পুরোনো অভিযোগ নতুন করে সামনে এনেছেন বাঁধন
jugantor
পুরোনো অভিযোগ নতুন করে সামনে এনেছেন বাঁধন

  আনন্দনগর প্রতিবেদক  

০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এ মুহূর্তে অভিনয় ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তবে তার ক্যারিয়ারের শুরু ও দাম্পত্যজীবন খুব একটা রঙিন ছিল না। ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে ব্যবসায়ী মাশরুর সিদ্দিকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় কিছুদিন অভিনয়ে দেখা যায়নি তাকে। কিন্তু সংসার জীবন সুখের না হওয়ায় ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট বিচ্ছেদের আবেদন করেন এ অভিনেত্রী। ওই বছরের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিচ্ছেদের আগে থেকেই স্বামীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন বাঁধন। এ অভিনেত্রী পুরোনো ফের নতুন করে সামনে এনেছেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্বশুরবাড়ির লোকজন দ্বারা অত্যাচারের শিকার হওয়ার কথা বলেন এ অভিনেত্রী। তিনি জানান, ‘বিয়ের পর জোর করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করতেন স্বামী! বাঁধন বলেন, ‘আমার সাবেক শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে পড়াশোনা করতে দিতেন না। বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ পুরো ছিন্ন করে দিতে বাধ্য করেছিলেন। আমি মেনেও নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এভাবেই হয়তো থাকতে হয়। অনেকেই উপদেশ দিয়েছিলেন-এসব সমস্যার সমাধান হলো বাচ্চা। কিন্তু কাউকে বোঝাতে পারিনি, আমি বৈবাহিক ধর্ষণের শিকার।’ বিচ্ছেদসহ নানা ঝুটঝামেলা শেষে পড়াশোনা শেষ করেন বাঁধন। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে শান্তির সংসার তার। মাঝে মধ্যে ওয়েব মাধ্যমেও অভিনয় করেন।

পুরোনো অভিযোগ নতুন করে সামনে এনেছেন বাঁধন

 আনন্দনগর প্রতিবেদক 
০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এ মুহূর্তে অভিনয় ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তবে তার ক্যারিয়ারের শুরু ও দাম্পত্যজীবন খুব একটা রঙিন ছিল না। ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে ব্যবসায়ী মাশরুর সিদ্দিকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় কিছুদিন অভিনয়ে দেখা যায়নি তাকে। কিন্তু সংসার জীবন সুখের না হওয়ায় ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট বিচ্ছেদের আবেদন করেন এ অভিনেত্রী। ওই বছরের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিচ্ছেদের আগে থেকেই স্বামীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন বাঁধন। এ অভিনেত্রী পুরোনো ফের নতুন করে সামনে এনেছেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্বশুরবাড়ির লোকজন দ্বারা অত্যাচারের শিকার হওয়ার কথা বলেন এ অভিনেত্রী। তিনি জানান, ‘বিয়ের পর জোর করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করতেন স্বামী! বাঁধন বলেন, ‘আমার সাবেক শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে পড়াশোনা করতে দিতেন না। বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ পুরো ছিন্ন করে দিতে বাধ্য করেছিলেন। আমি মেনেও নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এভাবেই হয়তো থাকতে হয়। অনেকেই উপদেশ দিয়েছিলেন-এসব সমস্যার সমাধান হলো বাচ্চা। কিন্তু কাউকে বোঝাতে পারিনি, আমি বৈবাহিক ধর্ষণের শিকার।’ বিচ্ছেদসহ নানা ঝুটঝামেলা শেষে পড়াশোনা শেষ করেন বাঁধন। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে শান্তির সংসার তার। মাঝে মধ্যে ওয়েব মাধ্যমেও অভিনয় করেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন