৩২ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করছি
jugantor
হ্যালো...
৩২ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করছি

  সোহেল আহসান  

১৬ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে একশটি গানে কণ্ঠ দিয়ে আলোচিত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী লিসা কালাম। চলতি মাসেই এ গানগুলো গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও কিছু গানে কণ্ঠ দেওয়ার ইচ্ছা আছে তার। এসব প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপনার কণ্ঠের একশত গান গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য জমা দিয়েছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলবেন?

** আমি ৩২ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করছি। শুধু একশত গানই নয়, আমার কাছে আরও গান রয়েছে। মুজিব জন্মশত বার্ষিকীতে এ গানগুলো প্রকাশের ইচ্ছা ছিল। কিন্তু করোনাকালের কারণে সেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। তবে গিনেস রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জমা দেওয়ার ১২ সপ্তাহের মধ্যে তারা আমাকে সার্টিফিকেট দেবে। তারা আরও জানিয়েছে, বিশ্বের কোনো দেশেই কোনো নেতাকে নিয়ে একশত গান তৈরি হয়নি। আমিও অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছি। আমার দীর্ঘ সংগীত জীবনে এটি হবে একটি অনন্য অর্জন।

* আপনার কণ্ঠের এ একশত গান কবে প্রকাশ করবেন?

** আগামীকাল মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তার মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো প্রকাশ করবেন। এরপর আমার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ‘লিসা কালাম’-এ গানগুলো প্রকাশ করব। প্রতিটি গানের সঙ্গেই প্রাসঙ্গিক ভিডিও থাকছে। পুরো কাজটি সমন্বয়, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম।

* অন্য কোনো গান প্রকাশের পরিকল্পনা আছে?

** আমি সারা বছরই আধুনিক ঘরানার গান করি। সেটা নিয়মিত প্রকাশও করছি। বলা যায় গানের মাঝেই ডুবে থাকি। অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ থেকে আগামী মাসে আমার কণ্ঠের তিনটি নতুন মৌলিক গান প্রকাশ হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আমার চুক্তিও আছে। তা ছাড়া আরও কিছু গানে কণ্ঠ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

* নব্বই দশকের শুরুতে ‘এ লাশ ঢাকা আসবেই’ শিরোনামে একটি গানের অ্যালবাম প্রকাশ করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

** সেটি প্রকাশ হয়েছিল ১৯৯১ সালে। তখন বঙ্গবন্ধুর নামই মুখে নেওয়া ছিল কঠিন কাজ। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে গান গাওয়া এবং তা প্রকাশ করার কাজটি ঝুঁকিপূর্ণও ছিল। সেই অ্যালবামের ১টি গানই শ্রোতারা পছন্দ করেছিলেন। শুধু গান প্রকাশই নয়, ১৯৯২ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তৎকালীন চেয়ারম্যান যখন ঢাকায় আসেন, তখন আমি তার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। সে সময় বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার চেয়ে একটি স্মারকলিপিও দিয়েছিলাম। বিষয়টি তখন বেশ আলোচিত হয়েছিল।

হ্যালো...

৩২ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করছি

 সোহেল আহসান 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে একশটি গানে কণ্ঠ দিয়ে আলোচিত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী লিসা কালাম। চলতি মাসেই এ গানগুলো গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও কিছু গানে কণ্ঠ দেওয়ার ইচ্ছা আছে তার। এসব প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

* বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপনার কণ্ঠের একশত গান গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য জমা দিয়েছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলবেন?

** আমি ৩২ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করছি। শুধু একশত গানই নয়, আমার কাছে আরও গান রয়েছে। মুজিব জন্মশত বার্ষিকীতে এ গানগুলো প্রকাশের ইচ্ছা ছিল। কিন্তু করোনাকালের কারণে সেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। তবে গিনেস রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জমা দেওয়ার ১২ সপ্তাহের মধ্যে তারা আমাকে সার্টিফিকেট দেবে। তারা আরও জানিয়েছে, বিশ্বের কোনো দেশেই কোনো নেতাকে নিয়ে একশত গান তৈরি হয়নি। আমিও অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছি। আমার দীর্ঘ সংগীত জীবনে এটি হবে একটি অনন্য অর্জন।

* আপনার কণ্ঠের এ একশত গান কবে প্রকাশ করবেন?

** আগামীকাল মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তার মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো প্রকাশ করবেন। এরপর আমার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ‘লিসা কালাম’-এ গানগুলো প্রকাশ করব। প্রতিটি গানের সঙ্গেই প্রাসঙ্গিক ভিডিও থাকছে। পুরো কাজটি সমন্বয়, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম।

* অন্য কোনো গান প্রকাশের পরিকল্পনা আছে?

** আমি সারা বছরই আধুনিক ঘরানার গান করি। সেটা নিয়মিত প্রকাশও করছি। বলা যায় গানের মাঝেই ডুবে থাকি। অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ থেকে আগামী মাসে আমার কণ্ঠের তিনটি নতুন মৌলিক গান প্রকাশ হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আমার চুক্তিও আছে। তা ছাড়া আরও কিছু গানে কণ্ঠ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

* নব্বই দশকের শুরুতে ‘এ লাশ ঢাকা আসবেই’ শিরোনামে একটি গানের অ্যালবাম প্রকাশ করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

** সেটি প্রকাশ হয়েছিল ১৯৯১ সালে। তখন বঙ্গবন্ধুর নামই মুখে নেওয়া ছিল কঠিন কাজ। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে গান গাওয়া এবং তা প্রকাশ করার কাজটি ঝুঁকিপূর্ণও ছিল। সেই অ্যালবামের ১টি গানই শ্রোতারা পছন্দ করেছিলেন। শুধু গান প্রকাশই নয়, ১৯৯২ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তৎকালীন চেয়ারম্যান যখন ঢাকায় আসেন, তখন আমি তার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। সে সময় বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার চেয়ে একটি স্মারকলিপিও দিয়েছিলাম। বিষয়টি তখন বেশ আলোচিত হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন