যুগান্তর ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
উন্নয়নের পরিবর্তে হিন্দুত্বের অংক
‘গড ইজ ব্যাক’ তত্ত্বে মোদি
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রচার কৌশল হিসেবে রামমন্দিরকে অগ্রাধিকারে রাখেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেসের নেহরুবাদী বহুত্ববাদের বিপরীতে এক পাল্টা তত্ত্ব তৈরি করেন তিনি। সাফল্যও পান। যুক্তরাষ্ট্রে কট্টরপন্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাফল্য এবং বিশ্বজুড়ে এই ধরনের শক্তির উত্থানের পর মোদির সামনে এখন এ বিশ্বাস আষ্টেপৃষ্ঠে ধরছে যে, গোটা দুনিয়ায় নতুন এ প্রবণতা এসেছে। যাকে বলা হচ্ছে ‘গড ইজ ব্যাক’ তত্ত্ব। উন্নয়নের পরিবর্তে ভারতে হিন্দুত্বের চাষের জন্য উর্বর জমি তৈরি করছেন তিনি। ২০১৪ সালের পর ২০১৯ সালেও এই রাজনৈতিক লাইনকে আরও এক ধাপ এগোতে চান মোদি।
বিজেপির সামনে এবার ছত্রিশগড়, গুজরাট, রাজস্থান, হিমাচল ও মধ্যপ্রদেশের নির্বাচন। সেখানে আঞ্চলিক দল নেই। কংগ্রেসের সঙ্গেই হবে লড়াই। বিজেপি নেতারা মনে করছেন, হিন্দুত্বের পাল্টা হিসেবে কংগ্রেসের পক্ষে শুধু সংখ্যালঘু ভোটের রাজনীতি করাটা কঠিন। এমনিতেই তাদের সংগঠন দুর্বল। তাই বিজেপির এই কৌশল কংগ্রেসকে আরও বেকায়দায় ফেলবে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর কল্যাণ সিংকে যেমন উগ্র হিন্দুত্বের মুখ হিসেবে সর্বত্র প্রচারে নামানো হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও তেমনই অন্য রাজ্যে প্রচারে নামানো হবে। দ্বিতীয় কৌশল হল, দলিত ও নিম্ন বর্গকে উচ্চবর্ণ হিন্দুর সঙ্গে মেলানো। তৃতীয় কৌশল হল, মুসলমান ভোটের বিভাজন। উত্তরপ্রদেশে শিয়া, সুন্নি ও নানা সম্প্র্রদায়ের মধ্যে বিভাজনকে হাতিয়ার করা।
ভারতের সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার রাজ্য উত্তরপ্রদেশে আদিত্যনাথের মতো কট্টর হিন্দুত্ববাদীকে ক্ষমতার আসনে বসিয়ে মোদি তার গড ইজ ব্যাক তত্ত্বকে আরও পাকাপোক্ত করলেন। ২১তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রোববার শপথ নিয়েছেন আদিত্যনাথ। কট্টর হিন্দু ভাবমূর্তির আদিত্যনাথকে বাছার পেছনে ‘হিন্দু হৃদয় সম্রাট’ মোদির স্পষ্ট অংক, ২০১৯ পর্যন্ত বিজেপি ধাপে ধাপে হিন্দুত্বের সুর চড়াবে।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত