মনের টানে লেখালেখি করি
jugantor
হ্যালো...
মনের টানে লেখালেখি করি

  সোহেল আহসান  

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মনের টানে লেখালেখি করি

সংগীত শিল্পী হিসাবেই পরিচিত সাজিয়া সুলতানা পুতুল। তবে লেখক হিসাবেও আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়েছে তার। করোনাকালে গান করেছেন নিয়মিত। গান এবং লেখালেখির ব্যস্ততাসহ অন্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

** বিজয়ের মাস চলছে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিজয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করছি। ১৬ ডিসেম্বরের আগে এ ধরনের আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নেব। সব মিলিয়ে বেশ ভালো সময়ই কাটছে।

* নতুন গানের খবর কী?

** একাধিক নতুন গানের কাজ হাতে রয়েছে। এগুলোর কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়েছি। ডিসেম্বর মাসে স্টেজ প্রোগ্রামের ব্যস্ততার কারণে গান রেকর্ডিংয়ের কাজে কিছুটা গতি কমেছে। আশা করছি আগামী মাস থেকে সেসব কাজের গতি আরও বাড়বে।

* আপনার নতুন স্টুডিওর কার্যক্রম কেমন চলছে?

** আমরা একবারে যে বাণিজ্যিকভাবে এটি করছি তা নয়। আমাদের পরিচিতরাই মূলত কাজ করছেন এখানে। এরই মধ্যে দুটি বড় প্রজেক্টের কাজ সম্পন্ন হয়েছে আমাদের এখানে। স্টুডিওটি যেহেতু বাসার মধ্যে তাই অপরিচিত কারও কাজ করছি না। তবে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা আছে। সে লক্ষ্যেই এটি গড়ে তুলছি।

* আগামী একুশের বইমেলায় কি আপনার নতুন কোনো কবিতা, গল্প বা উপন্যাস প্রকাশ হবে?

** একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হবে। এর আগেও দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল। চলতি মাসেই এটির পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের কাছে জমা দিয়ে দেব। ২০১৬ সাল থেকেই আমার বই প্রকাশ হচ্ছে। আমি আসলে লেখালেখি করি মনের টানে। গানের পাশাপাশি মানুষ যে আমার কবিতা ও উপন্যাস পড়েন আগ্রহ নিয়ে, এটি আমার জন্য বড় পাওয়া। আর গান তো আমার ভালোলাগার অন্যতম বিষয়।

* নিজের কাজ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় চলছেন?

** পরিকল্পনা ছাড়া ভালো কোনো কাজ হয় না কখনই। আমি সব সময়ই ভাবি মানসম্মত কাজ উপহার দিতে। সেভাবেই চলছি। আমার গান কিংবা সৃজনশীল অন্য কাজগুলো যখন মানুষ আগ্রহ নিয়ে গ্রহণ করেন তখনই পরিশ্রমের সার্থকতা খুঁজে পাই। এভাবেই বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই।

হ্যালো...

মনের টানে লেখালেখি করি

 সোহেল আহসান 
০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মনের টানে লেখালেখি করি
ফাইল ছবি

সংগীত শিল্পী হিসাবেই পরিচিত সাজিয়া সুলতানা পুতুল। তবে লেখক হিসাবেও আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়েছে তার। করোনাকালে গান করেছেন নিয়মিত। গান এবং লেখালেখির ব্যস্ততাসহ অন্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

** বিজয়ের মাস চলছে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিজয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করছি। ১৬ ডিসেম্বরের আগে এ ধরনের আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নেব। সব মিলিয়ে বেশ ভালো সময়ই কাটছে।

* নতুন গানের খবর কী?

** একাধিক নতুন গানের কাজ হাতে রয়েছে। এগুলোর কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়েছি। ডিসেম্বর মাসে স্টেজ প্রোগ্রামের ব্যস্ততার কারণে গান রেকর্ডিংয়ের কাজে কিছুটা গতি কমেছে। আশা করছি আগামী মাস থেকে সেসব কাজের গতি আরও বাড়বে।

* আপনার নতুন স্টুডিওর কার্যক্রম কেমন চলছে?

** আমরা একবারে যে বাণিজ্যিকভাবে এটি করছি তা নয়। আমাদের পরিচিতরাই মূলত কাজ করছেন এখানে। এরই মধ্যে দুটি বড় প্রজেক্টের কাজ সম্পন্ন হয়েছে আমাদের এখানে। স্টুডিওটি যেহেতু বাসার মধ্যে তাই অপরিচিত কারও কাজ করছি না। তবে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা আছে। সে লক্ষ্যেই এটি গড়ে তুলছি।

* আগামী একুশের বইমেলায় কি আপনার নতুন কোনো কবিতা, গল্প বা উপন্যাস প্রকাশ হবে?

** একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হবে। এর আগেও দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল। চলতি মাসেই এটির পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের কাছে জমা দিয়ে দেব। ২০১৬ সাল থেকেই আমার বই প্রকাশ হচ্ছে। আমি আসলে লেখালেখি করি মনের টানে। গানের পাশাপাশি মানুষ যে আমার কবিতা ও উপন্যাস পড়েন আগ্রহ নিয়ে, এটি আমার জন্য বড় পাওয়া। আর গান তো আমার ভালোলাগার অন্যতম বিষয়।

* নিজের কাজ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় চলছেন?

** পরিকল্পনা ছাড়া ভালো কোনো কাজ হয় না কখনই। আমি সব সময়ই ভাবি মানসম্মত কাজ উপহার দিতে। সেভাবেই চলছি। আমার গান কিংবা সৃজনশীল অন্য কাজগুলো যখন মানুষ আগ্রহ নিয়ে গ্রহণ করেন তখনই পরিশ্রমের সার্থকতা খুঁজে পাই। এভাবেই বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন