মহামারি না থাকলে আমার অভিনীত এক ডজন সিনেমা মুক্তি পেত
jugantor
হ্যালো...
মহামারি না থাকলে আমার অভিনীত এক ডজন সিনেমা মুক্তি পেত

  সোহেল আহসান  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাকালেও অভিনয়ে সরব জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস। তবে সিনেমাতেই শুধু অভিনয় করছেন তিনি। এ ছাড়া মডেলিং ও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যায় তাকে। অভিনয় এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* করোনার প্রকোপ অনেক কমে গেছে দেশে। এ সময়টা কেমন যাচ্ছে আপনার?

** করোনার মধ্যেও আমি বেশ কিছু কাজ করেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এখন প্রকোপ কমেছে। তাই ব্যস্ততাও বেড়েছে। অভিনয় করছি। অভিনয়ের বাইরে নানা ধরনের সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছি। শিগ্গির নতুন কাজের সঙ্গে যুক্ত হব।

* সম্প্রতি ‘ক্ষমা নেই’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছেন। এতে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

** এটি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত একটি সিনেমা। এ ছাড়া এই সিনেমার পরিচালক জেড এইচ মিন্টু একজন প্রথিতযশা চিত্রগ্রাহক। প্রথম পর্যায়ের শুটিং করেছি এফডিসিতে। এ সিনেমার গল্প এবং আমার চরিত্র দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। আমি যে ধরনের গল্পে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এটি তেমনই একটি সিনেমা। আশা করছি দর্শকের কাছে ভালো লাগবে।

* আপনার হাতে এখন যেসব সিনেমার কাজ রয়েছে তার বেশিরভাগই সরকারি অনুদানের। আপনি কি তাহলে অনুদানের সিনেমায় অভিনয়েই আগ্রহী বেশি?

** বিষয়টি তেমন নয়। ভালো গল্প, পছন্দের চরিত্র এবং নির্মাতা-এসব বিষয়ের সমন্বয় হলেই আমি সিনেমায় অভিনয় করি। সেটি অনুদান কিংবা যাই হোক না কেন। এসব নিয়ে আমার আলাদা কোনো উদ্দেশ্য নেই। মানসম্মত কাজ হলেই আমি চুক্তিবদ্ধ হই। অনুদানের সিনেমায় বেশি অভিনয় করছি, বিষয়টি কাকতালীয়ভাবেই হয়েছে।

* কাজ চলতি সিনেমাগুলোর অগ্রগতি কী?

** নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের পরিচালনায় ‘গাঙচিল’, এখলাস আবেদিনের ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’, মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমাগুলোর সব কাজ শেষ। করোনাজনিত কারণে সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। এখন পর্যন্ত সব সিনেমাহল খোলেনি। তবে বর্তমান সময়ে সিনেমা মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই শিগ্গির হলগুলো হয়তো নতুনভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। এমনিতেই করোনার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আমার অভিনীত সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না। এটি একজন অভিনয়শিল্পী হিসাবে আমার জন্য বেশ বিব্রতকর। মহামারি না থাকলে হয়তো এক ডজন সিনেমা এরইমধ্যে মুক্তি পেত।

* কিছুদিন আগে একটি বই লিখেছেন। সেটি কি আগামী একুশের বই মেলাতে প্রকাশ পাবে?

** পরিকল্পনা সেভাবেই সাজিয়েছি। প্রকাশকের সঙ্গেও তেমন কথা হয়েছে। করোনার লকডাউনের সময়টায় কিছুটা অবসর পাওয়ায় এ কাজটি করেছি। পাঠক যদি বইটি নিয়ে আগ্রহী হয় এবং সাড়া ভালো পাই তাহলে পরের মেলায় আনেকটি বইও তৈরি করার পরিকল্পনা আছে। লেখালেখির কাজটি আমার পছন্দের।

* দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা থাকার পর সম্প্রতি ভারতের ভিসা পেয়েছেন। কবে সেখানে কাজ শুরু করছেন?

** সে রকম চিন্তাই করছি। আগে যেসব সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ ছিলাম, তার বেশিরভাগই ছেড়ে দিতে হয়েছে। তবে এখন নতুন কিছু কাজের বিষয়ে কথা হচ্ছে। আগামী মাসের মধ্যেই সেগুলো চূড়ান্ত হবে। আশা করছি নতুন বছরের শুরুতেই সব নতুন বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করতে পারব। সিনেমার কাজের পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফরমের জন্যও প্রস্তাব পাচ্ছি। কবে নাগাদ এগুলো সম্পন্ন করতে পারব, তা এখনো চূড়ান্ত করিনি।

হ্যালো...

মহামারি না থাকলে আমার অভিনীত এক ডজন সিনেমা মুক্তি পেত

 সোহেল আহসান 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাকালেও অভিনয়ে সরব জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস। তবে সিনেমাতেই শুধু অভিনয় করছেন তিনি। এ ছাড়া মডেলিং ও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যায় তাকে। অভিনয় এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* করোনার প্রকোপ অনেক কমে গেছে দেশে। এ সময়টা কেমন যাচ্ছে আপনার?

** করোনার মধ্যেও আমি বেশ কিছু কাজ করেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এখন প্রকোপ কমেছে। তাই ব্যস্ততাও বেড়েছে। অভিনয় করছি। অভিনয়ের বাইরে নানা ধরনের সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছি। শিগ্গির নতুন কাজের সঙ্গে যুক্ত হব।

* সম্প্রতি ‘ক্ষমা নেই’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছেন। এতে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

** এটি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত একটি সিনেমা। এ ছাড়া এই সিনেমার পরিচালক জেড এইচ মিন্টু একজন প্রথিতযশা চিত্রগ্রাহক। প্রথম পর্যায়ের শুটিং করেছি এফডিসিতে। এ সিনেমার গল্প এবং আমার চরিত্র দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। আমি যে ধরনের গল্পে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এটি তেমনই একটি সিনেমা। আশা করছি দর্শকের কাছে ভালো লাগবে।

* আপনার হাতে এখন যেসব সিনেমার কাজ রয়েছে তার বেশিরভাগই সরকারি অনুদানের। আপনি কি তাহলে অনুদানের সিনেমায় অভিনয়েই আগ্রহী বেশি?

** বিষয়টি তেমন নয়। ভালো গল্প, পছন্দের চরিত্র এবং নির্মাতা-এসব বিষয়ের সমন্বয় হলেই আমি সিনেমায় অভিনয় করি। সেটি অনুদান কিংবা যাই হোক না কেন। এসব নিয়ে আমার আলাদা কোনো উদ্দেশ্য নেই। মানসম্মত কাজ হলেই আমি চুক্তিবদ্ধ হই। অনুদানের সিনেমায় বেশি অভিনয় করছি, বিষয়টি কাকতালীয়ভাবেই হয়েছে।

* কাজ চলতি সিনেমাগুলোর অগ্রগতি কী?

** নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের পরিচালনায় ‘গাঙচিল’, এখলাস আবেদিনের ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’, মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমাগুলোর সব কাজ শেষ। করোনাজনিত কারণে সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। এখন পর্যন্ত সব সিনেমাহল খোলেনি। তবে বর্তমান সময়ে সিনেমা মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাই শিগ্গির হলগুলো হয়তো নতুনভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। এমনিতেই করোনার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আমার অভিনীত সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না। এটি একজন অভিনয়শিল্পী হিসাবে আমার জন্য বেশ বিব্রতকর। মহামারি না থাকলে হয়তো এক ডজন সিনেমা এরইমধ্যে মুক্তি পেত।

* কিছুদিন আগে একটি বই লিখেছেন। সেটি কি আগামী একুশের বই মেলাতে প্রকাশ পাবে?

** পরিকল্পনা সেভাবেই সাজিয়েছি। প্রকাশকের সঙ্গেও তেমন কথা হয়েছে। করোনার লকডাউনের সময়টায় কিছুটা অবসর পাওয়ায় এ কাজটি করেছি। পাঠক যদি বইটি নিয়ে আগ্রহী হয় এবং সাড়া ভালো পাই তাহলে পরের মেলায় আনেকটি বইও তৈরি করার পরিকল্পনা আছে। লেখালেখির কাজটি আমার পছন্দের।

* দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা থাকার পর সম্প্রতি ভারতের ভিসা পেয়েছেন। কবে সেখানে কাজ শুরু করছেন?

** সে রকম চিন্তাই করছি। আগে যেসব সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ ছিলাম, তার বেশিরভাগই ছেড়ে দিতে হয়েছে। তবে এখন নতুন কিছু কাজের বিষয়ে কথা হচ্ছে। আগামী মাসের মধ্যেই সেগুলো চূড়ান্ত হবে। আশা করছি নতুন বছরের শুরুতেই সব নতুন বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করতে পারব। সিনেমার কাজের পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফরমের জন্যও প্রস্তাব পাচ্ছি। কবে নাগাদ এগুলো সম্পন্ন করতে পারব, তা এখনো চূড়ান্ত করিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন