হ্যালো...

করোনার আক্রমণ মানবসভ্যতার ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুর জবাব

  অরণ্য শোয়েব ২৫ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমিন খান।

নব্বইয়ের দশকে রোমান্টিক নায়ক হিসেবে বেশ সফল ছিলেন আমিন খান। সিনেমায় এখনও চলছে তার অভিযান। তবে কিছুটা অনিয়মিত।

চাকরি করছেন, সেটির ফাঁকে সময় করে অভিনয়টিও চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* যুগান্তর: বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

** আমি তো বর্তমানে ওয়ালটন কোম্পানির ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত আছি। দেশ এবং দেশের বাইরের কাজ নিয়েই ব্যস্ততা আমার। এছাড়া টুকিটাকি নিজস্ব কাজ নিয়েও কর্মদিন চলছে। ‘সাহসী যোদ্ধা’ নামের একটি ছবিতেও অভিনয় করছি।

* যুগান্তর: সিনেমায় কম দেখা যায়, কারণ কী?

** সিনেমা তো এখন তৈরিও হচ্ছে কম। সিনেমা কম দেখেই শিল্পীদেরও কাজ কম। সিনেমা নির্মাণ যখন আবার বাড়বে, গল্পে আমাদের প্রয়োজন পড়বে তখন ঠিক আবারও কাজ করব।

* যুগান্তর: নাটক কিংবা টেলিফিল্মেও অভিনয় করতেন। এখন তো এ মাধ্যমেও দেখা যায় না...

** অফিসের কাজে একটু বেশিই ব্যস্ত থাকতে হয়। আমার মতে, যখন যে কাজ করি সেটিতেই মনোযোগ দেয়া উচিত। আসলে আমি সব কাজের স্বাদ নিতে চাই, যে কাজটি আমি এখন করছি সেটিও উপভোগ করছি। তবে আবারও দর্শক আমাকে দেখবেন- এটি সত্যি।

* যুগান্তর: অভিনয়ের জায়গাটি মিস করছেন না?

** সিনেমা থেকেই আমার সৃষ্টি। সবাই আমাকে সিনেমা থেকেই চেনেন। আমিন খান হয়েছি সিনেমা থেকে, মিস তো অবশ্যই করি।

* যুগান্তর: বর্তমান সিনেমার অবস্থা নিয়ে কী বলবেন?

** অনেকের অনেক অভিমত থাকতে পারে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব, সিনেমার পরিস্থিতি এখন খুব একটা উজ্জ্বল নয়। কম সিনেমা দিয়ে কিছুই হবে না। একটু সময় লাগবে সব কিছু বদলাতে। যারা সিনেমা বানাচ্ছেন তাদের নিয়মিত করে যেতে হবে।

* যুগান্তর: করোনাভাইরাসের প্রভাব এখন কর্পোরেট থেকে মিডিয়াতেও- বিষয়টি কেমন দেখছেন?

** করোনার প্রভাব এখন সারা বিশ্বে- শুধু কর্পোরেট আর মিডিয়াতে নয়। আমার কাছে মনে হয়, এটি প্রকৃতির নিষ্ঠুর জবাব মানবসভ্যতার ওপরে। বিজ্ঞান সবকিছু জয় করতে পারে না- সেটি প্রকৃতি দেখিয়ে দিল। তবে আমি বিশ্বাস করি, এ দুর্যোগ থেকে সৃষ্টিকর্তা আমাদের মুক্তি করবে।

* যুগান্তর: অভিনেতা-অভিনেত্রীরা পরিচালনা বা প্রযোজনা করেছেন। আপনার সে ধরনের কোনো ইচ্ছা আছে?

** মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা জাগত পরিচালনা করার। কিন্তু যখন বাঘা নির্মাতাদের দেখি তখন আর ইচ্ছা হয় না। তখন মনে হয়, আমি কিছুই এখনও শিখিনি। তাই আবারও ফিরে আসি অভিনয়ে। এটিই তো প্রফেশন।

* যুগান্তর: ভেজাল খাদ্য নিয়ে একটি কর্মসূচি পরিচালনা করতেন। কী খবর সেটির?

** আমাদের সংগঠনের নাম ‘আমরা ভেজালমুক্ত খাবার চাই’। আমাদের টার্গেট ‘ভেজালমুক্ত খাদ্যের দেশ, হবেই মোদের বাংলাদেশ’। এটির মূল কাজ হচ্ছে জনগণকে সচেতন করা। যেন ভেজাল খাদ্য অন্যকে না দেই এবং গ্রহণ না করি। এ সচেতনতা যদি বৃদ্ধি করা যায় তাহলে দশ বছর পর ভেজাল কোনো খাদ্যদ্রব্য আর থাকবে না বলেই আমি বিশ্বাস করি। পাশাপাশি এটি নিয়ে আমরা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি লেখালেখির আয়োজন করি যেখানে প্রতিযোগিতা হয় তাহলে তারাও শিখতে পারবে। এসব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। গত জানুয়ারিতেও একটি প্রোগ্রাম করেছি। এখন বন্ধ আছে। কারণ করোনার সতর্কতার কারণে এখন সব ধরনের সভা-সমাবেশ বন্ধ।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত