অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে যা ঘটতে পারে!

  অনলাইন ডেস্ক ১১ জুলাই ২০১৮, ১৬:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে যা ঘটতে পারে!
ছবি: ইন্টারনেট

মোবাইল ফোন ছাড়া এ যুগে চলার কথা ভাবাই যায় না। কিন্তু জানেন কি, অতিরিক্ত এই মোবাইল ব্যবহার থেকেই ছড়ায় নানা ভয়াল অসুখ, যা অতিষ্ঠ করে তুলতে পারে আপনার জীবন। খবর আনন্দবাজারের

ফোনের ব্যাক কভার কোন উপাদানের? কত দিন খুলে পরিষ্কার করেন? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় ঘোষের ভাষ্য, সস্তা প্লাস্টিক কভার থেকে অনেক সময়ই অ্যালার্জি ছড়াতে পারে। এছাড়া ব্যাক কভার খুলে নিয়মিত পরিষ্কার না করলে চামড়ায় নানা সংক্রমণও ঘটতে পারে। সুতরাং সাবধান হোন আজই।

সারা দিন মোবাইল ফোনে খুটখুট করা আঙুলের জন্য অনেক ক্ষতি। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ কল্লোল কুমার দের ভাষ্য, মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার আঙুলের স্নায়ুর ওপর চাপ ফেলে, পেশির ক্লান্তি ঘটায়। সারা দিন অনলাইন গেমস বা টেক্সটিংয়ে ব্যস্ত থাকলে একসময় আঙুল অবশ হয়ে যেতে পারে। এমনকি মাত্রাতিরিক্ত হলে অস্ত্রোপচারও করতে হতে পারে।

ঘন ঘন ফোনের স্ক্রিনে হাত দেন আর তারপর সেই হাতই চালান করে দেন মুখে? তাহলে আজই সচেতন হোন। এমনিতেই হাত না ধুয়ে খাবার খাওয়া অস্বাস্থ্যকর, তার ওপর যদি ফোনের স্ক্রিনে জমে থাকা ধুলো আর অসংখ্য জীবাণু সংক্রামিত হাত যদি মুখে দেন, তাহলে পেটের অসুখের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

সারাক্ষণ ফোনের দিকে তাকিয়ে দিন গেলে চোখের সর্বনাশ তো হবেই, সঙ্গে বাড়বে মাইগ্রেনের সমস্যাও। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুবর্ণ গোস্বামীর ভাষ্য, মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষকে সারাক্ষণ উত্তেজিত করে মোবাইলের ক্ষতিকারক রশ্মি। পেশির ক্লান্তির সঙ্গে যা সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের কাজকে ব্যাহত করে ও মাথাব্যথা প্রকোপ আকার ধারণ করে।

সেলফি তোলার সময়ে সঙ্গীদের সঙ্গে খুব ঘন হয়ে দাঁড়ান? তাহলে সাবধান! হতে পারে উকুন! সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী, উকুন হওয়ার প্রবণতা বাড়ে মোবাইল ফোন থেকেই! সেলফি তোলার সময় ঘেঁষে দাঁড়ানো, সঙ্গে মোবাইলের ফ্ল্যাশ দুটিই উত্তেজিত করে উকুনদের। এতে করে উকুন এক মাথা থেকে অন্য মাথায় ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায়।

দিনের অনেকটা সময় মোবাইল ফোনে পড়ে থাকলে অনিদ্রার প্রকোপে তো পড়বেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মোবাইলের উজ্জ্বল আলো আর রশ্মি মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। বিরাম পায় না সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম। ফলে স্নায়বিক উত্তেজনায় ঘুমের পরিমাণ কমে যায়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter