শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে ২১ টিপস
jugantor
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে ২১ টিপস

  এম. মিজানুর রহমান সোহেল  

১৭ জুন ২০২০, ২০:২১:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

ভার্চুয়াল লাইফ আমাদের স্বাভাবিক জীবনের সঙ্গে যেমন জড়িয়ে গিয়েছে, তেমনি হয়েছে আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে ঠিক তেমনি জড়িয়েছে আমাদের সমাজ ও পরিবারের শিশু-কিশোরদের জীবনেও।

অনলাইন বা ভার্চুয়াল জগত আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্ববহন করে থাকে আর করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের বাইরের অনেক কাজই করতে হচ্ছে অনলাইনে। অফিস মিটিং, কেনাকাটা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ক্লাস পর্যন্ত হচ্ছে অনলাইনেই। আর এর মাঝেই শিশুদের শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস, যা একটি ভালো দিক। শিশুদের জীবনেও গুরুত্ব বহন করছে এই ভার্চুয়াল জগত।

কিন্তু অনলাইনে শিশু-কিশোরদের অবাধে পদচারণ নিয়ে অনেক অভিভাবক টেনশনে আছেন। সাইবার ক্রাইমের শিকার হয় কিনা বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটে কিনা এমন ভয়ে থাকেন অভিভাবকরা। এছাড়া ইন্টারনেট আসক্তিও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনলাইন শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তার ব্যাপারে নিরাপদ সাইবার স্পেসের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান ক্রাইম রিসার্চ অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)-এর সভাপতি জেনিফার আলম যুগান্তরকে বলেন, বাচ্চাদেরকে শুধু অনলাইনে না, তাদের জীবনের প্রতিটা দিকে নিরাপদে রাখার প্রধান উপায় হচ্ছে বাবা-মার সঙ্গে সন্তানের ভালো সম্পর্ক। পরবর্তীতে যে দিকটি লক্ষ্য রাখতে হবে- আপনার সন্তান অনলাইনে বা অফলাইনে কাদের সঙ্গে মিশছে সেটার খোঁজ রাখা। তৃতীয়ত, অনলাইন নিরাপত্তা, অনলাইনের ক্ষতিকর ও ভয়ঙ্কর দিকগুলো সম্পর্কে সতর্ক করতে হবে।

অনলাইনে যেমন অনেক সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি এখানেও রয়েছে কিছু খারাপ দিক। স্বাভাবিক জীবনে যেমন শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা দেয়া জরুরি, তেমনি অনলাইনেও শিশুদের নিরাপত্তার গুরুত্ব অপরিসীম।

একবার ভাবুন, কেউ অনলাইনে সুযোগ পেয়ে আপনার শিশুটির কোমল হৃদয় বিষিয়ে দিচ্ছে, তাকে হ্যারাজমেন্ট করছে, তাকে দিয়ে আপনাদের বা বুঝে ওঠার আগেই তাকেও ব্লাকমেইল করছে। শুনতে একটু ভয়ানক হলেও এটি সত্যি, এমনটা অনেক সময়ই হচ্ছে আজকাল।

এই ব্যাপারে ক্রাফের আইটি অ্যানালিস্ট রাইয়ান মালিক বলেন, বাচ্চাদের কম্পিউটার বা ডিভাইসটি ঘরের এমন জায়গায় রাখুন যাতে করে আপনি সহজেই দেখতে পারেন আপনার সন্তানটি কি করছে, ডিভাইসটি চেক করুন প্রতিনিয়ত ও প্যারেন্টস কন্ট্রোলিং সিস্টেম ব্যবহার করুন। তাদের অনলাইন নিরাপত্তার ব্যাপারে বুঝাতে হবে সতর্ক করতে হবে।

ক্রাফের টিম অনলাইনে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তায় করণীয় নিয়ে যুগান্তরের কাছে ২১টি টিপস দিয়েছে-

১। ওয়াইফাই রাউটার প্যারেন্টস কন্ট্রোল যেমন ডাটা ইউজ লিমিট করে দেয়া। সন্দেহের তালিকায় থাকা বা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর এমন ওয়েবসাইটগুলো ব্লক করে দেয়া ইত্যাদি করতে পারি।

২। গুগোল ওয়াইফাই অ্যাপের মাধ্যমে ফোন দিয়ে আমরা সহজেই শিশুদের ওয়াইফাই ইউজ শিডিউল করে দিতে পারি।

৩। ইউটিউবের জন্য বাচ্চাদের "ইউটিউব ফর কিডস" অ্যাপটি ব্যবহার করতে দেয়া, কারণ ইউটিউবেও এমন অনেক ভিডিও আছে যেগুলো দেখলে বাচ্চারা মানসিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

৪। গুগোল প্লে প্যারেন্টস কন্ট্রোলটি ব্যবহার করতে পারেন, এতে করে আপনার সন্তান কি করছে, কি অ্যাপ ইন্সটল করছে এছাড়াও মুভি, টিভি শো, বই, গান এসবে কন্ট্রোল করতে পারবেন।

৫। গুগোল ফ্যামিলি লিংক অ্যাপসের মাধ্যমে আপনার শিশুর লোকেশন, কোন অ্যাপ কতটুকু বা কতক্ষণ ব্যবহার করছে দেখতে পারবেন, স্ক্রিন টাইম সেট করতে পারবেন ও আরও অনেক সুবিধা পাবেন এই অ্যাপটির মাধ্যমে। এমন আরও অনেক সফটওয়্যার বা অ্যাপস রয়েছে।

৬। বাচ্চাদের ফোনের গুগোল অ্যাকাউন্ট ভিজিট করে আপনার বাচ্চার এক্টিভিটিস দেখতে পারবেন।

৭। বাচ্চাদের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি থাকুন ও অনলাইনে কার সঙ্গে বা কাদের সঙ্গে কথা বলছে, তথ্য আদান-প্রদান করছে সেই দিকে নজর রাখুন।

৮। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টস বা বাচ্চাদের ছবি ও পার্সোনাল ডেটা অনলাইনে শেয়ার বা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

৯। নিজের লোকেশন শেয়ার না করাই ভালো, আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একদমই না।

১০। বাচ্চাদের ফোনের বা ডিভাইসের সফটওয়্যার আপডেট রাখুন ও ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।

১১। অনলাইনে কিভাবে সুরক্ষিত থাকা যায় তাদের শিখান ও বুঝান এর গুরুত্ব।

১২। আপনার শিশুর ব্যবহারের পরিবর্তনের দিকে খেয়াল রাখুন।

১৩। বাচ্চাটির ব্রাউজিং হিস্ট্রি চেক করুন প্রতিদিন।

১৪। কৌশলে তাদের সঙ্গে নিয়ে তাদের ডিভাইস দিয়ে অনলাইনে বসুন ও তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন।

১৫। "অপরিচিত কারো সঙ্গে অনলাইনে কথা বলা যাবে না" উদাহরণ দিয়ে বুঝান।

১৬। যদি মনে হয় আপনাদের বা আপনার শিশুকে কেউ অনলাইনে নজর রাখছে বা স্পাই করছে তাহলে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হন।

১৭। আপনার সন্তান আপনাকে কী বলতে চায় ধৈর্য ধরে শুনুন।

১৮। অনলাইনের খারাপ দিন ও ক্ষতিকর জিনিস যেমন ম্যালওয়ারের ব্যাপারে সতর্ক করুন।

১৯। আপনার হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সিকিউর রাখুন।

২০। বাচ্চাদের ডিভাইসটি ওপেন নেটওয়ার্ক বা ফ্রি ওয়াই-ফাইতে কানেক্ট করাবেন না বা করতে দিবেন না।

২১। কোন লিংক বা অ্যাডে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সব সতর্কতা অবলম্বন করার পরেও কোন ধরনের সাইবার ক্রাইম, বুলিং বা হ্যারাসমেন্টের শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করবেন। জরুরি পুলিশ প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে বিনামূল্যে করবেন।

শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে ২১ টিপস

 এম. মিজানুর রহমান সোহেল 
১৭ জুন ২০২০, ০৮:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। ছবি: সংগৃহীত
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

ভার্চুয়াল লাইফ আমাদের স্বাভাবিক জীবনের সঙ্গে যেমন জড়িয়ে গিয়েছে, তেমনি হয়েছে আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে ঠিক তেমনি জড়িয়েছে আমাদের সমাজ ও পরিবারের শিশু-কিশোরদের জীবনেও। 

অনলাইন বা ভার্চুয়াল জগত আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্ববহন করে থাকে আর করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের বাইরের অনেক কাজই করতে হচ্ছে অনলাইনে। অফিস মিটিং, কেনাকাটা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ক্লাস পর্যন্ত হচ্ছে অনলাইনেই। আর এর মাঝেই শিশুদের শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস, যা একটি ভালো দিক। শিশুদের জীবনেও গুরুত্ব বহন করছে এই ভার্চুয়াল জগত।

কিন্তু অনলাইনে শিশু-কিশোরদের অবাধে পদচারণ নিয়ে অনেক অভিভাবক টেনশনে আছেন। সাইবার ক্রাইমের শিকার হয় কিনা বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটে কিনা এমন ভয়ে থাকেন অভিভাবকরা। এছাড়া ইন্টারনেট আসক্তিও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

অনলাইন শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তার ব্যাপারে নিরাপদ সাইবার স্পেসের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান ক্রাইম রিসার্চ অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)-এর সভাপতি জেনিফার আলম যুগান্তরকে বলেন, বাচ্চাদেরকে শুধু অনলাইনে না, তাদের জীবনের প্রতিটা দিকে নিরাপদে রাখার প্রধান উপায় হচ্ছে বাবা-মার সঙ্গে সন্তানের ভালো সম্পর্ক। পরবর্তীতে যে দিকটি লক্ষ্য রাখতে হবে- আপনার সন্তান অনলাইনে বা অফলাইনে কাদের সঙ্গে মিশছে সেটার খোঁজ রাখা। তৃতীয়ত, অনলাইন নিরাপত্তা, অনলাইনের ক্ষতিকর ও ভয়ঙ্কর দিকগুলো সম্পর্কে সতর্ক করতে হবে।  

অনলাইনে যেমন অনেক সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি এখানেও রয়েছে কিছু খারাপ দিক। স্বাভাবিক জীবনে যেমন শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা দেয়া জরুরি, তেমনি অনলাইনেও শিশুদের নিরাপত্তার গুরুত্ব অপরিসীম।
 
একবার ভাবুন, কেউ অনলাইনে সুযোগ পেয়ে আপনার শিশুটির কোমল হৃদয় বিষিয়ে দিচ্ছে, তাকে হ্যারাজমেন্ট করছে, তাকে দিয়ে আপনাদের বা বুঝে ওঠার আগেই তাকেও ব্লাকমেইল করছে। শুনতে একটু ভয়ানক হলেও এটি সত্যি, এমনটা অনেক সময়ই হচ্ছে আজকাল। 

এই ব্যাপারে ক্রাফের আইটি অ্যানালিস্ট রাইয়ান মালিক বলেন, বাচ্চাদের কম্পিউটার বা ডিভাইসটি ঘরের এমন জায়গায় রাখুন যাতে করে আপনি সহজেই দেখতে পারেন আপনার সন্তানটি কি করছে, ডিভাইসটি চেক করুন প্রতিনিয়ত ও প্যারেন্টস কন্ট্রোলিং সিস্টেম ব্যবহার করুন। তাদের অনলাইন নিরাপত্তার ব্যাপারে বুঝাতে হবে সতর্ক করতে হবে। 

ক্রাফের টিম অনলাইনে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তায় করণীয় নিয়ে যুগান্তরের কাছে ২১টি টিপস দিয়েছে- 

১। ওয়াইফাই রাউটার প্যারেন্টস কন্ট্রোল যেমন ডাটা ইউজ লিমিট করে দেয়া। সন্দেহের তালিকায় থাকা বা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর এমন ওয়েবসাইটগুলো ব্লক করে দেয়া ইত্যাদি করতে পারি।

২। গুগোল ওয়াইফাই অ্যাপের মাধ্যমে ফোন দিয়ে আমরা সহজেই শিশুদের ওয়াইফাই ইউজ শিডিউল করে দিতে পারি। 

৩। ইউটিউবের জন্য বাচ্চাদের "ইউটিউব ফর কিডস" অ্যাপটি ব্যবহার করতে দেয়া, কারণ ইউটিউবেও এমন অনেক ভিডিও আছে যেগুলো দেখলে বাচ্চারা মানসিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। 

৪। গুগোল প্লে প্যারেন্টস কন্ট্রোলটি ব্যবহার করতে পারেন, এতে করে আপনার সন্তান কি করছে, কি অ্যাপ ইন্সটল করছে এছাড়াও মুভি, টিভি শো, বই, গান এসবে কন্ট্রোল করতে পারবেন।

৫। গুগোল ফ্যামিলি লিংক অ্যাপসের মাধ্যমে আপনার শিশুর লোকেশন, কোন অ্যাপ কতটুকু বা কতক্ষণ ব্যবহার করছে দেখতে পারবেন, স্ক্রিন টাইম সেট করতে পারবেন ও আরও অনেক সুবিধা পাবেন এই অ্যাপটির মাধ্যমে। এমন আরও অনেক সফটওয়্যার বা অ্যাপস রয়েছে।

৬। বাচ্চাদের ফোনের গুগোল অ্যাকাউন্ট ভিজিট করে আপনার বাচ্চার এক্টিভিটিস দেখতে পারবেন।

৭। বাচ্চাদের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি থাকুন ও অনলাইনে কার সঙ্গে বা কাদের সঙ্গে কথা বলছে, তথ্য আদান-প্রদান করছে সেই দিকে নজর রাখুন।

৮। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টস বা বাচ্চাদের ছবি ও পার্সোনাল ডেটা অনলাইনে শেয়ার বা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার দেয়া থেকে বিরত থাকুন। 

৯। নিজের লোকেশন শেয়ার না করাই ভালো, আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একদমই না। 

১০। বাচ্চাদের ফোনের বা ডিভাইসের সফটওয়্যার আপডেট রাখুন ও ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। 

১১। অনলাইনে কিভাবে সুরক্ষিত থাকা যায় তাদের শিখান ও বুঝান এর গুরুত্ব।

১২। আপনার শিশুর ব্যবহারের পরিবর্তনের দিকে খেয়াল রাখুন।

১৩। বাচ্চাটির ব্রাউজিং হিস্ট্রি চেক করুন প্রতিদিন।

১৪। কৌশলে তাদের সঙ্গে নিয়ে তাদের ডিভাইস দিয়ে অনলাইনে বসুন ও তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন।

১৫। "অপরিচিত কারো সঙ্গে অনলাইনে কথা বলা যাবে না" উদাহরণ দিয়ে বুঝান। 

১৬। যদি মনে হয় আপনাদের বা আপনার শিশুকে কেউ অনলাইনে নজর রাখছে বা স্পাই করছে তাহলে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হন।

১৭। আপনার সন্তান আপনাকে কী বলতে চায় ধৈর্য ধরে শুনুন।

১৮। অনলাইনের খারাপ দিন ও ক্ষতিকর জিনিস যেমন ম্যালওয়ারের ব্যাপারে সতর্ক করুন।

১৯। আপনার হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সিকিউর রাখুন।

২০। বাচ্চাদের ডিভাইসটি ওপেন নেটওয়ার্ক বা ফ্রি ওয়াই-ফাইতে কানেক্ট করাবেন না বা করতে দিবেন না। 

২১। কোন লিংক বা অ্যাডে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সব সতর্কতা অবলম্বন করার পরেও কোন ধরনের সাইবার ক্রাইম, বুলিং বা হ্যারাসমেন্টের শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করবেন। জরুরি পুলিশ প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে বিনামূল্যে করবেন।