রুয়েটে উদ্ভাবকদের নিয়ে অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনী
jugantor
রুয়েটে উদ্ভাবকদের নিয়ে অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনী

  রাবি প্রতিনিধি  

০৬ নভেম্বর ২০২২, ২১:১৯:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী

উদীয়মান উদ্ভাবকদের দিয়ে বাংলাদেশে একটি উদ্ভাবনী অঙ্গন তৈরির লক্ষ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ডকম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগেবৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনীতে আমেরিকান অলাভজনক সংস্থা‘সেন্টার ফর রোবটিক্স ইনোভেশন এন্ড ডেভলপমেন্ট-ইউএসএ (সিআরআইডি-ইউএসএ)’র অধীনে ক্যাম্বাই এবং রুয়েটের যৌথ আয়োজনে আইডিয়া থেকে প্রোডাক্ট বানানোর লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় ‘ক্যাম্বাই-রুয়েট টুকিট প্রতিযোগিতা-২০২২’।

প্রতিযোগিতায় রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ২৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৮টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়। চ্যাম্পিয়ন হয় ‘বাংলা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারপ্রিটার গ্লোভ।’

প্রতিযোগিতার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রুয়েটর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলরঅধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সেলিম হোসেন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল এবং সিআরআইডি-ইউএসএ’র সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মেহেদী শামস।

আলোচনা সভায় রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে উদ্ভাবনী বিষয়গুলো নিয়ে সবাই যদি এভাবে এগিয়ে আসে তাহলে খুবই চমৎকার একটি পরিবেশ তৈরি হবে। আমরাও স্বপ্ন দেখি উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গড়ার। আমরা সিআরআইডি-ইউএসএ ও ক্যাম্বাই’র সঙ্গে আরও কাজ করতে চাই এবং সারা বাংলাদেশে এই প্ল্যাটফর্মটাকে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা যেকোনো আইডিয়াকে প্রোডাক্টে পরিণত করার স্বপ্ন দেখি।

সিআরআইডি-ইউএসএ’র সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মেহেদী শামস বলেন, এটি আমার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান। আমি প্রায় পাঁচ বছর যাবত এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছি। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমি সারা বাংলাদেশের উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করে দিতে চাই।
আইসিটি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক আলতাফ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে এখন আইসিটি বিভাগ থেকে যথেষ্ট ফান্ডিং দেয়া হচ্ছে। আমরা পরবর্তী সময়ে এই ফান্ডিংগুলো দেয়ার চেষ্টা করব।

সভায় অন্যদের মধ্যে অনলাইনে সিআরআইডি ইউএসএ’র সহ-সভাপতি আখতার মাহমুদ, ইউসি ব্রাকলি বেলার্মাইন, হার্ভার্ড এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউএসএ’র বিচারকরা অনলাইনে যুক্ত হয়। এসময় রুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সিআরআইডি-ইউএসএ’র প্রকল্প প্রধান ডা. হোসাইন আল-আমিন বলেন, আমরা বাংলাদেশে সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানো যাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। এর বেশিরভাগই বাইরের দেশের। আমরা নিজের দেশে প্রোডাক্ট তৈরির জন্য এদেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে চাই। আমরা স্বপ্ন দেখি এদেশের উদ্ভাবকরাই বড় বড় প্রজেক্ট নামাবে এবং সেখান থেকেই ভালো ভালো প্রোডাক্ট আসবে।

তিনি বলেন, সিআরআইডি-ইউএসএ বাংলাদেশে ক্যাম্বাই হেলথ্ এবং ক্যাম্বাই ইনোভেশন নামে দুটি প্রজেক্ট চালাচ্ছে। যেখানে ক্যাম্বাই ইনোভেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে আমরা একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। যেখানে একজন উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, পরামর্শদাতা, বিনিয়গকারী এবং দাতা সবাই মিলে একটি ইকোসিস্টেমে থাকবে। এতে একটি আইডিয়াকে প্রোডাক্টে পরিণত করার জন্য সবার সহযোগীতা চলে আসবে।

রুয়েটে উদ্ভাবকদের নিয়ে অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনী

 রাবি প্রতিনিধি 
০৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে অতিথিরা। ছবি: যুগান্তর

উদীয়মান উদ্ভাবকদের দিয়ে বাংলাদেশে একটি উদ্ভাবনী অঙ্গন তৈরির লক্ষ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনীতে আমেরিকান অলাভজনক সংস্থা‘সেন্টার ফর রোবটিক্স ইনোভেশন এন্ড ডেভলপমেন্ট-ইউএসএ (সিআরআইডি-ইউএসএ)’র অধীনে ক্যাম্বাই এবং রুয়েটের যৌথ আয়োজনে আইডিয়া থেকে প্রোডাক্ট বানানোর লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় ‘ক্যাম্বাই-রুয়েট টুকিট প্রতিযোগিতা-২০২২’।

প্রতিযোগিতায় রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ২৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৮টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়। চ্যাম্পিয়ন হয় ‘বাংলা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারপ্রিটার গ্লোভ।’

প্রতিযোগিতার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রুয়েটর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সেলিম হোসেন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল এবং সিআরআইডি-ইউএসএ’র সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মেহেদী শামস।

আলোচনা সভায় রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে উদ্ভাবনী বিষয়গুলো নিয়ে সবাই যদি এভাবে এগিয়ে আসে তাহলে খুবই চমৎকার একটি পরিবেশ তৈরি হবে। আমরাও স্বপ্ন দেখি উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গড়ার। আমরা সিআরআইডি-ইউএসএ ও ক্যাম্বাই’র সঙ্গে আরও কাজ করতে চাই এবং সারা বাংলাদেশে এই প্ল্যাটফর্মটাকে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা যেকোনো আইডিয়াকে প্রোডাক্টে পরিণত করার স্বপ্ন দেখি।

সিআরআইডি-ইউএসএ’র সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মেহেদী শামস বলেন, এটি আমার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান। আমি প্রায় পাঁচ বছর যাবত এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছি। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমি সারা বাংলাদেশের উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করে দিতে চাই। 
আইসিটি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক আলতাফ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে এখন আইসিটি বিভাগ থেকে যথেষ্ট ফান্ডিং দেয়া হচ্ছে। আমরা পরবর্তী সময়ে এই ফান্ডিংগুলো দেয়ার চেষ্টা করব।

সভায় অন্যদের মধ্যে অনলাইনে সিআরআইডি ইউএসএ’র সহ-সভাপতি আখতার মাহমুদ, ইউসি ব্রাকলি  বেলার্মাইন, হার্ভার্ড এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউএসএ’র বিচারকরা অনলাইনে যুক্ত হয়। এসময় রুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সিআরআইডি-ইউএসএ’র প্রকল্প প্রধান ডা. হোসাইন আল-আমিন বলেন, আমরা বাংলাদেশে সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানো যাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। এর বেশিরভাগই বাইরের দেশের। আমরা নিজের দেশে প্রোডাক্ট তৈরির জন্য এদেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে চাই। আমরা স্বপ্ন দেখি এদেশের উদ্ভাবকরাই বড় বড় প্রজেক্ট নামাবে এবং সেখান থেকেই ভালো ভালো প্রোডাক্ট আসবে।

তিনি বলেন, সিআরআইডি-ইউএসএ বাংলাদেশে ক্যাম্বাই হেলথ্ এবং ক্যাম্বাই ইনোভেশন নামে দুটি প্রজেক্ট চালাচ্ছে। যেখানে ক্যাম্বাই ইনোভেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে আমরা একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। যেখানে একজন উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, পরামর্শদাতা, বিনিয়গকারী এবং দাতা সবাই মিলে একটি ইকোসিস্টেমে থাকবে। এতে একটি আইডিয়াকে প্রোডাক্টে পরিণত করার জন্য সবার সহযোগীতা চলে আসবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন