৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ রমসহ ৬৪ মেগাপিক্সেলের রিয়েলমি ৭ আই
jugantor
৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ রমসহ ৬৪ মেগাপিক্সেলের রিয়েলমি ৭ আই

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

১৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৫:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

দুনিয়াটাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে স্মার্টফোন। ল্যাপটপে সিনেমা দেখা কিংবা ঘুরতে বেরোলে ভারী ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার দিন অনেকটাই শেষ হয়ে এসেছে।

স্মার্টফোনের ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ডিসপ্লে আর অনন্য ক্যামেরায় সব কিছুই এখন পকেটে। আর নান্দনিক ডিজাইনে, অত্যাধুনিক সব ফিচারে, আকর্ষণীয় দামে ফোন এনে তরুণদের মন জয় করে নিচ্ছে রিয়েলমি।

সম্প্রতি টেক-ট্রেন্ডসেটার ব্র্যান্ডটি ৯০ হার্টজের আল্ট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে, এই প্রাইস রেঞ্জের সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরায় মাত্র ১৮,৯৯০ টাকায় বাজারে এনেছে রিয়েলমি ৭ আই।

চলুন দেখে নেয়া যাক, মিড লেভেলের এই স্মার্টফোনে আর কী কী সুবিধা আছে।

হাতের মুঠোয় প্রফেশনাল ক্যামেরা

প্রফেশনাল ক্যামেরা পকেটে নিয়েই ঘোরার সুযোগ করে দিয়েছে রিয়েলমি। রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে এই প্রাইস রেঞ্জের সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ক্লিয়ার কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ।

৬৪ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরার সঙ্গে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৯ ডিগ্রির আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের একটি ম্যাক্রো লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের একটি সাদা-কালো পোর্ট্রেট লেন্সের সমন্বয়ে এই সেটআপে প্রতিটি মুহূর্তের চমৎকার ছবি তোলা যাবে।

মূল ক্যামেরার সেন্সর সাইজ ১/২-ইঞ্চি ও এফ/১.৮-এর বড় অ্যাপারচার থাকায় অল্প আলোতেও পরিষ্কার, উজ্জ্বল ছবি তোলা যাবে।

ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্সে প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্থাপত্য এবং গ্রুপ ছবি তোলা হবে আরও সহজ। আল্ট্রা-ম্যাক্রো লেন্সের সঙ্গে মাত্র ৪ সেন্টিমিটার দূর থেকে ছবি তুলতে পারায় সহজেই হারিয়ে যেতে পারবেন ম্যাক্রো জগতে। চমকপ্রদ কিছু নতুন কালার ফিল্টারে প্রতিটি পোর্ট্রেটে পাওয়া যাবে চমৎকার ডিটেইলস আর অসাধারণ টেক্সচার।

নাইটস্কেপ মোডে আছে ৩টি দুর্দান্ত ফিল্টার– সাইবারপাঙ্ক, ফ্লেমিঙ্গো ও মডার্ন গোল্ড। ভিন্নধর্মী এ ইফেক্টগুলোতে রাতের ছবিতে দেবে নতুন এক নান্দনিকতা। পাশাপাশি দিনের আলোতে এ ইফেক্টগুলো ব্যবহারে মিলবে নতুনত্ব।

এর সেলফি ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের সনি ইন-ডিসপ্লে আইএমএক্স ৪৭১ সেন্সর। এর এফ/২.১ বড় অ্যাপারচার, এআই বিউটিফিকেশন, বোকেহ ইফেক্টে যে কোনো সময়েই চমৎকার সেলফি তোলা যাবে। আছে এইচডিআর এবং ইআইএস স্টেবিলাইজেশনও। ক্যামেরায় থাকা সিনেমা মোডে প্রো-লেভেলে ভিডিও করার সুবিধা থাকায় সিনেমাটিক ভ্লগিংকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

এ ছাড়া ক্যামেরায় আরও আছে– এইচডিআর, ফ্রন্ট প্যানোরামা, ইউআইএস স্ট্যাবিলাইজেশন, সুপার নাইটস্কেপ মোড ও ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও করার সুবিধা।

৯০ হার্টজ আল্ট্রা স্মুথ ডিসপ্লেতে বিনোদন বাড়বে বহুগুণ

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কারণে গেমিং বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কিংবা ভিডিও, মুভি দেখায় আরও আনন্দ মিলবে।

৭ আই-তে উচ্চ রিফ্রেশ রেট প্রচলিত ৬০ হার্টজের ডিসপ্লের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি, পাশাপাশি ১২০ হার্টজের স্যাম্পলিং রেটে প্রতিটি সোয়াইপ হবে আরও স্মুথ। ডিসপ্লের ৬০০ নিট পর্যন্ত উজ্জ্বলতায় প্রচণ্ড আলোতেও সহজেই ফোন ব্যবহার করা যাবে।

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৬.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও অনুপাত ৯০ শতাংশ। এ ডিভাইসটির ডিসপ্লে ব্যবহারকারীর চোখকে সুরক্ষিত রাখবে। ফলে ব্যবহারকারী দীর্ঘসময় ধরে অনায়াসে ডিভাইসটি ব্যবহার করতে পারবে। শক্তিশালী চিপসেটে গেমিং ও কাজে অনন্য গতি রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে শক্তিশালী এবং আরও কার্যকর ১১ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৬২ প্রসেসর, ক্রায়ো ২৬০ সিপিইউ ও অ্যাড্রেনো ৬১০ জিপিইউ।

এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর ৪এক্স র্যাকম স্মার্টফোনে দেবে ২.০ গিগাহার্টজ পর্যন্ত গতি।

১২৮ গিগাবাইটের ইন্টারনাল স্টোরেজের সঙ্গে আছে এসডি কার্ডের ব্যবহারে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানোর সুবিধা। আর নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারে আনন্দ জোগাবে রিয়েলমি ইউআই।

এ ছাড়া ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক তো আছেই। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পানি ঢোকার হাত বাঁচাতে প্রতিটি পোর্টেই আছে সিলিকোনের ওয়াটারপ্রুফিং।

৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিতে অবারিত আনন্দ

নন-স্টপ স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে ৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি। আর এই ব্যাটারিকে কুইক চার্জ দেয়ার জন্য থাকছে ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জ, যা দিয়ে মাত্র ৩০ মিনিটের এর বিশাল ব্যাটারির ৩৩ শতাংশ চার্জ করা যায়।

অল্প ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে যেন পাওয়ার কনজাম্পশন না করে, সে জন্য আছে অ্যাপ কুইক ফ্রিজ। এ ছাড়া স্ক্রিন ব্যাটারি অপটিমাইজেশন স্বয়ংক্রিভাবে ডিসপ্লে ইফেক্ট কমিয়ে ব্যাটারির ওপর চাপ কমাবে।

সুপার পাওয়ার সেভিং মোডে মাত্র ৫% শতাংশ ব্যাটারি ব্যবহারে প্রায় ১.১ ঘণ্টা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।

হালের তরুণদের লাইফস্টাইলকে আরও সমুন্নত করতে রিয়েলমি ৭ আই-তে আনা হয়েছে নতুনত্ব। মিরর ডিজাইনের ফোনটি অরোরা গ্রিন ও পোলার ব্লু– এ দুটি ব্যতিক্রমী রঙে দেশের সব স্মার্টফোন স্টোরসহ অনলাইনে এর মাত্র ১৮,৯৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে রিয়েলমি ৭ আই।

৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ রমসহ ৬৪ মেগাপিক্সেলের রিয়েলমি ৭ আই

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
১৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দুনিয়াটাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে স্মার্টফোন। ল্যাপটপে সিনেমা দেখা কিংবা ঘুরতে বেরোলে ভারী ক্যামেরা নিয়ে যাওয়ার দিন অনেকটাই শেষ হয়ে এসেছে।

স্মার্টফোনের ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ডিসপ্লে আর অনন্য ক্যামেরায় সব কিছুই এখন পকেটে। আর নান্দনিক ডিজাইনে, অত্যাধুনিক সব ফিচারে, আকর্ষণীয় দামে ফোন এনে তরুণদের মন জয় করে নিচ্ছে রিয়েলমি।

সম্প্রতি টেক-ট্রেন্ডসেটার ব্র্যান্ডটি ৯০ হার্টজের আল্ট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে, এই প্রাইস রেঞ্জের সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরায় মাত্র ১৮,৯৯০ টাকায় বাজারে এনেছে রিয়েলমি ৭ আই।

চলুন দেখে নেয়া যাক, মিড লেভেলের এই স্মার্টফোনে আর কী কী সুবিধা আছে।

হাতের মুঠোয় প্রফেশনাল ক্যামেরা

প্রফেশনাল ক্যামেরা পকেটে নিয়েই ঘোরার সুযোগ করে দিয়েছে রিয়েলমি। রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে এই প্রাইস রেঞ্জের সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ক্লিয়ার কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ।

৬৪ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরার সঙ্গে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৯ ডিগ্রির আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের একটি ম্যাক্রো লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের একটি সাদা-কালো পোর্ট্রেট লেন্সের সমন্বয়ে এই সেটআপে প্রতিটি মুহূর্তের চমৎকার ছবি তোলা যাবে।

মূল ক্যামেরার সেন্সর সাইজ ১/২-ইঞ্চি ও এফ/১.৮-এর বড় অ্যাপারচার থাকায় অল্প আলোতেও পরিষ্কার, উজ্জ্বল ছবি তোলা যাবে।

ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্সে প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্থাপত্য এবং গ্রুপ ছবি তোলা হবে আরও সহজ। আল্ট্রা-ম্যাক্রো লেন্সের সঙ্গে মাত্র ৪ সেন্টিমিটার দূর থেকে ছবি তুলতে পারায় সহজেই হারিয়ে যেতে পারবেন ম্যাক্রো জগতে। চমকপ্রদ কিছু নতুন কালার ফিল্টারে প্রতিটি পোর্ট্রেটে পাওয়া যাবে চমৎকার ডিটেইলস আর অসাধারণ টেক্সচার।

নাইটস্কেপ মোডে আছে ৩টি দুর্দান্ত ফিল্টার– সাইবারপাঙ্ক, ফ্লেমিঙ্গো ও মডার্ন গোল্ড। ভিন্নধর্মী এ ইফেক্টগুলোতে রাতের ছবিতে দেবে নতুন এক নান্দনিকতা। পাশাপাশি দিনের আলোতে এ ইফেক্টগুলো ব্যবহারে মিলবে নতুনত্ব।

এর সেলফি ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের সনি ইন-ডিসপ্লে আইএমএক্স ৪৭১ সেন্সর। এর এফ/২.১ বড় অ্যাপারচার, এআই বিউটিফিকেশন, বোকেহ ইফেক্টে যে কোনো সময়েই চমৎকার সেলফি তোলা যাবে। আছে এইচডিআর এবং ইআইএস স্টেবিলাইজেশনও। ক্যামেরায় থাকা সিনেমা মোডে প্রো-লেভেলে ভিডিও করার সুবিধা থাকায় সিনেমাটিক ভ্লগিংকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

এ ছাড়া ক্যামেরায় আরও আছে– এইচডিআর, ফ্রন্ট প্যানোরামা, ইউআইএস স্ট্যাবিলাইজেশন, সুপার নাইটস্কেপ মোড ও ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও করার সুবিধা।

৯০ হার্টজ আল্ট্রা স্মুথ ডিসপ্লেতে বিনোদন বাড়বে বহুগুণ

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কারণে গেমিং বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কিংবা ভিডিও, মুভি দেখায় আরও আনন্দ মিলবে।

৭ আই-তে উচ্চ রিফ্রেশ রেট প্রচলিত ৬০ হার্টজের ডিসপ্লের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি, পাশাপাশি ১২০ হার্টজের স্যাম্পলিং রেটে প্রতিটি সোয়াইপ হবে আরও স্মুথ। ডিসপ্লের ৬০০ নিট পর্যন্ত উজ্জ্বলতায় প্রচণ্ড আলোতেও সহজেই ফোন ব্যবহার করা যাবে।

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৬.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও অনুপাত ৯০ শতাংশ। এ ডিভাইসটির ডিসপ্লে ব্যবহারকারীর চোখকে সুরক্ষিত রাখবে। ফলে ব্যবহারকারী দীর্ঘসময় ধরে অনায়াসে ডিভাইসটি ব্যবহার করতে পারবে। শক্তিশালী চিপসেটে গেমিং ও কাজে অনন্য গতি রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে শক্তিশালী এবং আরও কার্যকর ১১ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৬২ প্রসেসর, ক্রায়ো ২৬০ সিপিইউ ও অ্যাড্রেনো ৬১০ জিপিইউ।

এর সঙ্গে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর ৪এক্স র্যাকম স্মার্টফোনে দেবে ২.০ গিগাহার্টজ পর্যন্ত গতি।

১২৮ গিগাবাইটের ইন্টারনাল স্টোরেজের সঙ্গে আছে এসডি কার্ডের ব্যবহারে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানোর সুবিধা। আর নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারে আনন্দ জোগাবে রিয়েলমি ইউআই।

এ ছাড়া ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক তো আছেই। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পানি ঢোকার হাত বাঁচাতে প্রতিটি পোর্টেই আছে সিলিকোনের ওয়াটারপ্রুফিং।

৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিতে অবারিত আনন্দ

নন-স্টপ স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে ৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি। আর এই ব্যাটারিকে কুইক চার্জ দেয়ার জন্য থাকছে ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জ, যা দিয়ে মাত্র ৩০ মিনিটের এর বিশাল ব্যাটারির ৩৩ শতাংশ চার্জ করা যায়।

অল্প ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে যেন পাওয়ার কনজাম্পশন না করে, সে জন্য আছে অ্যাপ কুইক ফ্রিজ। এ ছাড়া স্ক্রিন ব্যাটারি অপটিমাইজেশন স্বয়ংক্রিভাবে ডিসপ্লে ইফেক্ট কমিয়ে ব্যাটারির ওপর চাপ কমাবে।

সুপার পাওয়ার সেভিং মোডে মাত্র ৫% শতাংশ ব্যাটারি ব্যবহারে প্রায় ১.১ ঘণ্টা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।

হালের তরুণদের লাইফস্টাইলকে আরও সমুন্নত করতে রিয়েলমি ৭ আই-তে আনা হয়েছে নতুনত্ব। মিরর ডিজাইনের ফোনটি অরোরা গ্রিন ও পোলার ব্লু– এ দুটি ব্যতিক্রমী রঙে দেশের সব স্মার্টফোন স্টোরসহ অনলাইনে এর মাত্র ১৮,৯৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে রিয়েলমি ৭ আই।