গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি!
jugantor
গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি!

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ মে ২০২০, ১৫:৩৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শাওমির বিরুদ্ধে গ্রাহকের সম্মতি ছাড়াই তার ফোনের ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করে চীনে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি ইন্টারনেট সুরক্ষা গবেষক গাবি সার্লিগ ও অ্যান্ড্রু টিয়ের্নি শাওমির বিরুদ্ধে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন।  

তাদের অভিযোগ, চীনা এই প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ব্রাউজিং ডেটা চীনে আলিবাবার সার্ভারে পাঠাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ফোর্বস ম্যাগাজিনেও রিপোর্ট করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জিনিউজ। 

ওই দুই ইন্টারনেট সুরক্ষা গবেষকের দাবি, স্মার্টফোনে থাকা ওয়েব ব্রাউজারের তথ্যের পাশাপাশি ‘ইনকগনিটো’ মোডের ব্রাউজিং ডেটাও চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি। 

সার্লিগ ও টিয়ের্নির অভিযোগ, রাশিয়া ও সিঙ্গাপুরের সার্ভারে এসব তথ্য পাচার করা হচ্ছে। শুধু ব্রাউজিং ডেটাই নয়, স্মার্টফোনে কোন ফোল্ডারে কোন তথ্য রয়েছে বা সেটি কখন খোলা হচ্ছে, সেই তথ্যও পাচার করা হচ্ছে। 

তাদের দাবি, গুগল প্লে স্টোর থেকে শাওমি ব্রাউজার ডাউনলোড করলেও এ সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। 

সার্লিগ ও টিয়ের্নির অভিযোগ, প্লে স্টোর থেকে প্রায় ১.৫ কোটি বার এই ব্রাউজার ডাউনলোড করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে শাওমি। বেজিংয়ের এই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, গ্রাহকের পরিচয় গোপন রেখে ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করা হয় ঠিকই; কিন্তু এই ডেটা অন্য সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করা হয় না।

এই প্রেক্ষাপটে শাওমির গোপনীয়তা নীতিমালার বিষয়ে ফোর্বসের সাম্প্রতিক নিবন্ধটি পর্যালোচনা করে এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, শাওমি বিশ্বাস করে যে ফোর্বসের রিপোর্টিংটি কিছু তথ্যের ভুল উপস্থাপনা করেছে। শাওমি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা-বিষয়ক নীতিমালাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। 

শাওমি যে দেশ ও অঞ্চলগুলিতে ব্যবসা পরিচালনা করে সেগুলোতে কঠোরভাবে এই নীতিমালা অনুসরণ করছে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা অত্র দেশের বা অঞ্চলের সুরক্ষা আইন এবং নিয়মগুলির সাথে সম্পূর্ণরূপে মেনে চলছে।

এর আলোকে শাওমি কিছু ব্যাখ্যাও দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বাজারে শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বোত্তম সম্ভাব্য ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য, অপারেটিং সিস্টেম এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষার বাধ্যবাধকতা গ্রহণের জন্য, সমস্ত সংগৃহীত ডেটা ব্যবহারের ভিত্তিতে অনুমতি এবং সম্মতি ব্যবহারকারীদের দ্বারা স্পষ্টভাবে গ্রহণ করছে।

শাওমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি বেনামে এনক্রিপ্ট করা হয়েছে। সমন্বিত ব্যবহারের এই ডেটা সংগ্রহ শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং শাওমি এই ডেটার কোনটির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সনাক্তযোগ্য কোন তথ্যকে লিঙ্ক করে না।

এটি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত করে তেমনি সামগ্রিক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে। এটি বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সংস্থাগুলো দ্বারা গৃহীত একটি সাধারণ সমাধান বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি!

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ মে ২০২০, ০৩:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শাওমির বিরুদ্ধে গ্রাহকের সম্মতি ছাড়াই তার ফোনের ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করে চীনে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি ইন্টারনেট সুরক্ষা গবেষক গাবি সার্লিগ ও অ্যান্ড্রু টিয়ের্নি শাওমির বিরুদ্ধে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন।

তাদের অভিযোগ, চীনা এই প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ব্রাউজিং ডেটা চীনে আলিবাবার সার্ভারে পাঠাচ্ছে।বিষয়টি নিয়ে ফোর্বস ম্যাগাজিনেও রিপোর্ট করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জিনিউজ।

ওই দুই ইন্টারনেট সুরক্ষা গবেষকের দাবি, স্মার্টফোনে থাকা ওয়েব ব্রাউজারের তথ্যের পাশাপাশি ‘ইনকগনিটো’ মোডের ব্রাউজিং ডেটাও চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি।

সার্লিগ ও টিয়ের্নির অভিযোগ, রাশিয়া ও সিঙ্গাপুরের সার্ভারে এসব তথ্য পাচার করা হচ্ছে। শুধু ব্রাউজিং ডেটাই নয়, স্মার্টফোনে কোন ফোল্ডারে কোন তথ্য রয়েছে বা সেটি কখন খোলা হচ্ছে, সেই তথ্যও পাচার করা হচ্ছে।

তাদের দাবি, গুগল প্লে স্টোর থেকে শাওমি ব্রাউজার ডাউনলোড করলেও এ সমস্যা থেকেই যাচ্ছে।

সার্লিগ ও টিয়ের্নির অভিযোগ, প্লে স্টোর থেকে প্রায় ১.৫ কোটি বার এই ব্রাউজার ডাউনলোড করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে শাওমি। বেজিংয়ের এই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, গ্রাহকের পরিচয় গোপন রেখে ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করা হয় ঠিকই; কিন্তু এই ডেটা অন্য সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করা হয় না।

এই প্রেক্ষাপটে শাওমির গোপনীয়তা নীতিমালার বিষয়ে ফোর্বসের সাম্প্রতিক নিবন্ধটি পর্যালোচনা করে এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, শাওমি বিশ্বাস করে যে ফোর্বসের রিপোর্টিংটি কিছু তথ্যের ভুল উপস্থাপনা করেছে। শাওমি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা-বিষয়ক নীতিমালাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে।

শাওমি যে দেশ ও অঞ্চলগুলিতে ব্যবসা পরিচালনা করে সেগুলোতে কঠোরভাবে এই নীতিমালা অনুসরণ করছে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা অত্র দেশের বা অঞ্চলের সুরক্ষা আইন এবং নিয়মগুলির সাথে সম্পূর্ণরূপে মেনে চলছে।

এর আলোকে শাওমি কিছু ব্যাখ্যাও দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বাজারে শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বোত্তম সম্ভাব্য ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য, অপারেটিং সিস্টেম এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষার বাধ্যবাধকতা গ্রহণের জন্য, সমস্ত সংগৃহীত ডেটা ব্যবহারের ভিত্তিতে অনুমতি এবং সম্মতি ব্যবহারকারীদের দ্বারা স্পষ্টভাবে গ্রহণ করছে।

শাওমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি বেনামে এনক্রিপ্ট করা হয়েছে। সমন্বিত ব্যবহারের এই ডেটা সংগ্রহ শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং শাওমি এই ডেটার কোনটির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সনাক্তযোগ্য কোন তথ্যকে লিঙ্ক করে না।

এটি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত করে তেমনি সামগ্রিক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে। এটি বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সংস্থাগুলো দ্বারা গৃহীত একটি সাধারণ সমাধান বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।