অরক্ষিত শহীদ রফিকের বাড়ি

  মিজানুর রহমান বাদল, সিংগাইর ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহীদ রফিক উদ্দীন আহম্মেদ। ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নিভৃত পল্লী পারিল গ্রামে (বর্তমান রফিক নগর) বাবা আবদুল লতিফ ও মা রাফিজা বেগমের ঘর আলো করে জন্ম গ্রহণ করেন বাঙালি ইতিহাসের এ প্রাণপুরুষ। ১৯৫২ থেকে ২০১৮ পেরিয়ে গেছে ভাষা আন্দোলনের ৬৬ বছর। এতদিনে এই শহীদের স্মরণে একটি স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত শহীদ রফিকের বাড়িটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ২১ ফেব্রুয়ারি এলে জাদুঘর চত্বরে হাজারো মানুষের ঢল নামলেও রফিকের ভেতর বাড়ির খবর নেয় না কেউ।

জানা যায়, ২০০৬ সালে পারিল গ্রামের নাম পরিবর্তন করে ভাষা সৈনিকের নামে রফিকনগর নামকরণ করে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নেয়া হয়। শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন ঘটবে এমন আশা করা হলেও বর্তমান বাস্তবতায় হতাশ এলাকাবাসী। এখনও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি স্মৃতি জাদুঘরে। ভাষা শহীদদের কোনো স্মৃতিচিহ্ন না থাকায় জাদুঘরটি দালানসর্বস্ব হয়ে পড়েছে। সেখানে রফিকের একটি ছবি ও কিছু বই ছাড়া আর কোনো কিছুই নেই। এছাড়া স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও শহীদ রফিকের বাড়িটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়নি কোনো সরকার। প্রাচীরবিহীন অরক্ষিত বাড়ির যে ঘরে রফিকের জন্ম সে ঘরটি এখন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সে ঘরে এখন জ্বালানি কাঠ রাখা হয়। শহীদ রফিকের ছোট ভাবী গুলেনূর বেগম ও তার ছেলে শাহজালাল বাবু ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরা থাকেন জেলা শহর মানিকগঞ্জ ও ঢাকায়। শুধু রফিকের স্মৃতি রক্ষা করতে তারা দু’জন এ বাড়িতে আছেন। গুলেনূর বেগম বলেন, এ বাড়িতে ভালো ঘর-দরজা না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে কবি সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা এসে বিপাকে পড়েন। সরকারি কোনো সাহায্য-সহযোগিতা আমরা এখনও পাইনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter