তাড়াহুড়া করে শুটিং করার ইচ্ছা নেই আমার
jugantor
হ্যালো...
তাড়াহুড়া করে শুটিং করার ইচ্ছা নেই আমার

  সোহেল আহসান  

২৮ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বছরঘুরে আবার উদযাপিত হলো কুরবানির ঈদ। বরাবরের মতো এবারও অভিনয় এবং পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন জাহিদ হাসান। ঈদের কাজ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* ঈদ কেমন কাটালেন?

** অনেকের মতো এবারের ঈদ ঢাকাতেই উদযাপন করেছি। করোনাকাল শুরু হওয়ার আগে আমি ঈদ করতাম গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। কিন্তু অভিভাবকশূন্য বাড়িতে গিয়ে এখন আর ঈদ করা হচ্ছে না। যতটুকু সম্ভব মোবাইল ফোনেই সবার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। তবে এভাবে ঈদ উদযাপন করতে ভালো লাগে না।

* তাহলে ঘরবন্দি হয়েই ঈদের সময় কাটিয়েছেন?

** একবারে তা নয়। খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করেছি। কুশল বিনিময় করেছি। তা ছাড়া আমার বড় বোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকি করছি। এ কারণে মনটা খারাপ হয়ে আছে। আপার চিকিৎসা চলছে। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন, এ জন্য সবার দোয়া চাই।

* এবারের ঈদের নাটক দেখা হয়েছে কি?

** সেভাবে সময় দিতে পারিনি। কারণ কুরবানি দেওয়ার ব্যস্ততা ছিল। তা ছাড়া বোন অসুস্থ। তারপরও আমার অভিনীত কয়েকটি নাটক দেখেছি। অন্যদের কিছু নাটকও দেখার সুযোগ হয়েছিল। সব মিলিয়ে ঈদের নাটক একেবারে খারাপ হয়নি। কিছু নির্মাতা ও অভিনেতার নাটক এবারও প্রশংসিত হয়েছে। করোনার কঠিন সময়েও নাটক নির্মাণ করার কাজটিই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও অভিনয়শিল্পী এবং কলাকুশলীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নাটকের শুটিং করেছেন। যা খুবই প্রশংসনীয় একটি বিষয় ছিল।

* ঈদের পর কি শুটিং শুরু করেছেন?

** আপাতত শুটিংয়ের কোনো ব্যস্ততা নেই আমার। করোনাজনিত এ লকডাউন যতদিন থাকবে ততদিনই শুটিং করব না। কারণ সামনে বড় কোনো উপলক্ষ্য নেই। তাই এত তাড়াহুড়া করে শুটিং করার ইচ্ছা নেই।

* ঈদে তিনটি নাটক পরিচালনা করেছিলেন। এখন পরিচালনায় নিয়মিত পাওয়া যাবে আপনাকে?

** পরিচালনার কাজটি কিন্তু বেশ কঠিন একটি বিষয়। অনেক কিছুর সমন্বয়ের মাধ্যমেই নাটক নির্মিত হয়। এখন পরিস্থিতি ভালো নয়। করোনার প্রকোপ কমলে পরিচালনায় নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছা আছে।

হ্যালো...

তাড়াহুড়া করে শুটিং করার ইচ্ছা নেই আমার

 সোহেল আহসান 
২৮ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বছরঘুরে আবার উদযাপিত হলো কুরবানির ঈদ। বরাবরের মতো এবারও অভিনয় এবং পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন জাহিদ হাসান। ঈদের কাজ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* ঈদ কেমন কাটালেন?

** অনেকের মতো এবারের ঈদ ঢাকাতেই উদযাপন করেছি। করোনাকাল শুরু হওয়ার আগে আমি ঈদ করতাম গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। কিন্তু অভিভাবকশূন্য বাড়িতে গিয়ে এখন আর ঈদ করা হচ্ছে না। যতটুকু সম্ভব মোবাইল ফোনেই সবার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। তবে এভাবে ঈদ উদযাপন করতে ভালো লাগে না।

* তাহলে ঘরবন্দি হয়েই ঈদের সময় কাটিয়েছেন?

** একবারে তা নয়। খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করেছি। কুশল বিনিময় করেছি। তা ছাড়া আমার বড় বোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকি করছি। এ কারণে মনটা খারাপ হয়ে আছে। আপার চিকিৎসা চলছে। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন, এ জন্য সবার দোয়া চাই।

* এবারের ঈদের নাটক দেখা হয়েছে কি?

** সেভাবে সময় দিতে পারিনি। কারণ কুরবানি দেওয়ার ব্যস্ততা ছিল। তা ছাড়া বোন অসুস্থ। তারপরও আমার অভিনীত কয়েকটি নাটক দেখেছি। অন্যদের কিছু নাটকও দেখার সুযোগ হয়েছিল। সব মিলিয়ে ঈদের নাটক একেবারে খারাপ হয়নি। কিছু নির্মাতা ও অভিনেতার নাটক এবারও প্রশংসিত হয়েছে। করোনার কঠিন সময়েও নাটক নির্মাণ করার কাজটিই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও অভিনয়শিল্পী এবং কলাকুশলীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নাটকের শুটিং করেছেন। যা খুবই প্রশংসনীয় একটি বিষয় ছিল।

* ঈদের পর কি শুটিং শুরু করেছেন?

** আপাতত শুটিংয়ের কোনো ব্যস্ততা নেই আমার। করোনাজনিত এ লকডাউন যতদিন থাকবে ততদিনই শুটিং করব না। কারণ সামনে বড় কোনো উপলক্ষ্য নেই। তাই এত তাড়াহুড়া করে শুটিং করার ইচ্ছা নেই।

* ঈদে তিনটি নাটক পরিচালনা করেছিলেন। এখন পরিচালনায় নিয়মিত পাওয়া যাবে আপনাকে?

** পরিচালনার কাজটি কিন্তু বেশ কঠিন একটি বিষয়। অনেক কিছুর সমন্বয়ের মাধ্যমেই নাটক নির্মিত হয়। এখন পরিস্থিতি ভালো নয়। করোনার প্রকোপ কমলে পরিচালনায় নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছা আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন