অনলাইনে খাবার পৌছে আয় করুন

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০১৮, ১৫:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

অনলাইন মানেই সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্য অনলাইনে অর্ডার করলে ঝামেলা ছাড়াই স্বল্প সময়ে চলে আসে হাতের নাগালে। 

তবে অনলাইনে খাবার অর্ডার করলে আরও দ্রুত মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যেই আপনার বাসায় পৌঁছে যাবে খাবার। কাজটি খুব চ্যালেঞ্জিংও বটে। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ফুডমার্ট।

গত ৪ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে খাবার অর্ডার নিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যেই। 

রাজধানী ঢাকার মধ্যে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রেস্টুরেস্ট যুক্ত রয়েছে ফুডমার্টের সঙ্গে। সহজেই ফুডমার্টের ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার করা যাবে পছন্দমতো খাবার।

অপরদিকে দিনের পর দিন দেশে জনপ্রিয়তা লাভ করছে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস। অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রী সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে রাইডার পাচ্ছেন অর্থ। 

এবার ফুডমার্টও সেই আঙ্গিকে নতুন সেবা দিতে চালু করলো এমনই একটি সার্ভিস। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খাবার অর্ডার করলে রেস্টুরেন্ট থেকে তা সংগ্রহ করে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দিলেই বিনিময়ে রাইডার তার পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।

ফুডমার্ট জানায়, কারও যদি মোটর সাইকেল অথবা সাইকেল থাকে এবং একটি স্মার্টফোন থাকে তাহলে সে ফুডমার্টে একজন ফ্রিল্যান্সার বা ফ্লেক্সিবল রাইডার হিসাবে কাজ করতে পারেন।

একজন রেজিস্টার্ড রাইডারের স্মার্টফোনে ফুডমার্টের অ্যাপ চালু থাকলে তার কাছে খাবার পৌঁছে দেয়ার রিকুয়েষ্ট আসতে পারে। 

তখন সে খাবারটা রেস্টুরেস্ট থেকে সংগ্রহ করে ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দিতে পারেন। বিনিময়ে রাইডার ভালো অর্থ পাবেন। 

ফ্রি সময় যে কেউই কাজটি করতে পারেন। তার জন্য তাকে অনেক দূরে যেতে হবে না। তার কর্মক্ষেত্র বা বসবাসের এরিয়াতেই সে এরিয়ায় খাবার পৌঁছে দিতে পারে।

এ বিষয়ে ফুডমার্টের হেড অব অপারেশন নাজমুল হাসান বলেন, একজন রাইডার তার সব ডেলিভারি এবং উপার্জনের টাকা মোবাইল অ্যাপে দেখতে পারবেন। 

একজন ছাত্র এবং একজন কর্মজীবী অবসর সময়ে ফুডমার্টের ফ্লেক্সিবল রাইডার হিসাবে কাজ করে প্রতি মাসের হাত খরচ তুলে নিতে পারেন সহজেই। 

ফুল টাইম কাজ করলে একজন রাইডার সাইকেল চালিয়ে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকাও উপার্জন করতে পারেন।

নাজমুল হাসান আরও জানান, কাজ শুরু করতে হলে অবশ্যই ফুডমার্টের রাইডার হিসাবে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। 

অ্যাকাউন্ট খুলতে সর্বপ্রথম দরকার হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়ে গেলে মোবাইল অ্যাপ অ্যাক্সেস করার পাসওয়ার্ড দেয়া হবে এবং কাজ শুরু করা যাবে।

এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে জানা যাবে এই ঠিকানায়