বাংলাদেশে উবার ইটসে দায়িত্ব পেলেন মিশা আলি

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:০৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আইটি ডেস্ক

বাংলাদেশে উবার ইটসে দায়িত্ব পেলেন মিশা আলি

বাংলাদেশে অপারেশন পরিচালনার জন্য মিশা আলিকে লিড হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে উবার ইটস। ই-কমার্স ও স্টার্ট-আপস খাতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মিশা আলি বাংলাদেশে উবার ইটসের উদ্বোধন এবং এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেবেন। প্রাথমিকভাবে উবার ইটস ঢাকায় সেবা প্রদান করবে।

উবার ইটস-এ যোগদান করার আগে মিশা বিক্রয় ডটকম, রেনাটা লিমিটেড, হিউলেট প্যাকার্ড এবং ওগিলভির মতো বিশিষ্ট স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে নেতৃস্থানীয় পদে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ‘কু্কআপস’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলাদেশের শেফদের জন্য বিশেষ করে গৃহিণীদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা তাদেরকে ঘরে বসে আয় করার সুযোগ করে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

বাংলাদেশে উবার ইটস’র লিড মিশা আলি বলেন, ‘আমি সবসময়ই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোক্তাদের হাতের নাগালে সুস্বাদু খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যাপারে আগ্রহী। অচিরেই ফুড ডেলিভারি বাংলাদেশে একটি বড় ব্যবসাখাত হয়ে উঠবে। ফুড ডেলিভারি কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশের বাজার একটি সম্ভাবনাময় জায়গা। উবার ইটস এমন একটি কোম্পানি যা সারা বিশ্ব জুড়ে মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে এবং এর অংশ হতে পেরে আমি অনেক খুশি।’

উবার ইটস’র ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার প্রধান ভাবিক রাথোর বলেন, বাংলাদেশে উবার ইটস–এর যাত্রা শুরুর নেতৃত্বে মিশাকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। মার্কেট সম্পর্কে তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে তার ফুড ডেলিভারি স্টার্টআপ চালনার অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে আমাদের ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

তিনি বলেন, ঢাকায় আমাদের যাত্রা শুরু নিয়ে আমরা আশাবাদী এবং আমাদের রাইড সার্ভিসের সুনাম আমাদের গ্রাহকদের সাথে যুক্ত করতে সাহায্য করবে। এই শহরের খাদ্যাভাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নিজেদের দেখতে পারাই আমাদের লক্ষ্য।

মিশা একজন বাংলাদেশী নাগরিক এবং ঢাকা থেকে উবার ইটস’র কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

এক নজরে উবার ইটস্: লস এঞ্জেলসের একটি ছোট ডেলিভারি পাইলট হিসেবে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে উবার ইটস্। পরবর্তীতে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে টরন্টোতে একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ হিসাবে কার্যক্রম শুরু করে। তারপর থেকে এটি অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৩৫০টিরও বেশি শহরে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ।