হ্যালো...

আমি আপাতত শুটিং করতে ইচ্ছুক নই

  আনন্দনগর প্রতিবেদক ১৭ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অভিনেতা শহীদ আলমগীর

টিভি নাটকের পরিশ্রমী অভিনেতা শহীদ আলমগীর। করোনাভাইরাসের প্রভাবের কারণে অন্য সবার মতো তিনিও ঘরবন্দি। আজ থেকে শুটিংয়ের অনুমতি দেয়া হলেও তিনি আপাতত শুটিং থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এসব প্রসঙ্গ ও গৃহবন্দি জীবন নিয়েই আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* কবে থেকে গৃহবন্দি আছেন?

** সরকার যেদিন লকডাউন ঘোষণা করেছেন সেদিন থেকেই আমি বাসায় আছি। পরিবার নিয়েই সময় কাটছে। বিশেষ করে আমার ছেলে আদভীকের সঙ্গেই বেশি সময় পার করছি।

* আপনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন ‘বেশি সংকটে পড়লে আমাকে কল দিন’। এ পর্যন্ত কতজনকে আপনি সহায়তা করেছেন?

** দেখুন আমি কিন্তু বলেছি কাছের মানুষের জন্য প্রযোজ্য। আমার কাছের মানুষরা যে এত বেশি সংকটে আছে ভাবতেও পারিনি। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।

* অনেক তারকাশিল্পী তো সেভাবে সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

** দেখুন, এটা মানবিক বিষয়। কে এলো আর কে এলো না এটা বড় কথা নয়। আমি নিজে কী করলাম এটাই বিষয়। এ সময়ে অভিনয়ের তারকার চেয়ে মানবিক তারকার বেশি প্রয়োজন। অনেক তারকাশিল্পী এগিয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনন্ত জলিল ভাই অন্যতম। আবার অনেক তারকাই সাহায্য করেছে সংগঠনকে কিন্তু সেখানে ফোকাসে এসেছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

* সম্প্রতি টেলিভিশন নাট্য সংগঠন শিল্পী সংঘের সভাপতি স্বয়ং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

** দেখুন আমি কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করেছি এবং অন্য নেতাদের জানিয়েছি। নৈতিকভাবে তিনি শুটিং করতে পারেন না। তিনি আমার বড় ভাই। তাকে আমি অনেক সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমার লড়াইটা সভাপতির বিরুদ্ধে। তার শুটিংয়ের কারণে সংগঠন প্রশ্নবিদ্ধ। এ দুর্যোগে সংগঠন যা কিছু অর্জন করল তিনি সব ম্লান করে দিলেন!

* কিন্তু আজ থেকে তো সংগঠনগুলো শুটিং উন্মুক্ত করে দিল। এখন কী বলবেন?

** এটা আন্তঃসংগঠনের নেতাদের সিদ্ধান্ত। তারা মনে করেছেন এখন শুটিং করা যায়, তাই অনুমতি দিয়েছেন। যদিও এখানে ছয়টি শর্ত রয়েছে। এসব শর্ত মেনে যারা শুটিং করতে ইচ্ছুক তারা করবেন। তবে আমি শুটিং করতে ইচ্ছুক নই। কারণ দেশে এখন করোনাভাইরাসের প্রভাব বেড়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। এ অবস্থায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাই না।

* শিল্পীদের জন্য সরকারি প্রণোদনা দেয়ার বিষয়ে আপনার মতামত কী?

** এটা অবশ্যই দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিল্পীবান্ধব। একজন শিল্পী যখনই বিপদে পড়েছেন তখনই তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। কিন্তু এ বিপদে আমরা যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে সেভাবে শিল্পীদের অসহায়ত্ব তুলে ধরতে পারিনি।

* আপনি জাসদের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক। আপনার দল অসহায় মানুষের জন্য কী করেছে?

** আমার দলের সভাপতি সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু (এমপি) এবং সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার (এমপি) তাদের বেতনের টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে দান করেছেন। চীন থেকে জাসদের জন্য পাওয়া উপহার সামগ্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরে ও বিভিন্ন হাসপাতালে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও দলের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সে কার্যক্রম এখনও চলছে।

আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত