এক দশক পর পর্দায় আসছেন রুমানা
jugantor
নভেম্বরে মুক্তি এ দেশ তোমার আমার
এক দশক পর পর্দায় আসছেন রুমানা

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রুমানা

মডেলিং থেকে টিভি নাটক, এরপর এক সময় সিনেমায়ও নাম লিখিয়েছিলেন রুমানা। শেষ পর্যন্ত সবকিছু ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা প্রবাসী তিনি। সেখানেই বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন। হয়েছেন সন্তানের মা। আর অভিনয়ে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। সেই রোমানাকেই আবারও দেখা যাবে সিনেমা হলের পর্দায়। ১০ বছর আগে এফ আই মানিকের পরিচালনায় ও ডিপজলের প্রযোজনায় ‘এ দেশ তোমার আমার’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন রুমানা। সে সিনেমাটি আগামী ৫ নভেম্বর মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে আমেরিকা থেকে রুমানা বলেন, ‘ঠিক মনে নেই আসলে কত বছর আগে এ সিনেমাতে অভিনয় করেছিলাম। তবে ১০ বছর তো হবেই। তখন আমি নাটকে এবং সিনেমাতে সমানতালে কাজ করছিলাম। এ সিনেমার তিন শিল্পী শ্রদ্ধেয় মিজু আহমেদ, দিতি ও অলি আমাদের মাঝে নেই। তাদের সঙ্গে কাজ করার স্মৃতি চোখে স্পষ্ট। খুব কষ্ট হয় তাদের কথা মনে হলে। এরই মধ্যে আমরা আরও অনেককে হারিয়েছি। আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনটাও অভিভাবকশূন্য হয়ে যাচ্ছে। দর্শকের কাছে বিশেষ অনুরোধ থাকবে, এ দেশে তোমার আমার সিনেমাটি হলে গিয়ে যেন দেখেন। এটা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার গল্পের সিনেমা।’ এদিকে চলতি বছরের শেষপ্রান্তে তার দেশে আসার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বরে মুক্তি এ দেশ তোমার আমার

এক দশক পর পর্দায় আসছেন রুমানা

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
রুমানা
ফাইল ছবি

মডেলিং থেকে টিভি নাটক, এরপর এক সময় সিনেমায়ও নাম লিখিয়েছিলেন রুমানা। শেষ পর্যন্ত সবকিছু ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা প্রবাসী তিনি। সেখানেই বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন। হয়েছেন সন্তানের মা। আর অভিনয়ে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। সেই রোমানাকেই আবারও দেখা যাবে সিনেমা হলের পর্দায়। ১০ বছর আগে এফ আই মানিকের পরিচালনায় ও ডিপজলের প্রযোজনায় ‘এ দেশ তোমার আমার’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন রুমানা। সে সিনেমাটি আগামী ৫ নভেম্বর মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে আমেরিকা থেকে রুমানা বলেন, ‘ঠিক মনে নেই আসলে কত বছর আগে এ সিনেমাতে অভিনয় করেছিলাম। তবে ১০ বছর তো হবেই। তখন আমি নাটকে এবং সিনেমাতে সমানতালে কাজ করছিলাম। এ সিনেমার তিন শিল্পী শ্রদ্ধেয় মিজু আহমেদ, দিতি ও অলি আমাদের মাঝে নেই। তাদের সঙ্গে কাজ করার স্মৃতি চোখে স্পষ্ট। খুব কষ্ট হয় তাদের কথা মনে হলে। এরই মধ্যে আমরা আরও অনেককে হারিয়েছি। আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনটাও অভিভাবকশূন্য হয়ে যাচ্ছে। দর্শকের কাছে বিশেষ অনুরোধ থাকবে, এ দেশে তোমার আমার সিনেমাটি হলে গিয়ে যেন দেখেন। এটা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার গল্পের সিনেমা।’ এদিকে চলতি বছরের শেষপ্রান্তে তার দেশে আসার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন