ক্ষমতাধরদের মধ্যে আরও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি

  অনিন্দ্য মামুন ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইলিয়াস কাঞ্চন
চলচিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন

ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। তবে অভিনয়ে এখন খুব একটা নেই তিনি। চাকরি আর সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়েই ব্যস্ততা তার। নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের জন্য এবার একুশে পদক পাচ্ছেন এ অভিনেতা। সামাজিক কাজ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়েই আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি-

যুগান্তর: নিরাপদ সড়কের দাবি নিয়ে কথা বলছেন। এ কাজের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন । বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

ইলিয়াস কাঞ্চন: প্রথমেই মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একইসঙ্গে আমার সঙ্গে থাকা ‘নিসচা’র সব কর্মী ও যারা এ কাজে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ। ৮ ফেব্রুয়ারি কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খুব ভালো লাগছে। রাষ্ট্রের কাছে আমি কৃতজ্ঞ আমার কর্মকে মূল্যায়ন করায়। এ প্রাপ্তি আমৃত্যু নিরাপদ সড়কের দাবিতে এবং দেশের জন্য কাজ করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

যুগান্তর: একই ঘোষণায় জনপ্রিয় অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদীকেও মরণোত্তর একুশে পদক দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

ইলিয়াস কাঞ্চন: ফরিদী ভাইয়ের মতো অভিনেতা কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে বারবার জন্মায় না। তার রাষ্ট্রীয় এমন একটি সম্মানের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই সবার প্রত্যাশা ছিল। অবশেষে মৃত্যুর পর হলেও তাকে এ সম্মান জানানো হচ্ছে। গুণীরা সম্মান পাবেই। এটিই প্রকৃতির নিয়ম। পৃৃৃথিবী থেকে চলে গেলেও তাদের কাজ তাদের সম্মানীত করবে।

যুগান্তর: দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করছেন। আন্দোলন কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে?

ইলিয়াস কাঞ্চন: প্রথমে আমি একাই কিন্তু এটা শুরু করেছি। এখন পুরো দেশের লোকই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক পরিবর্তন ও উন্নতি হয়েছে। চালক-মালিকদের মধ্যেও সচেতনতা বেড়েছে। এখন মালিকরা চালকদের বিদেশে প্রশিক্ষণে পাঠাচ্ছেন। আমাদের কাছে পাঠাচ্ছেন মানসিক প্রশিক্ষণের জন্য। সাধারণ মানুষও অনেক সচেতন হয়েছেন। রাজধানীর রাস্তার দিকে তাকালে দেখা যায়, এখন তো শতভাগ মোটরসাইকেল চালক হেলমেট পরেন। মৃত্যু ও দুর্ঘটনা ১০ বছরে প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে। আগে মালিক-চালকরা সড়কের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জানতেন না। তবে ক্ষমতাধরদের মধ্যে আরও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

যুগান্তর: সড়ক নিরাপদ করতে কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া উচিত বলে মনে করেন আপনি?

ইলিয়াস কাঞ্চন: সড়ককে নিরাপদ করতে অনেক বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কঠোর আইন যেমন দরকার তেমনি এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় চালকরাই কেবল দায়ী নন। সচেতন হতে হবে সবাইকে। ওভারটেক, ওভারস্পিড যেমন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, তেমনি ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দরকার চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ। মোটিভেশন জরুরি।

যুগান্তর: অভিনয় নিয়ে এখন ব্যস্ততা কেমন?

ইলিয়াস কাঞ্চন: এখন তো আর আগের মতো অভিনয় করছি না। নানা কাজ নিয়েই ব্যস্ততায় সময় যাচ্ছে। এর ফাঁকেও গ্রহণযোগ্য কোনো চরিত্রের প্রস্তাব এলে এবং সময় করতে পারলে অভিনয় করি। কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি নাটকেও অভিনয় করেছি। সবমিলিয়ে এটাকে শোবিজে ব্যস্ততা বলা যায় না।

আরও পড়ুন
pran
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter