তারকার দৃষ্টিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী
jugantor
তারকার দৃষ্টিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

  বিনোদন ডেস্ক  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তারকার দৃষ্টিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

আমরা সব সময় অপ্রাপ্তির কথাটাই বেশি বলার চেষ্টা করি; কিন্তু আমি মনে করি, আমাদের প্রাপ্তির জায়গাটাও বিশাল। বাংলাদেশের জন্মের পর দেশটি কেমন ছিল আর এখন কেমন এটি তুলনা করলেই তো দেখা যায়, আমরা কতটা উন্নতি করেছি।

আগে দুর্ভিক্ষে মানুষ না খেয়ে মারা যেত আর এখন না খেয়ে কেউই মরে না। তাতে করে আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে আগের তুলনায়। প্রায় সবারই অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। আগে যেসব কাজ দেশের বাইরে গিয়ে করতে হতো, সেগুলো এখন দেশেই সম্ভব হচ্ছে। এগুলো আমাদের অনেক বড় অর্জন। নতুন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে, উন্নয়নও হচ্ছে।

পোশাকশিল্পে আমাদের অর্জন ঈর্ষণীয়। বিশ্বের বুকে এ শিল্পের কারণে আমাদের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে; যা দেশের জাতীয় আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন ধরনের ধানের উৎপাদন হচ্ছে। তাতে করে ধানের ফলনও ভালো হচ্ছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জন হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। এটি আমাদের দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তা ছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত।

তিনি নানা ধরনের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন প্রতিনিয়ত। সারা বিশ্বেই বাংলাদেশের ইতিবাচক ইমেজ ছড়িয়ে পড়ছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও আমাদের অর্জন অনেক। আগে কাজের পরিধি কম থাকলেও এখন তা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে অনেকেই অভিনয়কে পেশা হিসাবে নিতেন না। তবে এখন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অনেকেই আমাদের বিনোদন জগতের কাজে যুক্ত হচ্ছে, যা ইতিবাচক একটি বিষয়।

লেখক : সালাউদ্দিন লাভলু, অভিনেতা ও নির্মাতা

তারকার দৃষ্টিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

 বিনোদন ডেস্ক 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
তারকার দৃষ্টিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী
ফাইল ছবি

আমরা সব সময় অপ্রাপ্তির কথাটাই বেশি বলার চেষ্টা করি; কিন্তু আমি মনে করি, আমাদের প্রাপ্তির জায়গাটাও বিশাল। বাংলাদেশের জন্মের পর দেশটি কেমন ছিল আর এখন কেমন এটি তুলনা করলেই তো দেখা যায়, আমরা কতটা উন্নতি করেছি।

আগে দুর্ভিক্ষে মানুষ না খেয়ে মারা যেত আর এখন না খেয়ে কেউই মরে না। তাতে করে আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে আগের তুলনায়। প্রায় সবারই অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। আগে যেসব কাজ দেশের বাইরে গিয়ে করতে হতো, সেগুলো এখন দেশেই সম্ভব হচ্ছে। এগুলো আমাদের অনেক বড় অর্জন। নতুন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে, উন্নয়নও হচ্ছে।

পোশাকশিল্পে আমাদের অর্জন ঈর্ষণীয়। বিশ্বের বুকে এ শিল্পের কারণে আমাদের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে; যা দেশের জাতীয় আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন ধরনের ধানের উৎপাদন হচ্ছে। তাতে করে ধানের ফলনও ভালো হচ্ছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জন হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। এটি আমাদের দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তা ছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত।

তিনি নানা ধরনের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন প্রতিনিয়ত। সারা বিশ্বেই বাংলাদেশের ইতিবাচক ইমেজ ছড়িয়ে পড়ছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও আমাদের অর্জন অনেক। আগে কাজের পরিধি কম থাকলেও এখন তা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে অনেকেই অভিনয়কে পেশা হিসাবে নিতেন না। তবে এখন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অনেকেই আমাদের বিনোদন জগতের কাজে যুক্ত হচ্ছে, যা ইতিবাচক একটি বিষয়।

লেখক : সালাউদ্দিন লাভলু, অভিনেতা ও নির্মাতা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন