টিভি মাধ্যমে কর্মরতদের সুখ-দুঃখের কথা বলতেই বাঙ্গি টিভি নির্মাণ করেছি
jugantor
টিভি মাধ্যমে কর্মরতদের সুখ-দুঃখের কথা বলতেই বাঙ্গি টিভি নির্মাণ করেছি

  হাসান সাইদুল  

২৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টিভি মাধ্যমে কর্মরতদের সুখ-দুঃখের কথা বলতেই বাঙ্গি টিভি নির্মাণ করেছি

জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা কচি খন্দকার। বর্তমানে অভিনয় কম করলেও নিয়মিত নাটক পরিচালনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ মুহূর্তে তার পরিচালনায় ‘বাঙ্গি টিভি’ নামে একটি ধারাবাহিক নাটক প্রচার চলছে। এ নাটক, বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* যুগান্তর: প্রচারচলতি ‘বাঙ্গি টিভি’ নাটকে দর্শকদের আগ্রহ কেমন?

** কচি খন্দকার: ‘বাঙ্গি টিভি’ দু’সপ্তাহ হল নাগরিক টিভিতে প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যেই এ নাটকের প্রতি দর্শকদের খুব আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। ভিন্ন একটি গল্পের নাটক এটি। সিরিয়াস এবং কমেডি মিলিয়ে দর্শকদের ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি সামনের পর্বগুলো দর্শকদের আরও ভালো লাগবে।

* যুগান্তর: নাটকের নাম ‘বাঙ্গি টিভি’ কেন রাখলেন?

**কচি খন্দকার: বাঙ্গির সঙ্গে ব্যঙ্গ শব্দটির মিল আছে সে জন্যই নাটকের নাম ‘বাঙ্গি টিভি’ দেয়া। আমি চেয়েছি টেলিভিশনে যারা কাজ করেন তাদের সুখ-দুঃখ ব্যঙ্গ চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের দেখাতে। তবে নির্দিষ্ট কোনো টেলিভিশন বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বুঝানোর জন্য কিন্তু বাঙ্গি টিভি নয়।

* যুগান্তর: ‘বাঙ্গি টিভি’ দর্শক কেন দেখবেন?

** কচি খন্দকার: দেখেন আমি এর আগেও ‘এফডিসি’, ‘সিনেমা’সহ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটক বানিয়েছি। এ নাটকগুলো দর্শক দেখেছেন। কারণ সেখানে দেখার মতো কিছু এলিমেন্ট ছিল। ‘বাঙ্গি টিভি’ ধারাবাহিকটি বানানোর জন্য অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা করছি টেলিভিশনের মানুষগুলোর জীবন সম্পর্কে দর্শকদের জানাব বলে। পর্দায় খবর বা অনুষ্ঠান দেখে আমরা আনন্দিত হই। কিন্তু একটি সংবাদ বা অনুষ্ঠান প্রচারের আগে কত কষ্ট করতে হয়, সে বিষয়গুলোই ব্যঙ্গ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব ‘বাঙ্গি টিভি’র মাধ্যমে। দর্শক মূলত বিনোদনের জন্যই বাঙ্গি টিভি দেখবেন। আমার বিশ্বাস তারা বিনোদিত হবেনই।

* যুগান্তর: কোনো নাটক তৈরির আগে কী ধরনের পরিকল্পনা থাকে আপনার?

** কচি খন্দকার: আমার সব সময়ই চেষ্টা থাকে গতানুগতিক ধারার বাইরে কিছু করার। এর আগে ‘ক্যারাম’, ‘খসরু প্লাস ময়না’, ‘সিনেমা’ নাটকের গল্পের কথা আমি এখনও মানুষের মুখ থেকে শুনতে পাই। পরবর্তীতে নির্মাণ করলাম ‘লিটল মেঘ’, ‘মেউ’, এফডিসি, ‘নো কোশ্চেন নো আনসার’। এগুলো আসলে জীবনের গল্প। আমি মনে করি দর্শকদের যদি তাদেরই জীবনের গল্প দেখাতে পারি তবে নাটকটি জনপ্রিয় হবেই। দর্শকদের ফাঁকি দেয়ার কোনো উপায় নেই। তারা এখন গতানুগতিক গল্পের নাটক দেখতে চান না।

* যুগান্তর: অভিনয়ে আগের মতো দেখা যায় না কেন?

** কচি খন্দকার: এখন নাটক পরিচালনায় ব্যস্ত রয়েছি। অভিনয়ের চেয়ে নির্মাণ কাজটি উপভোগ করছি। একটি নাটকে একটি চরিত্রেই অভিনয় করতাম। কিন্তু পরিচালনা করার সময় নাটকের সবগুলো চরিত্রই নিজের ভেতর লালন করতে হচ্ছে। বর্তমানে পর্দার সামনের চেয়ে পেছনে থেকে কাজ করতে ভালো লাগছে।

টিভি মাধ্যমে কর্মরতদের সুখ-দুঃখের কথা বলতেই বাঙ্গি টিভি নির্মাণ করেছি

 হাসান সাইদুল 
২৪ মার্চ ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
টিভি মাধ্যমে কর্মরতদের সুখ-দুঃখের কথা বলতেই বাঙ্গি টিভি নির্মাণ করেছি
জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা কচি খন্দকার

জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা কচি খন্দকার। বর্তমানে অভিনয় কম করলেও নিয়মিত নাটক পরিচালনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ মুহূর্তে তার পরিচালনায় ‘বাঙ্গি টিভি’ নামে একটি ধারাবাহিক নাটক প্রচার চলছে। এ নাটক, বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* যুগান্তর: প্রচারচলতি ‘বাঙ্গি টিভি’ নাটকে দর্শকদের আগ্রহ কেমন?

** কচি খন্দকার: ‘বাঙ্গি টিভি’ দু’সপ্তাহ হল নাগরিক টিভিতে প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যেই এ নাটকের প্রতি দর্শকদের খুব আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। ভিন্ন একটি গল্পের নাটক এটি। সিরিয়াস এবং কমেডি মিলিয়ে দর্শকদের ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি সামনের পর্বগুলো দর্শকদের আরও ভালো লাগবে।

* যুগান্তর: নাটকের নাম ‘বাঙ্গি টিভি’ কেন রাখলেন?

**কচি খন্দকার:  বাঙ্গির সঙ্গে ব্যঙ্গ শব্দটির মিল আছে সে জন্যই নাটকের নাম ‘বাঙ্গি টিভি’ দেয়া। আমি চেয়েছি টেলিভিশনে যারা কাজ করেন তাদের সুখ-দুঃখ ব্যঙ্গ চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের দেখাতে। তবে নির্দিষ্ট কোনো টেলিভিশন বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বুঝানোর জন্য কিন্তু বাঙ্গি টিভি নয়।

* যুগান্তর: ‘বাঙ্গি টিভি’ দর্শক কেন দেখবেন?

** কচি খন্দকার: দেখেন আমি এর আগেও ‘এফডিসি’, ‘সিনেমা’সহ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটক বানিয়েছি। এ নাটকগুলো দর্শক দেখেছেন। কারণ সেখানে দেখার মতো কিছু এলিমেন্ট ছিল। ‘বাঙ্গি টিভি’ ধারাবাহিকটি বানানোর জন্য অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা করছি টেলিভিশনের মানুষগুলোর জীবন সম্পর্কে দর্শকদের জানাব বলে। পর্দায় খবর বা অনুষ্ঠান দেখে আমরা আনন্দিত হই। কিন্তু একটি সংবাদ বা অনুষ্ঠান প্রচারের আগে কত কষ্ট করতে হয়, সে বিষয়গুলোই ব্যঙ্গ করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব ‘বাঙ্গি টিভি’র মাধ্যমে। দর্শক মূলত বিনোদনের জন্যই বাঙ্গি টিভি দেখবেন। আমার বিশ্বাস তারা বিনোদিত হবেনই।

* যুগান্তর: কোনো নাটক তৈরির আগে কী ধরনের পরিকল্পনা থাকে আপনার?

** কচি খন্দকার: আমার সব সময়ই চেষ্টা থাকে গতানুগতিক ধারার বাইরে কিছু করার। এর আগে ‘ক্যারাম’, ‘খসরু প্লাস ময়না’, ‘সিনেমা’ নাটকের গল্পের কথা আমি এখনও মানুষের মুখ থেকে শুনতে পাই। পরবর্তীতে নির্মাণ করলাম ‘লিটল মেঘ’, ‘মেউ’, এফডিসি, ‘নো কোশ্চেন নো আনসার’। এগুলো আসলে জীবনের গল্প। আমি মনে করি দর্শকদের যদি তাদেরই জীবনের গল্প দেখাতে পারি তবে নাটকটি জনপ্রিয় হবেই। দর্শকদের ফাঁকি দেয়ার কোনো উপায় নেই। তারা এখন গতানুগতিক গল্পের নাটক দেখতে চান না।

* যুগান্তর: অভিনয়ে আগের মতো দেখা যায় না কেন?

** কচি খন্দকার: এখন নাটক পরিচালনায় ব্যস্ত রয়েছি। অভিনয়ের চেয়ে নির্মাণ কাজটি উপভোগ করছি। একটি নাটকে একটি চরিত্রেই অভিনয় করতাম। কিন্তু পরিচালনা করার সময় নাটকের সবগুলো চরিত্রই নিজের ভেতর লালন করতে হচ্ছে। বর্তমানে পর্দার সামনের চেয়ে পেছনে থেকে কাজ করতে ভালো লাগছে।