টেলিভিশন নাট্যপ্রযোজকদের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক
jugantor
টেলিভিশন নাট্যপ্রযোজকদের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী ১১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব)-এর নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিতর্কের রেশ ধরে নির্বাচন কমিশনাররা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির আসন্ন নির্বাচন কমিশন সদস্য নাট্যকার বৃন্দাবন দাস।

তিনি জানান, তার সঙ্গে অন্য কমিশনার নরেশ ভূইয়া এবং মাসুম আজিজও পদত্যাগ করেছেন। জানা গেছে, ১১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই অনুযায়ী নির্বাচনি তফসিলও ঘোষণা করা হয়। প্রার্থিতা বাছাইপর্বে ১৭ সদস্যের আবেদন বাতিল হয়। এ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। আপিল বিভাগের প্রধান অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজের কাছে বাদপড়া ১৫ প্রার্থী নির্বাচনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করে। শুনানি শেষে নির্বাচনি প্রক্রিয়া ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতের সুপারিশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর নোটিশ পাঠান আপিল বিভাগের প্রধান।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ কোনো ধরনের আলোচনা না করে এমন একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষুব্ধ হন কমিশনাররা। এ কারণে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে বাদপড়া প্রার্থীদের অধিকাংশ সদস্য নির্ধারিত সময়ের পর প্রার্থী ফরম জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্ধারিত দিনে সন্ধ্যা আটটার মধ্যে নমিনেশন ফরম জমা দেওয়ার বাধ্যবাধতা থাকলেও প্রার্থিতা বাতিল হওয়া অধিকাংশ সদস্যই সেটা জমা দেন রাত দশটা পর্যন্ত। এ ছাড়াও আরও কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এফটিপিওসহ অন্য সংগঠনের নেতার সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব এবং ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করার সুপারিশ করা নির্বাচনি তফসিল ও সংবিধান বহির্ভূত হওয়ায় দাবি করে নির্বাচন কমিশনাররা একযোগে পদত্যাগ করেন।

টেলিভিশন নাট্যপ্রযোজকদের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী ১১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব)-এর নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিতর্কের রেশ ধরে নির্বাচন কমিশনাররা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির আসন্ন নির্বাচন কমিশন সদস্য নাট্যকার বৃন্দাবন দাস।

তিনি জানান, তার সঙ্গে অন্য কমিশনার নরেশ ভূইয়া এবং মাসুম আজিজও পদত্যাগ করেছেন। জানা গেছে, ১১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই অনুযায়ী নির্বাচনি তফসিলও ঘোষণা করা হয়। প্রার্থিতা বাছাইপর্বে ১৭ সদস্যের আবেদন বাতিল হয়। এ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। আপিল বিভাগের প্রধান অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজের কাছে বাদপড়া ১৫ প্রার্থী নির্বাচনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করে। শুনানি শেষে নির্বাচনি প্রক্রিয়া ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতের সুপারিশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর নোটিশ পাঠান আপিল বিভাগের প্রধান।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ কোনো ধরনের আলোচনা না করে এমন একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষুব্ধ হন কমিশনাররা। এ কারণে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে বাদপড়া প্রার্থীদের অধিকাংশ সদস্য নির্ধারিত সময়ের পর প্রার্থী ফরম জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্ধারিত দিনে সন্ধ্যা আটটার মধ্যে নমিনেশন ফরম জমা দেওয়ার বাধ্যবাধতা থাকলেও প্রার্থিতা বাতিল হওয়া অধিকাংশ সদস্যই সেটা জমা দেন রাত দশটা পর্যন্ত। এ ছাড়াও আরও কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এফটিপিওসহ অন্য সংগঠনের নেতার সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব এবং ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করার সুপারিশ করা নির্বাচনি তফসিল ও সংবিধান বহির্ভূত হওয়ায় দাবি করে নির্বাচন কমিশনাররা একযোগে পদত্যাগ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন