ছেলের সঙ্গে কানাডায় জন্মদিন পালন করছেন ববিতা
jugantor
ছেলের সঙ্গে কানাডায় জন্মদিন পালন করছেন ববিতা

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

৩০ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা অভিনয়ে নেই দীর্ঘদিন। দেশে করোনাভাইরাস প্রকোপের শুরু থেকে রাজধানীর নিজ বাসায়ই অবস্থান করছিলেন। আজ তার জন্মদিন। প্রতি বছর দিনটি কানাডায় অবস্থানরত একমাত্র ছেলে অনিকের সঙ্গেই কাটানোর চেষ্টা করেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর দেশটিতে যেতে পারেননি।

এ বছরও তেমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সব বাধা কাটিয়ে গত সপ্তাহে কানাডায় গিয়েছেন ববিতা। তাই এবারের জন্মদিন ছেলের সঙ্গেই কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে কানাডা থেকে ববিতা বলেন, ‘প্রায় দুই বছর হলো অনিকের কাছে আসতে পারছি না। ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট হতো আমার। ঢাকার একাকী জীবন একঘেয়ে হয়ে উঠেছিল।

এদিকে আমার ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরে ভিসার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে একজন মা হিসাবে ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য আবেদন করলাম। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে সেখানে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। ছেলের কাছে এসে কী যে ভালো লাগছে তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে জন্মদিন নিয়ে কোনো উচ্ছ্বাস নেই। গত বুধবারই আমার মেজো চাচা মারা গেছেন। পরিচিত অনেকেই মারা গেছেন। নিজ দেশের মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই অনেকেই মারা যাচ্ছেন। এ অবস্থায় মনটাও ভীষণ খারাপ। সব মিলিয়ে আসলে জন্মদিন উদযাপনের মতো মানসিকতা নেই। তবে এমন দিনে ছেলের পাশে আছি, আমার পাশে আমার অনিক আছে- এটাই শান্তির, ভালোলাগার।’

ছেলের সঙ্গে কানাডায় জন্মদিন পালন করছেন ববিতা

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
৩০ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা অভিনয়ে নেই দীর্ঘদিন। দেশে করোনাভাইরাস প্রকোপের শুরু থেকে রাজধানীর নিজ বাসায়ই অবস্থান করছিলেন। আজ তার জন্মদিন। প্রতি বছর দিনটি কানাডায় অবস্থানরত একমাত্র ছেলে অনিকের সঙ্গেই কাটানোর চেষ্টা করেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর দেশটিতে যেতে পারেননি।

এ বছরও তেমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সব বাধা কাটিয়ে গত সপ্তাহে কানাডায় গিয়েছেন ববিতা। তাই এবারের জন্মদিন ছেলের সঙ্গেই কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে কানাডা থেকে ববিতা বলেন, ‘প্রায় দুই বছর হলো অনিকের কাছে আসতে পারছি না। ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট হতো আমার। ঢাকার একাকী জীবন একঘেয়ে হয়ে উঠেছিল।

এদিকে আমার ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরে ভিসার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে একজন মা হিসাবে ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য আবেদন করলাম। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে সেখানে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। ছেলের কাছে এসে কী যে ভালো লাগছে তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে জন্মদিন নিয়ে কোনো উচ্ছ্বাস নেই। গত বুধবারই আমার মেজো চাচা মারা গেছেন। পরিচিত অনেকেই মারা গেছেন। নিজ দেশের মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই অনেকেই মারা যাচ্ছেন। এ অবস্থায় মনটাও ভীষণ খারাপ। সব মিলিয়ে আসলে জন্মদিন উদযাপনের মতো মানসিকতা নেই। তবে এমন দিনে ছেলের পাশে আছি, আমার পাশে আমার অনিক আছে- এটাই শান্তির, ভালোলাগার।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন