কেমন চলছে বিটিভির টেলিভিশন মিউজিয়াম

  সোহেল আহসান ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

টেলিভিশন মিউজিয়াম
টেলিভিশন মিউজিয়াম

অর্ধশতকেরও বেশি সময়ের পথচলায় অর্জিত স্মৃতিস্মারকগুলো এক ছাদের নিচে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ টেলিভিশন।

সেই প্রয়াসেই বাংলা ভাষার সর্বপ্রথম এ টিভি চ্যানেলের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সংগ্রহশালা ‘টেলিভিশন মিউজিয়াম’।

২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সম্প্রতি যুগান্তরকে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) সুরথ কুমার সরকার।

কাজটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন বিটিভির এ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের যত অনুষ্ঠান, ছবি, স্মৃতি আছে এসবই এখানে ঠাঁই পেয়েছে। পাশাপাশি অনেক যন্ত্রপাতিও এখানে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও বেশ কিছু জিনিস এখানে নিয়ে আসা হবে। এ জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। শিগগিরই মিউজিয়ামটি সমৃদ্ধ করার কাজ শুরু হবে।

বিটিভি ছাড়াও অন্য টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ে যদি কেউ মিউজিয়ামে স্মৃতি রাখতে চান, তাহলে সেটাও গ্রহণ করা হবে। এছাড়া টেলিভিশনের কাজ নিয়ে যারা গবেষণা করছেন, তাদের জন্যও এটি উন্মুক্ত আছে। আমরা সবাই মিলে এটিকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

এ প্রসঙ্গে বিটিভির মহাপরিচালক হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘আজ আমাদের দেশে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের যে বিস্তৃতি ও বিকাশ, তার সূচনা হয়েছিল ১৯৬৪ সালে বিটিভির মাধ্যমে। চ্যানেলটির এ দীর্ঘ পথচলায় যে নিদর্শন আছে, সেগুলো আমাদের টেলিভিশন গণমাধ্যমের বিকাশের দলিল।’

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিটিভিতে সঙ্গীতানুষ্ঠান, নাটক, আলেখ্যানুষ্ঠান, যাত্রা, ম্যাগাজিনসহ স্মরণীয় যেসব অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে, সেগুলোই এ সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত আছে।

বিটিভির মহাপরিচালকের দফতরের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে প্রাথমিকভাবে এ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিটিভির প্রশাসন শাখা থেকে এটির দেখভাল করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এটিকে সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দর্শনার্থীরা দর্শনী ছাড়াই সরকারি বন্ধ ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা এবং দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত টেলিভিশন মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রায় প্রতিদিনই প্রচুর দর্শনার্থী ভিড় করছেন এ মিউজিয়ামটি দেখার জন্য। মিরপুর থেকে রোববার মিউজিয়ামটি দেখতে আসেন মোহাম্মদ মাহবুবে সোবহানী নামে এক দর্শনার্থী।

তিনি বলেন, ‘বিটিভির এ উদ্যোগটি আমার ভালো লেগেছে। কারণ, এখানে দুষ্প্রাপ্য অনেক কিছুই সংরক্ষিত আছে। টেলিভিশনের স্বর্ণালি যুগের পুরনো ক্যামেরা, ছবিসহ আরও কিছু দেখে ভালো লাগল। আরও কিছু বিষয় যদি সংযোজন করা যায় তাহলে দর্শনার্থীর সংখ্যাও বাড়বে। সেই সঙ্গে টেলিভিশন নিয়ে গবেষণা করছেন কিংবা কাজ করছেন তাদের উপকারে আসবে এ মিউজিয়ামটি।’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×