হ্যালো...

কষ্ট হলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়া যাবে না

  আখন্দ জাহিদ ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অভিনেত্রী হিসেবেই পরিচিত অরুণা বিশ্বাস। তবে পরিচালনায়ও দেখা যায় তাকে। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আপাতত ঘরবন্দি হয়ে আছেন।

এ দুঃসময়ে শিল্পীদের জন্য কী করা যায় কিংবা বিপদের সময়ে সংশ্লিষ্টদের কীভাবে এগিয়ে আসা উচিত তার দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন। এসব বিষয় নিয়েই আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* যুগান্তর: করোনাভাইরাসের কারণে কাজ বন্ধ। অবসর সময় কীভাবে কাটছে?

** অরুণা বিশ্বাস: এখন পুরো সময় বাসাতে একাই কাটছে। তাই সময়টাকে পুরোপুরি ভাগ করে নিয়েছি। কানাডায় পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলার পাশাপাশি রান্না করা, বই পড়া, টিভি দেখা আর ফেসবুকিং করার মধ্য দিয়ে সময় কাটছে। পাশাপাশি নিয়ম করে সন্ধ্যার পর প্রতিদিন ছাদে হাঁটাহাঁটি করি এবং প্রতিদিনই নিয়ম মেনে পোশাক থেকে শুরু করে নিত্য হাত দিয়ে স্পর্শ করা ঘরের সব জিনিসই জীবাণু প্রতিষেধক দিয়ে পরিষ্কার করছি।

* যুগান্তর: এ অবস্থায় জনসচেতনতায় শিল্পীদের কী করণীয়?

** অরুণা বিশ্বাস: অন্যদের মতো একজন শিল্পীও কিন্তু মানুষ। দেশের নাগরিক হিসেবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সবার চলাফেরা করা উচিত। সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেটি আমাদের ভালোর জন্যই। তাই সরকার যা বলছে, সেটাই আমরা মানব। তবে একজন শিল্পী হিসেবে নিজের জায়গা থেকে বলতে চাই, দেশের জন্য, মানুষের জন্য এমনকি নিজের জন্য হলেও আপনারা ঘরে থাকুন। ইচ্ছে করে ঘুরতে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া, মহল্লা বা পাড়ার দোকানে বসে চা খাওয়া, এসব কোনো কিছুই এখন করা যাবে না। যত প্রিয় মানুষ হোক কোথাও যাওয়া যাবে না। এ সময় কষ্ট হলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়া যাবে না। অন্তত নিজের ভালোর জন্য হলেও রাষ্ট্রীয় হুকুম মেনে চলতে হবে।

* যুগান্তর: অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?

** অরুণা বিশ্বাস: এখন তো সব শিল্পীরই কাজ বন্ধ। দেখা গেছে এমন শিল্পী আছেন যাদের আরও অনেক আগ থেকেই কাজ নেই। আমিও কিন্তু চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকদিন ধরে কাজ করছি না; কিন্তু বর্তমানে যারা অসচ্ছল শিল্পী রয়েছেন তাদের শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে সাহায্য করা হচ্ছে। তাছাড়া আমাদের যারা বিত্তবান শিল্পী আছেন তারাও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা করছেন। এখন যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে; কিন্তু আমার মনে হয় শুধু এ অবস্থায় নয়, সব ক্ষেত্রে শিল্পীদের জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।

* যুগান্তর: ব্যক্তিগতভাবে আপনি কি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন?

** অরুণা বিশ্বাস: আমরা শিল্পীরা অনেক মানবিক। সেই দিক থেকে সবাই সাধ্য অনুযায়ী কাজ করছে এবং করে যাবে। হয়তো অনেক বড় করে কাজ করতে না পারলেও ছোট করে হলেও সবসময় কাজ করতে চাই। আমিও কাজ করেছি এবং আরও করতে চাই।

* যুগান্তর: করোনা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কী করবেন?

** অরুণা বিশ্বাস: এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে কী করব জানি না, তবে আমার মনে হয় এ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হবে। তাই সবাইকে রয়ে-সয়ে থাকা উচিত। দুই মাস পর কী হবে আমরা কেউই জানি না। আদৌ কাজ করতে পারব কিনা কেউ বলতে পারছি না। তাই এখন সাবধান আর সচেতন থাকা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত