রোজার স্মৃতি

  যুগান্তর ডেস্ক    ২১ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ছোটবেলার রোজার স্মৃতিগুলো অনেক মধুর। আসলে আমি ছোটবেলায় রোজা-নামাজ নিয়ে খুব ছেলেমানুষি করতাম। আমার বয়স যখন পাঁচ বছর, তখন থেকে রোজা রাখতে চাইতাম। না হলে অভিমান করতাম বাসার সবার সঙ্গে। ব্যাপারটা এমন ছিল যেন আমি রোজা রাখতে না পারলে কিছু একটা মিস হবে! আমার কষ্ট হবে ভেবে আব্বু-আম্মুসহ বড় আপুরা রোজা রাখতে তখন নিষেধ করলে আমি ভাবতাম কেউ আমাকে ভালোবাসে না। তাই কেউ আমার ভালো চাচ্ছে না- এমন পাগলামি করতাম। আসলে তখন তো ছোট ছিলাম, তেমন কিছুই বুঝতাম না। রোজা রাখার জন্য সেহরি খাব বলে উঠে যেতাম সবার সঙ্গে। খুবই কষ্ট হতো ঘুম থেকে উঠতে, কিন্তু চেষ্টা করতাম। একদিন প্রথম যখন সেহরি খেলাম তখন আব্বু-আম্মু মজা করে বলেছিলেন, আচ্ছা সেহরির সময় খাচ্ছ খাও কিন্তু সকাল দুপুর আর বিকালে না খেলে ছোটদের রোজা হবে না, আর এভাবে দিনে তিনবার খেলে একসঙ্গে তোমার তিনটা রোজা হবে। যেই কথা সেই কাজ। সেহরিতে খেতাম আর দিনে আমি পারলে তখন আরও বেশি খেতাম, ভাবতাম বেশি খেলেই বেশি রোজা হবে। কিন্তু বাসার সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। এভাবে কয়েকদিন চলল। একদিন উঠে দেখি সকাল, তার মানে কেউ আমাকে সেহরিতে ডাকেনি, সেদিন আমার কান্না কে দেখে। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ওই দিন সবার ওপর রাগ করে না খেয়ে ছিলাম- যেটার মাধ্যমেই আসলে আমার পরে রোজা রাখা শুরু। ওই দিনই বাসার সবাই বুঝতে পেরেছিল রোজা রাখার জন্য আমি সত্যি সিরিয়াস ছিলাম। তাই পরে কেউ আর ছোট বলে রোজা রাখতে বাধা দেননি। এরপর নিয়ম মেনে নিয়ত করেই রোজা রাখা শুরু। এখন রোজা এলেই ওসব স্মৃতি মনে পড়ে। যতই শুটিংয়ের কাজে রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট হোক না কেন রোজা রাখতে চেষ্টা করি।

শবনম বুবলী, চিত্রনায়িকা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×