‘ধর্মীয় উন্মাদনা ও সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ চাই’ 
jugantor
‘ধর্মীয় উন্মাদনা ও সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ চাই’ 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৭:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি এবং নানা রকম হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তৎপরতার প্রতিবাদে ‘ধর্মীয় উন্মাদনা ও সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ চাই’ শিরোনামে নারীপক্ষ শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত নারীপক্ষ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

ধর্মকে ব্যবহার করে প্রায়ই দেশে উন্মাদনা সৃষ্টি এবং নানা রকম হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তৎপরতা চালানো চর্চায় দাঁড়িয়েছে। এবারও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ও মন্দির ভাঙচুর, প্রতিমা বিসর্জন যাত্রায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং প্রাণহানিও ঘটেছে।

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিক স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করবে; নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালন ও আচার-অনুষ্ঠান করবে; আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে- এটা জাতীয় আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলী পুনর্বার প্রমাণ করে, দেশে আইনের শাসন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে এবং বাংলাদেশের সংবিধানপ্রদত্ত সব ধর্মাবলম্বীদের সমভাবে ধর্মচর্চা করার নিশ্চয়তার বাস্তবে কোনো প্রতিফলন নেই।

নারীপক্ষ বিভিন্ন দাবি জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী যে হিংসাত্মককার্যকলাপ ঘটেছে তাতে পুলিশের চরম গাফিলতি পরিলক্ষিত হয়। পুলিশের এ ব্যর্থতার দায়ভার গ্রহণ করে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্ব-সম্মানে পদত্যাগ করা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনির্মাণে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ, যেমন : বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সব মানুষের সম্মান ও মর্যাদা এবং মানুষে মানুষে সম-অধিকারের বিষয়টি যুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বা করবে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা।

নারীপক্ষ আরও উল্লেখ করেছে, যে চেতনায় আমরা ভাষা আন্দোলন করেছি, মুক্তিযুদ্ধ করেছি সেই চেতনায় বলীয়ান হয়ে ধর্মকে ব্যবহার করে যে কোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনির্মাণে ও মানবতাবোধ জাগ্রত করতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে উদ্যোগী হই, অন্যের উদ্যোগে শামিল হই।

‘ধর্মীয় উন্মাদনা ও সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ চাই’ 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি এবং নানা রকম হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তৎপরতার প্রতিবাদে ‘ধর্মীয় উন্মাদনা ও সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ চাই’ শিরোনামে নারীপক্ষ শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত নারীপক্ষ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

ধর্মকে ব্যবহার করে প্রায়ই দেশে উন্মাদনা সৃষ্টি এবং নানা রকম হিংসাত্মক কার্যকলাপ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী তৎপরতা চালানো চর্চায় দাঁড়িয়েছে। এবারও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ও মন্দির ভাঙচুর, প্রতিমা বিসর্জন যাত্রায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং প্রাণহানিও ঘটেছে। 

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিক স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করবে; নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালন ও আচার-অনুষ্ঠান করবে; আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে- এটা জাতীয় আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলী পুনর্বার প্রমাণ করে, দেশে আইনের শাসন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে এবং বাংলাদেশের সংবিধানপ্রদত্ত সব ধর্মাবলম্বীদের সমভাবে ধর্মচর্চা করার নিশ্চয়তার বাস্তবে কোনো প্রতিফলন নেই।

নারীপক্ষ বিভিন্ন দাবি জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী যে হিংসাত্মক কার্যকলাপ ঘটেছে তাতে পুলিশের চরম গাফিলতি পরিলক্ষিত হয়। পুলিশের এ ব্যর্থতার দায়ভার গ্রহণ করে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্ব-সম্মানে পদত্যাগ করা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনির্মাণে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ, যেমন : বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সব মানুষের সম্মান ও মর্যাদা এবং মানুষে মানুষে সম-অধিকারের বিষয়টি যুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বা করবে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা। 

নারীপক্ষ আরও উল্লেখ করেছে, যে চেতনায় আমরা ভাষা আন্দোলন করেছি, মুক্তিযুদ্ধ করেছি সেই চেতনায় বলীয়ান হয়ে ধর্মকে ব্যবহার করে যে কোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনির্মাণে ও মানবতাবোধ জাগ্রত করতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে উদ্যোগী হই, অন্যের উদ্যোগে শামিল হই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন