‘এভাটারে’ কাঁপছে ফেসবুক, যেখান থেকে এলো এই ট্রেন্ড
jugantor
‘এভাটারে’ কাঁপছে ফেসবুক, যেখান থেকে এলো এই ট্রেন্ড

  আইটি ডেস্ক  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নতুন ট্রেন্ড ‘এভাটারে’ কাঁপছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। 

বিশ্বের আর সব দেশের মতো বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরাও এই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন। 

মঙ্গলবার সকাল থেকে ফেসবুকের নিউজফিডজুড়ে হরেকরকম ডিজাইনের ‘এভাটারে’ মুখর হয়ে ওঠে। যেখানে সবাই নিজেকে কার্টুনে পরিণত করতে মত্ত হয়েছেন। সারাদিন ধরে এখন পর্যন্ত এই ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা। 

ফেইসবুক নিজেই এর শুরু করে।

জানা গেছে, গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বপ্রথম  এভাটার ফিচার মুক্তি পায়। সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ এশিয়ায় ফিচারটি অবমুক্ত করে ফেসবুক। এর পরপরই ফিচারটি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছে, এটি ফেসবুকের একটি নতুন বিনোদনের মাধ্যম যাতে নতুন করে আরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি নেই।

এমন ট্রেন্ডে বিরক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুপ্তি দাস চৈতি। 

তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছুকেই ট্রেন্ড বানিয়ে বিরক্তিকর পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছি। এভাটারের ট্রেন্ডটাও এমন। আমার মনে হচ্ছে এখন আমরা ট্রেন্ডকে নিয়ন্ত্রণ করছি না, ট্রেন্ড আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে।’

তবে এর উল্টো মত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু। 

তিনি বলেন, এটাকে এতো সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু নেই।  এটা একটা নির্দোষ মজা। সময়ের স্রোতে এই ট্রেন্ড এসেছে আবার সময়ের স্রোতে চলে যাবে।

পাপ্পুর মতো ‘এভাটার’ ট্রেন্ডকে সহজ দৃষ্টিতেই দেখতে অনুরোধ করেছেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বী । 

তিনি বলেন, করোনার এই সময়ে ঘরবন্দি থাকতে থাকতে মানুষ অনেক কিছু নিয়েই মেতে উঠেছে। এভাটারও এমন একটা বিষয়। এগুলো মজা ছাড়া আর কিছুই নয়। 

এ বিষয়ে সাইবার-৭১ এর পরিচালক আবদুল্লাহ আল জাবের হৃদয় বলেন, ‘এই এভাটার ফিচারটি ফেসবুকের নিজস্ব একটি ফিচার যা সম্প্রতি চালু হয়েছে। এটি বেশ নিরাপদ। তথ্য চুরির সঙ্গে এখন পর্যন্ত এর কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানা যাচ্ছে।’

‘এভাটারে’ কাঁপছে ফেসবুক, যেখান থেকে এলো এই ট্রেন্ড

 আইটি ডেস্ক 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নতুন ট্রেন্ড ‘এভাটারে’ কাঁপছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

বিশ্বের আর সব দেশের মতো বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরাও এই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল থেকে ফেসবুকের নিউজফিডজুড়ে হরেকরকম ডিজাইনের ‘এভাটারে’ মুখর হয়ে ওঠে। যেখানে সবাই নিজেকে কার্টুনে পরিণত করতে মত্ত হয়েছেন। সারাদিন ধরে এখন পর্যন্ত এই ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা।

ফেইসবুক নিজেই এর শুরু করে।

জানা গেছে, গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বপ্রথম এভাটার ফিচার মুক্তি পায়। সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ এশিয়ায় ফিচারটি অবমুক্ত করে ফেসবুক। এর পরপরই ফিচারটি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছে, এটি ফেসবুকের একটি নতুন বিনোদনের মাধ্যম যাতে নতুন করে আরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি নেই।

এমন ট্রেন্ডে বিরক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুপ্তি দাস চৈতি।

তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছুকেই ট্রেন্ড বানিয়ে বিরক্তিকর পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছি। এভাটারের ট্রেন্ডটাও এমন। আমার মনে হচ্ছে এখন আমরা ট্রেন্ডকে নিয়ন্ত্রণ করছি না, ট্রেন্ড আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে।’

তবে এর উল্টো মত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু।

তিনি বলেন, এটাকে এতো সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু নেই। এটা একটা নির্দোষ মজা। সময়ের স্রোতে এই ট্রেন্ড এসেছে আবার সময়ের স্রোতে চলে যাবে।

পাপ্পুর মতো ‘এভাটার’ ট্রেন্ডকে সহজ দৃষ্টিতেই দেখতে অনুরোধ করেছেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বী।

তিনি বলেন, করোনার এই সময়ে ঘরবন্দি থাকতে থাকতে মানুষ অনেক কিছু নিয়েই মেতে উঠেছে। এভাটারও এমন একটা বিষয়। এগুলো মজা ছাড়া আর কিছুই নয়।

এ বিষয়ে সাইবার-৭১ এর পরিচালক আবদুল্লাহ আল জাবের হৃদয় বলেন, ‘এই এভাটার ফিচারটি ফেসবুকের নিজস্ব একটি ফিচার যা সম্প্রতি চালু হয়েছে। এটি বেশ নিরাপদ। তথ্য চুরির সঙ্গে এখন পর্যন্ত এর কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানা যাচ্ছে।’