অনলাইনে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সংলাপ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৯:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

অনলাইনে শিশুর সুরক্ষা চায় পরিবারের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক), ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ) এবং মুক্তি অর্গানাইজেশন সম্মিলিতভাবে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক নাগরিক সংলাপের আয়োজন করে। কক্সবাজারের বিচওয়ে হোটেলে মঙ্গলবার এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। 

নাগরিক সংলাপে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্য, স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত উপ কমিশনার জেনারেল মোহাম্মাদ মাহিদুল রহমান।

নারী এবং শিশুর প্রতি সহিংসতার বিভিন্ন নজির এবং ভয়ংকর দিকগুলো তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে। অনলাইন এবং অফলাইন দুই জীবনেই শিশুরা বিভিন্ন হয়রানির শিকার হচ্ছে। এর জন্য মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যেই আয়োজিত হয় এই সংলাপ সম্মেলন। 

ক্রাফ মূলত শিশুদের সাইবার ক্রাইম, চাইল্ড বুলিং, চাইল্ড এবিউসমেন্ট এবং এমন পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে কথা বলে। ক্রাফের আইন উপদেষ্টা মাহফুজ উল কবির বলেন, যদি পরিবার সচেতন না হয় তাহলে একটি শিশু খুব সহজেই বাস্তব এবং সাইবার জীবনে সহিংসতার স্বীকার হতে পারে।

ক্রাফের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ল এর শিক্ষক সাইমুম রেজা পিয়াস ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে প্রযুক্তি সংক্রান্ত বাংলাদেশি আইনগুলোর সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। 

তিনি প্রস্তাবিত “ডিজিটাল সিকিউরিটি” আইনের খসড়া নিয়ে আলোকপাত করার সময় সরকারের প্রতি এই অনুরোধ রাখেন যেন আইনটি বিগ ডাটা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ডিজিটাল ফরেনসিক, সাইবার সিকিউরিটি, আন্তদেশীয়  সাইবারক্রাইম, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ইত্যাদি বিষয়ে সুনির্দিস্ট বিধি প্রণয়ন করে।

‎আসকের শিশু অধিকার ইউনিটের সমন্বয়ক আম্বিকা রয় বলেন, শিশুদের সহিংসতা বন্ধ করার জন্য আসক গত দেড় বছর যাবৎ মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং সামনে আরো বড় পরিসরে এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
 
ক্রাফের প্রেসিডেন্ট জেনিফার আলম এ বিষয়ে বলেন যে, ক্রাফ ২০১৮ সালে শিশু সহিংসতা প্রতিরোধে এবং সাইবার অ্যাওয়ারনেস প্রতিষ্ঠায় ৬৪ জেলায় ক্যাম্পেইনের আয়োজন করবে। ‎অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানে আগতদের এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা এবং মতামত নেওয়া হয়।