মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে ওকলার তথ্য সঠিক নয়: বিটিআরসি
jugantor
মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে ওকলার তথ্য সঠিক নয়: বিটিআরসি

  সাইফ আহমাদ  

২৪ আগস্ট ২০২১, ০৩:০১:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

অ্যানালাইসিস কোম্পানি ওকলা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

ওকলার রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বদলায়নি। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। এর আগে জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায় ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একই অবস্থানে। যদিও ওকলার এই তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

ওকলার প্রতিবেদনে অনুযায়ী বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনিজুয়েলা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলছেন, ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে প্রতিবাদ করার আগে এটা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে, ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ওই কমিটি কাজ করছে।

বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ ডিজিটাল গ্রোথ হয়েছে, এক্সপানশন হয়েছে, যে পরিমাণ ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিচ্ছি, জুম মিটিং করছি, অনলাইন এক্টিভিটি করছি- এটা কখনই সম্ভব না যে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এ তথ্য জানায়নি বরং একটি কমার্শিয়াল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান যারা আইটিইউ স্বীকৃতি ও নয় বা অ্যাফিলিয়েটেড কোনো প্রতিষ্ঠানও না- তাদের তথ্য এটি।

বিটিআরসির এই মহাপরিচালক বলেন, এই ধরনের প্রতিবেদনের পেছন জরিপে স্যাম্পলিং লাগে যে কতজন মানুষের ডেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা এটা তুলনা করে দেখেছি, ওরা প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে দশমিক ৪৬, মানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একজনেরও কম মানুষের টেস্ট করে এটা বলেছে। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি। অর্থাৎ এখানে ডেটা স্যাম্পলিংয়ের একটা বিষয় রয়েছে। কোনো পরিসংখ্যান করার ক্ষেত্রে বেশি ডেটার মধ্যে রেজাল্টটা চেক করলে রেজাল্টটা অধিক অথেনটিক হবে বলেও উল্লখ করেন তিনি।

২২ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানিতে ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গটি তোলেন গণমাধ্যম কর্মীরা। এসময় বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় বিটিআরসি।

বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট গতির চিত্র দিয়ে জুন মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি ১২ দশমিক ৪৮ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৯৮ এমবিপিএস।

অপরদিকে চলতি মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডাউনলোড স্পিড ১২ দশমিক ৬০ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৬৫ এমবিপিএস।

মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে ওকলার তথ্য সঠিক নয়: বিটিআরসি

 সাইফ আহমাদ 
২৪ আগস্ট ২০২১, ০৩:০১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অ্যানালাইসিস কোম্পানি ওকলা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

ওকলার রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বদলায়নি। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। এর আগে জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায় ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একই অবস্থানে। যদিও ওকলার এই তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

ওকলার প্রতিবেদনে অনুযায়ী বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনিজুয়েলা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলছেন, ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে প্রতিবাদ করার আগে এটা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে, ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ওই কমিটি কাজ করছে।

বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ ডিজিটাল গ্রোথ হয়েছে, এক্সপানশন হয়েছে, যে পরিমাণ ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিচ্ছি, জুম মিটিং করছি, অনলাইন এক্টিভিটি করছি- এটা কখনই সম্ভব না যে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এ তথ্য জানায়নি বরং একটি কমার্শিয়াল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান যারা আইটিইউ স্বীকৃতি ও নয় বা অ্যাফিলিয়েটেড কোনো প্রতিষ্ঠানও না- তাদের তথ্য এটি।

বিটিআরসির এই মহাপরিচালক বলেন, এই ধরনের প্রতিবেদনের পেছন জরিপে স্যাম্পলিং লাগে যে কতজন মানুষের ডেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা এটা তুলনা করে দেখেছি, ওরা প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে দশমিক ৪৬, মানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একজনেরও কম মানুষের টেস্ট করে এটা বলেছে। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি। অর্থাৎ এখানে ডেটা স্যাম্পলিংয়ের একটা বিষয় রয়েছে। কোনো পরিসংখ্যান করার ক্ষেত্রে বেশি ডেটার মধ্যে রেজাল্টটা চেক করলে রেজাল্টটা অধিক অথেনটিক হবে বলেও উল্লখ করেন তিনি।

২২ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানিতে ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গটি তোলেন গণমাধ্যম কর্মীরা। এসময় বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় বিটিআরসি।

বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট গতির চিত্র দিয়ে জুন মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি ১২ দশমিক ৪৮ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৯৮ এমবিপিএস।

অপরদিকে চলতি মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডাউনলোড স্পিড ১২ দশমিক ৬০ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৬৫ এমবিপিএস।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন