হ্যালো...

পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে মনে হয় না

এ সময়ের চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা। র‌্যাম্প মডেলিং দিয়ে মিডিয়ায় পথচলা শুরু হলেও চিত্রনায়িকা হিসেবেই এখন ক্যারিয়ার গড়ছেন। করোনাভাইরাসের প্রভাবে অন্য সবার মতো কাজ বন্ধ করে ঘরবন্দি এ নায়িকা। এ পরিস্থিতিতে কাজকর্মের অবস্থা, দৈনন্দিন জীবনযাপন, নিজের ভাবনা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

  এসএম শাফায়েত ৩০ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

* দীর্ঘ অবসর সময় কাটছে কীভাবে?

** ঢাকাতে আমি আমার খালার পরিবারের সঙ্গে আছি। দীর্ঘ অবসর সময় আসলে দীর্ঘ চিন্তাই করছি না। আজকের দিনে চিন্তা করছি কালকে সুস্থ থাকতে পারব কি না। তাই ওই জায়গা থেকে অবসরের কথাটা মাথার মধ্যে যতটুকু না কাজ করছে, তার থেকে বেশি যে পরিস্থিতি চোখের সামনে দেখছি তাতে খারাপ লাগছে। আপাতত বাড়িতে বসে বিভিন্ন লাইভে অংশ নিচ্ছি। কিছু সামাজিক সচেতনতামূলক বার্তা তৈরি করতে হচ্ছে। একেবারেই যে অবসর সেটাও এক অর্থে নয়। নিজের ও পরিবারের সঙ্গে কাজ করছি। স্রষ্টার প্রার্থনা করছি। নাটক, ছবি, ওয়েবসিরিজ দেখছি, বই পড়ছি, গান শুনছি। সবসময় ভালো থাকার চেষ্টা করছি।

* সর্বশেষ ব্যস্ততা ছিল কী নিয়ে?

** ১৭ মার্চ থেকে আমি বাড়িতেই আছি। ২৫ মার্চ সর্বশেষ একটা ডাবিং করেছিলাম। এটি একটি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ওভিসি। ঘরের বাইরে এটিই সর্বশেষ কাজ। তবে কয়েকটি প্রজেক্টের শুটিং ও ফটোশুট ছিল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সবকিছু বাতিল হয়ে গেল। এরই মধ্যে অনন্য মামুনের পরিচালনায় ‘পার্টনার’ নামের একটা ওয়েবসিরিজে কাজ করছিলাম। সেটার তিন-চারদিনের কাজ বাকি ছিল। একটা শর্টফিল্মের কাজ ছিল। ঈদে কিছু টিভি চ্যানেলের কাজসহ আরও অনেক কাজের শিডিউল বাতিল হয়েছে। তবে সবকিছুই বেশ পজিটিভলি নিয়েছি; যা হয়েছে ভালোই হয়েছে।

* পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও কাজগুলো করবেন?

** অবশ্যই, আমি যেহেতু কাজের মানুষ। তাই কাজগুলো তো করবই। কিন্তু যে পরিস্থিতি চলছে তা দেখে মনে হয় না, খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু আগের মতো হবে। যদি পরিস্থিতি আগের মতো হয়, সবাই আগের মতো কাজ শুরু করে তাহলে আমিও করব।

* নিজের জায়গা থেকে মানুষের জন্য কী করছেন?

** আমার আশপাশের অনেক মানুষ আছে যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল। আমার সামর্থ্যরে মধ্যে আমি যতটুকু পেরেছি তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। এর বাইরে আর তেমন কিছু করা হয়নি। ঘরবন্দি রয়েছি, বাইরে বের হতে পারছি না। ইচ্ছে আছে অনেক কিছু করার; কিন্তু কিছুই করতে পারছি না।

* এবার তো ঈদে কাজ ছিল না। খারাপ লাগেনি?

** অন্যান্যবার এ সময়টাতে তো অনেক ব্যস্ত থাকি। ঈদকেন্দ্রিক বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম থাকে, শুটিং থাকে। কোনো না কোনো কাজেই ব্যস্ত থাকাই হয়। বছরের শেষের দিক থেকে মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত টানা কাজের মৌসুম চলে। ঈদের আগ অবধি প্রচুর কাজ থাকে। এবার তো মার্চের শেষের দিক থেকে একদম ঘরে বসে গেছি। এবারের রোজা ও ঈদে হয়তো তেমন কিছুই ছিল না; কিন্তু এটা জীবনের একটা বড় অভিজ্ঞতা হিসেবে থেকে গেল।

* ঈদ কাটালেন কীভাবে?

** এবার একটা ব্যতিক্রমী ঈদ পার করলাম। ঘরে ছিলাম, কোথাও বের হইনি। প্রতিদিনের মতো ঈদের দিনটিও স্বাভাবিকভাবে কেটে গেছে। প্রতিবারই আমার বাবা-মা’র সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করি। আমি এবার তাদের খুব মিস করেছি।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত