নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন
jugantor
নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:২৭:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২১ এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের খুলনা থেকে মনোনীত দল ‘টিম মহাকাশ’ বিশ্বের ১৬২টি দেশের ৪৫৩৪টি দলকে হারিয়ে ‘নাসা বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ শ্রেণিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

মূলত ভিনগ্রহে অভিযানের সময় মুক্তভাবে উড়তে থাকা ধুলিকণা নিয়ন্ত্রণের কাজ করবে টিম মহাকাশের উদ্ভাবিত টুল ‘এআরএসএস-অ্যাডভান্সড রিগোলিথ স্যাম্পলার সিস্টেম’।

নভোচারীরা অভিযোগ তুলেছিল যে, চাঁদে আগের মানব মিশনগুলোতে উপস্থিত ধূলিকণার মধ্যে কাজ করতে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম হওয়ায় সহজেই ধূলিকণা উড়ে ভাসতে থাকে চারপাশে, ফলে নভোচারীদের নমুনা সংগ্রহে বেগ পেতে হয় । এছাড়া মহাজাগতিক রেডিয়েশানের কারণে আয়নিত হওয়া ধূলিকণা স্পেসস্যুটের গায়ে লেগে থেকে স্যুটের ক্ষতি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে।

এই পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবেলায় সক্ষম একটি টুলসেট উদ্ভাবন করেছে ‘টিম মহাকাশ’। ভাসমান ধূলিকণাকে একটি আবদ্ধ চেম্বারে আটকে ফেলবে ওই টুলসেট।

নাসার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রসঙ্গে টিম মহাকাশের সদস্য সুমিত চন্দ বলেন, নিজের দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারাটা সবসময় গর্বের। আমরা এমন একটা সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করেছি যেটা নিয়ে নাসাসহ পৃথিবীর বড় বড় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চাইলেই পৃথিবীর বড় বড় সমস্যার সমাধান বের করে ফেলতে পারে সেটা আবারও দেখিয়ে দিয়েছি আমরা।

বেসিস এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহযোগিতায় আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে আট শতাধিক প্রকল্প জমা পড়েছিল। অসম্পূর্ণ প্রকল্প বাতিল করার পর যাচাই-বাছাই শেষে ১২৫টি প্রকল্পের প্রতিনিধিরা ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী হ্যাকাথনে অংশ নেন এবং সেরা ২৭টি প্রকল্প নাসার জন্যে বাংলাদেশ থেকে মনোনীত করা হয়। বাংলাদেশের ৯টি শহরে একযোগে ওই বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২১ এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের খুলনা থেকে মনোনীত দল ‘টিম মহাকাশ’ বিশ্বের ১৬২টি দেশের ৪৫৩৪টি দলকে হারিয়ে  ‘নাসা বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ শ্রেণিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

মূলত ভিনগ্রহে অভিযানের সময় মুক্তভাবে উড়তে থাকা ধুলিকণা নিয়ন্ত্রণের কাজ করবে টিম মহাকাশের উদ্ভাবিত টুল ‘এআরএসএস-অ্যাডভান্সড রিগোলিথ স্যাম্পলার সিস্টেম’।

নভোচারীরা অভিযোগ তুলেছিল যে, চাঁদে আগের মানব মিশনগুলোতে উপস্থিত ধূলিকণার মধ্যে কাজ করতে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম হওয়ায় সহজেই ধূলিকণা উড়ে ভাসতে থাকে চারপাশে, ফলে নভোচারীদের নমুনা সংগ্রহে বেগ পেতে হয় । এছাড়া মহাজাগতিক রেডিয়েশানের কারণে আয়নিত হওয়া ধূলিকণা স্পেসস্যুটের গায়ে লেগে থেকে স্যুটের ক্ষতি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে।

এই পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবেলায় সক্ষম একটি টুলসেট উদ্ভাবন করেছে ‘টিম মহাকাশ’। ভাসমান ধূলিকণাকে একটি আবদ্ধ চেম্বারে আটকে ফেলবে ওই টুলসেট।

নাসার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রসঙ্গে টিম মহাকাশের সদস্য সুমিত চন্দ বলেন, নিজের দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারাটা সবসময় গর্বের। আমরা এমন একটা সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করেছি যেটা নিয়ে নাসাসহ পৃথিবীর বড় বড় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চাইলেই পৃথিবীর বড় বড় সমস্যার সমাধান বের করে ফেলতে পারে সেটা আবারও দেখিয়ে দিয়েছি আমরা।

বেসিস এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহযোগিতায় আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে আট শতাধিক প্রকল্প জমা পড়েছিল। অসম্পূর্ণ প্রকল্প বাতিল করার পর যাচাই-বাছাই শেষে ১২৫টি প্রকল্পের প্রতিনিধিরা ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী হ্যাকাথনে অংশ নেন এবং সেরা ২৭টি প্রকল্প নাসার জন্যে বাংলাদেশ থেকে মনোনীত করা হয়। বাংলাদেশের ৯টি শহরে একযোগে  ওই বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন