আমরা এখনও কারও সদস্যপদ বাতিল করিনি

  অনিন্দ্য মামুন ০৮ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমরা এখনও কারও সদস্যপদ বাতিল করিনি
চিত্র নায়ক জায়েদ খান

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। আনুষ্ঠানিকভাবে সমিতির সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণ করার এক বছর পূর্ণ করল সম্প্রতি। এই এক বছরে নির্বাচনের আগে দেয়া প্রতিশ্র“তির কতটা বাস্তবায়ন হল সেটা এবং তার সমসাময়িক কর্মকাণ্ড ও ব্যস্ততা নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

* যুগান্তর: নির্বাচনের আগে ইশতেহারে একুশটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছিলেন। এক বছরে ইশতেহারের কতটা বাস্তবায়ন করলেন?

** জায়েদ খান: শিল্পী সমিতির সব সদস্যের প্রতি অনেক ভালোবাসা। তাদের সুচিন্তিত রায়েই আজকে এ চেয়ারে বসার সুযোগ হয়েছে আমার। আমি এবং আমার প্যানেল ইশতেহারে যে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করব বলে প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলাম, তার একুশটির মধ্যে ২০টিই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া দাবির বাইরে আমরা অনেক কাজ করেছি। সেটা এফডিসির প্রায় সবাই জানেন।

* যুগান্তর: ইশতেহারে ঘোষিত বাস্তবায়ন হওয়া কাজগুলো কী কী?

** জায়েদ খান: আমরা ইশতেহারে যা ঘোষণা করেছিলাম তার মধ্যে বাস্তবায়ন হওয়া উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে- আর্থিক অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য আর্থিক ফান্ড করা, যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণে সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করা, প্রতারণা বন্ধ করা, অনুমতি ছাড়া যত্রতত্রভাবে বিদেশি শিল্পীদের অভিনয় করা বন্ধ করা, শিল্পীদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান, জনপ্রিয় এবং প্রবীণ তারকা শিল্পীদের সমন্বয়ে শক্তিশালী একটা উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা, ইফতার পার্টি, পিকনিক, ঈদ ও পুজোয় শিল্পীদের ভাতা দেয়া। সমিতির কাঠামোগত উন্নয়ন করেছি। কথা দিয়েছিলাম শিল্পী সমিতিকে ঢেলে সাজাব। সেটাও করেছি। এখন শিল্পী সমিতির কাঠামোগত উন্নয়ন চোখ জুড়িয়ে যায় অনেকের।

* যুগান্তর: যেগুলো এই এক বছরেও করা সম্ভব হয়নি সেগুলো নিয়ে কী বলবেন?

** জায়েদ খান: আমরা বলেছিলাম আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিল্পী, যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, তাদের জন্য জায়গা বা থাকার স্থান করে দেয়া। সেটা এখনও হয়ে ওঠেনি। তবে এটাও শিগগিরই করব।

* যুগান্তর: আপনারা অনেক শিল্পীর সদস্যপদ বাতিল করেছেন। তারা তো অনেক টাকা দিয়ে সদস্য হয়েছেন। সে টাকা কী ফেরত দেবেন?

** জায়েদ খান: বিষয়টি অনেকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছেন। আমরা এখনও কারও সদস্যপদ বাতিল করিনি। গঠনতন্ত্র মোতাবেক তারা সদস্য হয়নি বলে অনেকের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। তাদের মান উন্নয়নের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারা গঠনতন্ত্র মোতাবেক যখন মান উন্নয়ন করে আসবেন তখনই পূর্ণ সদস্যপদ বহাল থাকবে। এ ক্ষেত্রে আর কোনো টাকা লাগবে না। তবে সদস্য ফি ফেরত দেয়ার তো কোনো নিয়ম নেই।

* যুগান্তর: শিল্পী সমিতিতে এক বছর কাজ করার পর এখন সিনেমার সার্বিক উন্নয়নে কী কী প্রতিবন্ধকতা সামনে পাচ্ছেন?

** জায়েদ খান: অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। তবে এখন আমাদের সামনে দুটি প্রতিবন্ধকতা খুব প্রবল। সেটা হল, সিনেমা হল ঠিক করা ও মেশিন বসানো। এখন তো সেটা একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা সুবিধা ভোগ করছে।

* যুগান্তর: আপনারা এ দুটি প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠার কতটা চেষ্টা করছেন?

** জায়েদ খান: শিল্পী সমিতির যতটা করার সাধ্য রয়েছে বলতে পারেন তার চেয়েও বেশি করছি। তবে আমাদের প্রযোজক সমিতি তো অকার্যকর হয়ে রয়েছে। তারা যদি আমাদের সঙ্গে আসত, অনেক সহজেই কাজটি করা যেত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter