নির্মিত হলো লাকি থার্টিন প্রজেক্টের প্রথম নাটক বাজান
jugantor
নির্মিত হলো লাকি থার্টিন প্রজেক্টের প্রথম নাটক বাজান

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কথাসাহিত্যিক ইকবাল খন্দকারের লেখা ১৩টি বই থেকে ১৩টি নাটক নির্মিত হচ্ছে ‘লাকি থার্টিন’ প্রজেক্টের ব্যানারে। নাটকগুলো নির্মাণ করছেন মনজুরুল হক মনজু। সম্প্রতি নির্মিত হলো এ প্রজেক্টের প্রথম নাটক ‘বাজান’। নাটকটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শারমীন জোহা শশী।

নাটকটি প্রসঙ্গে রচয়িতা ইকবাল খন্দকার বলেন-“মর্মস্পর্শী একটি গল্প নিয়ে লেখা আমার ‘বাজান’ উপন্যাসটি। যা পাঠকের চোখ ভিজিয়েছে। আমার বিশ্বাস, এবার দর্শকের চোখও ভিজবে।” নির্মাতা মনজুরুল হক মনজু বলেন-‘গ্রামীণ পটভূমির গল্প এটি। তাই চেষ্টা করেছি নির্মাণে সেই আমেজটা পুরোপুরি রাখতে এবং গল্পের সবটুকু আবেগ ও আবেদন ক্যামেরার মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলতে।

কতটুকু সফল হয়েছি, সে বিচারের ভার দর্শকের ওপর।’ এ নাটকের অভিনয় প্রসঙ্গে শতাব্দী ওয়াদুদ বলেন, ‘দারুণ একটি গল্প। এ ধরনের গল্পে কাজ করে আনন্দ পাই। অভিনয়ের ক্ষুধা মেটে। আমার বিশ্বাস নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে।’ শশী বলেন, ‘কিছু কিছু গল্প আছে, যেগুলোতে কাজ করলে মনে হয় অভিনয় করাটা স্বার্থক। বাজানের গল্প তেমনই। দারুণ একটি কাজ হয়েছে। শুটিং করেও ভালো লেগেছে। নাটকের গল্পই দর্শককে কাছে টেনে নেবে বলে আমার বিশ্বাস।’ প্রজেক্ট ‘লাকি থার্টিন’-এর জন্য নির্বাচিত ইকবাল খন্দকারের অন্য বইগুলো হলো- একাত্তরের বদ্ধঘর, বিদায় মা, একটি বেওয়ারিশ লাশ, তরুণীর খুলি, মনে করো আর দেখা হবে না, তোমার জন্য প্রার্থনা, সুইসাইড রুম, বীভৎস সেই মধ্যরাত, মুরতাদ, কয়েদখানা, একজন গুপ্তঘাতক ও স্টেশনের নৈশপ্রহরী। সবক’টি গল্পেরই চিত্রনাট্য লিখছেন ইকবাল খন্দকার।

নির্মিত হলো লাকি থার্টিন প্রজেক্টের প্রথম নাটক বাজান

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কথাসাহিত্যিক ইকবাল খন্দকারের লেখা ১৩টি বই থেকে ১৩টি নাটক নির্মিত হচ্ছে ‘লাকি থার্টিন’ প্রজেক্টের ব্যানারে। নাটকগুলো নির্মাণ করছেন মনজুরুল হক মনজু। সম্প্রতি নির্মিত হলো এ প্রজেক্টের প্রথম নাটক ‘বাজান’। নাটকটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শারমীন জোহা শশী।

নাটকটি প্রসঙ্গে রচয়িতা ইকবাল খন্দকার বলেন-“মর্মস্পর্শী একটি গল্প নিয়ে লেখা আমার ‘বাজান’ উপন্যাসটি। যা পাঠকের চোখ ভিজিয়েছে। আমার বিশ্বাস, এবার দর্শকের চোখও ভিজবে।” নির্মাতা মনজুরুল হক মনজু বলেন-‘গ্রামীণ পটভূমির গল্প এটি। তাই চেষ্টা করেছি নির্মাণে সেই আমেজটা পুরোপুরি রাখতে এবং গল্পের সবটুকু আবেগ ও আবেদন ক্যামেরার মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলতে।

কতটুকু সফল হয়েছি, সে বিচারের ভার দর্শকের ওপর।’ এ নাটকের অভিনয় প্রসঙ্গে শতাব্দী ওয়াদুদ বলেন, ‘দারুণ একটি গল্প। এ ধরনের গল্পে কাজ করে আনন্দ পাই। অভিনয়ের ক্ষুধা মেটে। আমার বিশ্বাস নাটকটি দর্শকের ভালো লাগবে।’ শশী বলেন, ‘কিছু কিছু গল্প আছে, যেগুলোতে কাজ করলে মনে হয় অভিনয় করাটা স্বার্থক। বাজানের গল্প তেমনই। দারুণ একটি কাজ হয়েছে। শুটিং করেও ভালো লেগেছে। নাটকের গল্পই দর্শককে কাছে টেনে নেবে বলে আমার বিশ্বাস।’ প্রজেক্ট ‘লাকি থার্টিন’-এর জন্য নির্বাচিত ইকবাল খন্দকারের অন্য বইগুলো হলো- একাত্তরের বদ্ধঘর, বিদায় মা, একটি বেওয়ারিশ লাশ, তরুণীর খুলি, মনে করো আর দেখা হবে না, তোমার জন্য প্রার্থনা, সুইসাইড রুম, বীভৎস সেই মধ্যরাত, মুরতাদ, কয়েদখানা, একজন গুপ্তঘাতক ও স্টেশনের নৈশপ্রহরী। সবক’টি গল্পেরই চিত্রনাট্য লিখছেন ইকবাল খন্দকার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন