নিজের জীবনের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হতে পারে না
jugantor
হ্যালো...
নিজের জীবনের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হতে পারে না

  হাসান সাইদুল  

০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা

করোনাভাইরাসের কারণে গত চার মাস বাসা থেকেই বের হন না চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদও পরিবারের সঙ্গে স্বেচ্ছাবন্দি হিসেবে কাটিয়েছেন।

করোনাময় ঈদ ও নিজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* করোনাময় ঈদ কেমন কাটল?

** একেবারেই ভিন্ন রকম ঈদ। বাড়ির বাইরে যাওয়া হয়নি বহুদিন। যেদিন থেকে সাধারণ ছুটি শুরু হয়েছিল তারপর আমি কোথাও যাইনি। অনেকের কাছে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হবে; কিন্তু এটাই সত্যি। জানি না কতদিন এভাবে চলতে হবে।

* এবারের ঈদে অনেকেই পশু কোরবানি না দিয়ে সেটার অর্থ অসহায়দের দান করেছেন। আপনি কী করেছেন?

** পশু কোরবানি দিয়েছি। সতর্কতা অবলম্বন করেই কোরবানি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়ম মেনেই আমি কোরবানি দিয়েছি। যেখানে যা করা দরকার তাই-ই করেছি।

* ঈদকেন্দ্রিক কোনো অনুষ্ঠানেও তো আপনাকে দেখা যায় না। এটাও কি করোনার কারণে?

** হ্যাঁ, করোনার কারণে অনেক কিছুই করা হয়নি। আগেই বলেছি শুরু থেকে এখনও আমি ঘর থেকেই বের হইনি। আপাতত ঘরে থাকাটাই শ্রেয় মনে করছি। তাই কোনো ধরনের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া বা শুটিং করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে কিছু লাইভ অনুষ্ঠান করেছি, সেটিও ঘরে বসে অনলাইনে।

* কিন্তু অনেকেই শুটিং বা অন্যান্য কাজ শুরু করেছেন ...

** অনেকে করছেন এটি তাদের বিষয়। তারা নিশ্চয়ই নিজেদের সুরক্ষিত রেখে কাজ করছেন। তাছাড়া অন্যরা কাজ শুরু করেছেন বলে যে আমাকেও কাজ শুরু করতে হবে তা তো বাধ্যতামূলক নয়। আমার হাতে দুটি ছবির কাজ রয়েছে। ছবির পরিচালককে জানিয়ে দিয়েছি খুব তাড়াতাড়ি শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারব না। বেঁচে থাকলে কাজ করতে পারব অনেক। এখন নিজেকে এবং পরিবারকে নিরাপদে রাখাই জরুরি।

* অনেক কিছুই তো করোনা শিখিয়ে যাচ্ছে। আপনি কী শিখলেন?

** নতুন কিছু শেখার নেই। এ বিষয়ে অনেককেই দেখি, শুনি অনেক কিছু বলছেন; যা বলছেন বা করছেন তা কি আমাদের আগে করণীয় ছিল না? হাত ধোয়া, পরিচ্ছন্ন থাকা, দূরত্ব বজায় রেখে চলা এসব তো প্রতিটি মানুষের নিত্যদিনের করণীয়। তবে করোনা চলে গেলে এ কাজগুলো অনেকেই করবে না। আমি আগেও করতাম, এখনও করি।

* অনেকে তো ধর্মের দিকেও ঝুঁকছেন...

** এটিও নতুন কিছু নয় আমার কাছে। আমি আগেও নামাজ পড়তাম। করোনা এসেছে বলেই এর গুরুত্ব বেশি আমার কাছে তা মনে হচ্ছে না। আমি আগেও নামাজ পড়তাম, এখনও পড়ছি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও নামাজ, কোরআন ছেড়ে দেব না।

* এ মহামারীতে দেশবাসীর উদ্দেশে কী বলবেন?

** আগের প্রশ্নের উত্তরে বলেছি, এখন অনেক মানুষ খুব সতর্ক। করোনা গেলে হয়তো এ সতর্কতা অনেকেই মানবেন না। এখনই তো যে যার মতো করে চলছেন, খবরে দেখি। যে যার জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে কাজ করবেন এটাই বলব। নিজের জীবনের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হতে পারে না। আর সেই জীবন নিরাপদ রাখা নিজেরই দায়িত্ব।

হ্যালো...

নিজের জীবনের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হতে পারে না

 হাসান সাইদুল 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা

করোনাভাইরাসের কারণে গত চার মাস বাসা থেকেই বের হন না চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদও পরিবারের সঙ্গে স্বেচ্ছাবন্দি হিসেবে কাটিয়েছেন।

করোনাময় ঈদ ও নিজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* করোনাময় ঈদ কেমন কাটল?

** একেবারেই ভিন্ন রকম ঈদ। বাড়ির বাইরে যাওয়া হয়নি বহুদিন। যেদিন থেকে সাধারণ ছুটি শুরু হয়েছিল তারপর আমি কোথাও যাইনি। অনেকের কাছে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হবে; কিন্তু এটাই সত্যি। জানি না কতদিন এভাবে চলতে হবে।

* এবারের ঈদে অনেকেই পশু কোরবানি না দিয়ে সেটার অর্থ অসহায়দের দান করেছেন। আপনি কী করেছেন?

** পশু কোরবানি দিয়েছি। সতর্কতা অবলম্বন করেই কোরবানি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়ম মেনেই আমি কোরবানি দিয়েছি। যেখানে যা করা দরকার তাই-ই করেছি।

* ঈদকেন্দ্রিক কোনো অনুষ্ঠানেও তো আপনাকে দেখা যায় না। এটাও কি করোনার কারণে?

** হ্যাঁ, করোনার কারণে অনেক কিছুই করা হয়নি। আগেই বলেছি শুরু থেকে এখনও আমি ঘর থেকেই বের হইনি। আপাতত ঘরে থাকাটাই শ্রেয় মনে করছি। তাই কোনো ধরনের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া বা শুটিং করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে কিছু লাইভ অনুষ্ঠান করেছি, সেটিও ঘরে বসে অনলাইনে।

* কিন্তু অনেকেই শুটিং বা অন্যান্য কাজ শুরু করেছেন ...

** অনেকে করছেন এটি তাদের বিষয়। তারা নিশ্চয়ই নিজেদের সুরক্ষিত রেখে কাজ করছেন। তাছাড়া অন্যরা কাজ শুরু করেছেন বলে যে আমাকেও কাজ শুরু করতে হবে তা তো বাধ্যতামূলক নয়। আমার হাতে দুটি ছবির কাজ রয়েছে। ছবির পরিচালককে জানিয়ে দিয়েছি খুব তাড়াতাড়ি শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারব না। বেঁচে থাকলে কাজ করতে পারব অনেক। এখন নিজেকে এবং পরিবারকে নিরাপদে রাখাই জরুরি।

* অনেক কিছুই তো করোনা শিখিয়ে যাচ্ছে। আপনি কী শিখলেন?

** নতুন কিছু শেখার নেই। এ বিষয়ে অনেককেই দেখি, শুনি অনেক কিছু বলছেন; যা বলছেন বা করছেন তা কি আমাদের আগে করণীয় ছিল না? হাত ধোয়া, পরিচ্ছন্ন থাকা, দূরত্ব বজায় রেখে চলা এসব তো প্রতিটি মানুষের নিত্যদিনের করণীয়। তবে করোনা চলে গেলে এ কাজগুলো অনেকেই করবে না। আমি আগেও করতাম, এখনও করি।

* অনেকে তো ধর্মের দিকেও ঝুঁকছেন...

** এটিও নতুন কিছু নয় আমার কাছে। আমি আগেও নামাজ পড়তাম। করোনা এসেছে বলেই এর গুরুত্ব বেশি আমার কাছে তা মনে হচ্ছে না। আমি আগেও নামাজ পড়তাম, এখনও পড়ছি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও নামাজ, কোরআন ছেড়ে দেব না।

* এ মহামারীতে দেশবাসীর উদ্দেশে কী বলবেন?

** আগের প্রশ্নের উত্তরে বলেছি, এখন অনেক মানুষ খুব সতর্ক। করোনা গেলে হয়তো এ সতর্কতা অনেকেই মানবেন না। এখনই তো যে যার মতো করে চলছেন, খবরে দেখি। যে যার জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে কাজ করবেন এটাই বলব। নিজের জীবনের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হতে পারে না। আর সেই জীবন নিরাপদ রাখা নিজেরই দায়িত্ব।