একদিনেই প্রায় দেড় কোটি হোয়াটসঅ্যাপ কল
jugantor
একদিনেই প্রায় দেড় কোটি হোয়াটসঅ্যাপ কল

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১০:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি সংগৃহীত

নতুন বছরের শুরুতেই ২৪ ঘণ্টায় এক কোটি ৪০ লাখের বেশি ভয়েস ও ভিডিওকল করেছেন বিশ্বজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহকরা।

প্ল্যাটফরমটিতে একদিনে এটিই কলিংয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুক।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার কারণে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এক বছর আগের চেয়ে ২০২০ সালে নববর্ষের শুরুতে হোয়াটসঅ্যাপ কলিং ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ঘরে থাকার কারণে কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে প্রযুক্তিকে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগিয়েছে সারাবিশ্ব।
এ সময়ে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে ভিডিওকলিং ফিচারে।

ফেসবুকের কারিগরি প্রকল্প ব্যবস্থাপক কেইটলিন ব্যানফোর্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, কোভিড ১৯-এর আগে নববর্ষের প্রারম্ভে মধ্যরাতে বিশ্বজুড়ে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি মেসেজিং, ছবি আপলোড এবং সোশ্যাল শেয়ারিং দেখা গেছে। যদিও মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের মার্চ মাসে যে ট্রাফিক দেখা গেছে, তা নববর্ষের শুরুর ট্রাফিককে কয়েক দফা পেছনে ফেলবে এবং এটি কয়েক মাস চলেছে।

একদিনেই প্রায় দেড় কোটি হোয়াটসঅ্যাপ কল

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

নতুন বছরের শুরুতেই ২৪ ঘণ্টায় এক কোটি ৪০ লাখের বেশি ভয়েস ও ভিডিওকল করেছেন বিশ্বজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহকরা।

প্ল্যাটফরমটিতে একদিনে এটিই কলিংয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুক।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার কারণে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এক বছর আগের চেয়ে ২০২০ সালে নববর্ষের শুরুতে হোয়াটসঅ্যাপ কলিং ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও ঘরে থাকার কারণে কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে প্রযুক্তিকে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগিয়েছে সারাবিশ্ব।
এ সময়ে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে ভিডিওকলিং ফিচারে।

ফেসবুকের কারিগরি প্রকল্প ব্যবস্থাপক কেইটলিন ব্যানফোর্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, কোভিড ১৯-এর আগে নববর্ষের প্রারম্ভে মধ্যরাতে বিশ্বজুড়ে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি মেসেজিং, ছবি আপলোড এবং সোশ্যাল শেয়ারিং দেখা গেছে। যদিও মহামারীর শুরুর দিকে ২০২০ সালের মার্চ মাসে যে ট্রাফিক দেখা গেছে, তা নববর্ষের শুরুর ট্রাফিককে কয়েক দফা পেছনে ফেলবে এবং এটি কয়েক মাস চলেছে।