শুক্রবার বন্ধ হচ্ছে ২২ লাখ সিম

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

২৬ এপ্রিল বন্ধ হচ্ছে ২২ লাখ সিম

২৬ এপ্রিল (শুক্রবার) বন্ধ হচ্ছে দেশের সব অপারেটরের মোট ২২ লাখ ৩০ হাজার সিম। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির নির্দেশনায় ছিল- একই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি নিবন্ধিত সিম রাখা যাবে না।

কিন্তু দেখা গেছে, একই পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৩০ হাজার।

২৬ এপ্রিলের মধ্যে এসব সিম বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে দেশের সব অপারেটরের সঙ্গে বৈঠক করে বিটিআরসি তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে, অপারেটরগুলোকে এসব সিম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেবে বিটিআরসি।

সেই তথ্যের ভিত্তিতে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিমের সংখ্যা ১৫টিতে নামিয়ে আনবে বলে বিটিআরসিকে জানিয়েছে অপারেটরগুলো।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৫ এর অধিক সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান যুগান্তরকে বলেন, নিরাপদে মোবাইল সিম ব্যবহারে এ প্রচেষ্টা আরও গ্রাহক বান্ধব হবে এবং এ খাত অধিকতর সুশৃঙ্খল হবে। আশা করছি এর ফলে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে উন্নত টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

সূত্র জানায়, আগামী ১০ মে থেকে অপারেটররা বিটিআরসির সঙ্গে মিলে নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির ওপর যে কয়েকটি সিম আসবে তা কমিয়ে আনবে।

বিটিআরসির তথ্যানুযায়ী, কমপক্ষে এক লাখ জাতীয় পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে মানা হয়নি নিয়মটি। সেসব পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টি সিমের চেয়ে বেশি সিম নিবন্ধিত রয়েছে।

২০১৭ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে সিম নিবন্ধন এবং বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করা হয়। সেই সময় এক পরিচয়পত্রের বিপরীতে কত সিম থাকবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি।

এই কার্যক্রম শেষে সিমের সংখ্যা ১৫টি বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু দেখা যায়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির ওপরে নিবন্ধন করা সিমের সংখ্যা যোগ করলে তা ৩০ লাখ পেরিয়ে যায়।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মাত্র তিন লাখের কিছু বেশি সিম বন্ধ করেছে অপারেটরগুলো।

বিটিআরসির দেয়া নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, একই জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৫ সিমের বেশি গ্রামীণফোনের রয়েছে চার লাখ ৬৫ হাজার সিম, রবি ও এয়ারটেলের রয়েছে সাত লাখ ৮০ হাজার, বাংলালিংকের চার লাখ ৯৫ হাজার এবং টেলিটকের রয়েছে চার লাখ ৯০ হাজার।

এ জন্য অতিরিক্ত সিম কমিয়ে ফেলতে বিটিআরসি তৈরি করেছে ‘সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’।

সেখানে যুক্ত সব অপারেটরের অতিরিক্ত সিম কমিয়ে ফেলার পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, গ্রাহকরা তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে কয়টি সিম নিবন্ধন রয়েছে তা সহজেই জানতে পারবেন মোবাইলের মাধ্যমে। *১৬০০১# ডায়াল করে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট পুশ করেই জানা যাবে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে কয়টি সিম নিবন্ধিত আছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×