রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে মীর সাব্বিরের তথ্যচিত্র
jugantor
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে মীর সাব্বিরের তথ্যচিত্র

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

২৩ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিদেশে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত বাংলাদেশি এবং অর্থনীতিতে তাদের ভূমিকা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা মীর সাব্বির।

নাম দিয়েছেন ‘রেম্যিান্স যোদ্ধা’। যারা দেশের বাইরে যেতে চান বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে যারা যেতে আগ্রহী, সেখানে যাওয়ার আগে তাদের নানা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে এটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসাবে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি নানা সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে থাকি। শুধু অংশগ্রহণ বললে ভুল হবে, আমি নিজেও সেসব কর্মকাণ্ডে অর্থনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত থাকি।

আমি মনে করি একজন শিল্পী হিসাবে শুধু নাটকের মধ্য দিয়েই নয়, সরাসরি মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের পাশে থেকেও তাদের জন্য নানাভাবে এগিয়ে যেতে হবে। তথ্যচিত্রটি এমনই একটি কাজ আমার। অনেকেই দেশের বাইরে বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে কাজের আশায় যেতে গিয়ে পাসপোর্ট, মেডিক্যালসহ আরও নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। সে বিষয়ে এখানে নানা ধরনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কত বড় যে ভূমিকা রয়েছে তাও তুলে ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে এটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমি অন্য একটা পৃথিবী দেখেছি, যা সম্পর্কে আমার আসলে বিষদ জানা ছিল না। তাই এটি সবারই একবার হলেও দেখা উচিত। কারণ কারও পরিবার কিংবা পরিবারের কোনো মানুষ যেন কোনা বিপদের মুখোমুখি না হন।’

এদিকে কিছুদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা ইশরাত পায়েলের সঙ্গে সাব্বিরের বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় বলা একটি মন্তব্য তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে দুজনেই বেশ সমালোচনার মুখোমুখি হন। যদিও সহকর্মীদের বেশিরভাগই সাব্বিরকেই সমর্থন দিয়েছেন।

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে মীর সাব্বিরের তথ্যচিত্র

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
২৩ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিদেশে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত বাংলাদেশি এবং অর্থনীতিতে তাদের ভূমিকা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা মীর সাব্বির।

নাম দিয়েছেন ‘রেম্যিান্স যোদ্ধা’। যারা দেশের বাইরে যেতে চান বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে যারা যেতে আগ্রহী, সেখানে যাওয়ার আগে তাদের নানা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে এটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসাবে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি নানা সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে থাকি। শুধু অংশগ্রহণ বললে ভুল হবে, আমি নিজেও সেসব কর্মকাণ্ডে অর্থনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত থাকি।

আমি মনে করি একজন শিল্পী হিসাবে শুধু নাটকের মধ্য দিয়েই নয়, সরাসরি মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের পাশে থেকেও তাদের জন্য নানাভাবে এগিয়ে যেতে হবে। তথ্যচিত্রটি এমনই একটি কাজ আমার। অনেকেই দেশের বাইরে বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে কাজের আশায় যেতে গিয়ে পাসপোর্ট, মেডিক্যালসহ আরও নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। সে বিষয়ে এখানে নানা ধরনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কত বড় যে ভূমিকা রয়েছে তাও তুলে ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে এটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমি অন্য একটা পৃথিবী দেখেছি, যা সম্পর্কে আমার আসলে বিষদ জানা ছিল না। তাই এটি সবারই একবার হলেও দেখা উচিত। কারণ কারও পরিবার কিংবা পরিবারের কোনো মানুষ যেন কোনা বিপদের মুখোমুখি না হন।’

এদিকে কিছুদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা ইশরাত পায়েলের সঙ্গে সাব্বিরের বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় বলা একটি মন্তব্য তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে দুজনেই বেশ সমালোচনার মুখোমুখি হন। যদিও সহকর্মীদের বেশিরভাগই সাব্বিরকেই সমর্থন দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন