করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় এনজিওগুলোর সঙ্গে দারাজ
jugantor
করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় এনজিওগুলোর সঙ্গে দারাজ

  আইটি ডেস্ক  

১৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:১০:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দুস্থ ও অভাবীদের সাহায্য করতে আলিবাবা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের দারাজ বাংলাদেশ 'হেলপিং আদারস ফ্রম হোম' মূলমন্ত্রে আরও ৪টি এনজিও-এর সঙ্গে ৯ এপ্রিল থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিদ্যানন্দের সঙ্গে ৭ এপ্রিল থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে দারাজ এবং এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে অন্যান্য এনজিও-এর সঙ্গেও কাজ শুরু হয়েছে। এনজিও এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো হল- অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, বন্ধু ফাউন্ডেশন এবং চ্যারিটি রাইট।

অনুদান সরবরাহের জন্য প্রতিষ্ঠানটিগুলো আলাদা তহবিল গঠন করেছে যেখানে দারাজের মাধ্যমে গ্রাহক ও অনুদান দাতারা (১০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) ক্যাশ টাকা দান করতে পারবেন অথবা দারাজ অ্যাপে রাখা বিভিন্ন রকমে র‌্যাশন বান্ডেল থেকে (চাল, ডাল, আটা, ময়দা, তেল) ইত্যাদি কিনেও সাহায্য করতে পারবেন।

এই ক্ষেত্রে প্রতিটি অনুদানের ৭৫% সমমূল্যের অনুদান গ্রাহকরা প্রি-পেমেন্ট করবেন এবং বাকি ২৫% বহন করবে দারাজ। এ ছাড়াও এনজিওগুলোতে খাবার/অনুদান পৌঁছে দেয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে দারাজের নিজস্ব লজিস্টিক সাপোর্ট বা ভেহিক্যাল ডেক্স (দারাজ এক্সপ্রেস)।

করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় এনজিওগুলোর সঙ্গে দারাজ

 আইটি ডেস্ক 
১৫ এপ্রিল ২০২০, ১০:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দুস্থ ও অভাবীদের সাহায্য করতে আলিবাবা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের দারাজ বাংলাদেশ 'হেলপিং আদারস ফ্রম হোম' মূলমন্ত্রে আরও ৪টি এনজিও-এর সঙ্গে ৯ এপ্রিল থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। 

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিদ্যানন্দের সঙ্গে ৭ এপ্রিল থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে দারাজ এবং এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে অন্যান্য এনজিও-এর সঙ্গেও কাজ শুরু হয়েছে। এনজিও এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো হল- অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, বন্ধু ফাউন্ডেশন এবং চ্যারিটি রাইট।  

অনুদান সরবরাহের জন্য প্রতিষ্ঠানটিগুলো আলাদা তহবিল গঠন করেছে যেখানে দারাজের মাধ্যমে গ্রাহক ও অনুদান দাতারা (১০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) ক্যাশ টাকা দান করতে পারবেন অথবা দারাজ অ্যাপে রাখা বিভিন্ন রকমে র‌্যাশন বান্ডেল থেকে (চাল, ডাল, আটা, ময়দা, তেল) ইত্যাদি কিনেও সাহায্য করতে পারবেন। 

এই ক্ষেত্রে প্রতিটি অনুদানের ৭৫% সমমূল্যের অনুদান গ্রাহকরা প্রি-পেমেন্ট করবেন এবং বাকি ২৫% বহন করবে দারাজ। এ ছাড়াও এনজিওগুলোতে খাবার/অনুদান পৌঁছে দেয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে দারাজের নিজস্ব লজিস্টিক সাপোর্ট বা ভেহিক্যাল ডেক্স (দারাজ এক্সপ্রেস)।