হজম সমস্যায় ওজন বাড়ে, যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাত-দুপুরে খিদে পায়। যখন-তখন ফ্রিজে খুঁজে বেড়ান কিছু খাবার। যা থাকে তাই খেয়ে ফেলেন। এই ভুলের কারণে আপনার ওজন বেড়ে যায়। এর সহজ সমাধান আছে, ডিনার শেষে জোয়ানের পানি খেয়ে নেবেন। আপনার অহেতুক খিদে পাবে না।
জোয়ানের পানি—এটা আবার কী? এমন প্রশ্ন অনেকেই করে থাকে। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পানীয়, যা মূলত হজমশক্তি বাড়াতে, গ্যাস, পেটফাঁপা ও বদহজম কমাতে সহায়তা করে থাকে।
তবে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কমানো, সর্দি-কাশি উপশম এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে, যা এক চামচ জোয়ান সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে পান করার মাধ্যমে তৈরি করা যায়।
আর খিদেকে নিয়ন্ত্রণ করে জোয়ানের পানি। রাতে জোয়ানের পানি খেয়ে নিলে এরপরে আর ক্যালোরিতে ভরপুর খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হবে না। জোয়ানের পানি হজমে সহায়তা করে। একটু ভারি খাওয়াদাওয়া হয়ে গেলেই জোয়ান চিবিয়ে খান। গ্যাস-অম্বল মনে হলেই জোয়ানের পানিতে চুমুক দিন। হজমের সমস্যা এক নিমেষে দূর করে দেয় এই ভেষজ উপাদান।
আর হ্যাঁ, জোয়ানের পানি খেয়ে ওজনও কমতে পারে, তা কি জানেন? আজকাল ডিটক্স ওয়াটার খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। যুগ যুগ ধরে জোয়ান এবং জোয়ান ভেজানো পানি খাওয়া চল রয়েছে। আর এ পানীয়ই যদি খান তাহলে ওজন হাতের মুঠোয় থাকবে। এর পাশাপাশি গ্যাস-অম্বলও এড়াতে পারবেন।
ভারি খাওয়াদাওয়ার পর জোয়ান খেলে বদহজমের ঝুঁকি সহজেই এড়ানো যায়। আর হজমে সমস্যা না থাকলে ওজন বেড়ে যাওয়ারও ভয় থাকে না। জোয়ানের পানি পেটের অস্বস্তি, বদহজম এবং পেটফাঁপার সমস্যা দূর করে দেয়। রানের খাবারের পর জোয়ানের পানি খেলে ভালো উপকার পাবেন। কারণ জোয়ানের মধ্যে থাকা থাইমল যৌগ বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে।
বিপাক হার ভালো থাকলে, মেদ ঝরানো সহজ হয়। তা ছাড়া এ পানীয় শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের করে দেয়। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ জোয়ান ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। একটু ঠান্ডা হলে পান করুন। প্রতিদিন ডিনার শেষে এই পানীয় খেতে পারেন। তবে রাতারাতি ওজন কমাবে না জোয়ানের পানি। এর সঙ্গে হেলদি লাইফস্টাইলও মেনে চলতে হবে।

-69650f1e40e9c.jpg)