর পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেস বোলার রুবেল হোসেন।

অন্যদিকে পাকিস্তান একটি পরিবর্তন এনেছে। পেস বোলার মোহাম্মদ আমিরের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন জুনায়েদ খান।

বাংলাদেশের একাদশ: লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), মেহেদি হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান একাদশ: ইমাম উল হক, ফখর জামান, বাবর আজম, সরফরাজ আহমেদ, শোয়েব মালিক, আসিফ আলী, শাদাব খান, মোহাম্মদ নাওয়াজ, হাসান আলী, জুনায়েদ খান, ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

ঘটনাপ্রবাহ : এশিয়া কাপ ২০১৮

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×