যেসব এলাকা মুক্ত আজ

  যুগান্তর ডেস্ক ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দিবস

আজ ঐতিহাসিক ৬ ডিসেম্বর। একাত্তরের এদিন মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদারদের হটিয়ে বিভিন্ন এলাকা মুক্ত করেছেন। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

যশোর ব্যুরো : ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। প্রথম শত্র“মুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্য খচিত গাঢ় সবুজ পতাকা।

মেহেরপুর :পাক হানাদার বাহিনীর পুঁতে রাখা অসংখ্য মাইন অপসারণের মধ্য দিয়ে মেহেরপুর পুরোপুরিভাবে হানাদার মুক্ত হয় ৬ ডিসেম্বর। ভারতে আশ্রিত মানুষ এদিন থেকে মেহেরপুরে ফিরতে থাকে। মেহেরপুরের দৃষ্টিকাড়া স্থানগুলোতে উড়তে থাকে স্বাধীন বাংলার পতাকা।

হবিগঞ্জ : ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের ৩৩ জনের একটি দল বিজয়ের বেশে হবিগঞ্জ শহরে প্রবেশ করেন। তারা কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে হবিগঞ্জের বিভিন্ন পাক হানাদার ক্যাম্পে হামলা চালান। এ সময় বেশ কয়েকজন পাক সৈন্য প্রাণ হারান।

বড়লেখা : মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ বড়লেখাবাসী জেগে উঠে রণহুঙ্কারে। ৩২৫টি গ্রাম যেন প্রতিরোধের দুর্গে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে নাকাল হানাদাররা বড়লেখা ছাড়তে বাধ্য হয়।

দেওয়ানগঞ্জ : একাত্তরের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা দেওয়ানগঞ্জের রাজাকারদের হটিয়ে দখল করে নেয়। মুক্তিযোদ্ধা আ. কাদেরের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা ইয়ানুস, মুক্তিযোদ্ধা ছামসুল হক প্রথম দেওয়ানগঞ্জে বিজয় পতাকা হাতে নিয়ে দেওয়ানগঞ্জ প্রবেশ করেছিলেন।

কলারোয়া : ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে হটিয়ে অবরুদ্ধ কলারোয়াকে হানাদারদের কবল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করে।

ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর ছাতকের সুরমা নদীর উত্তরপার নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধার শক্তিশালী অবস্থাব নেয়। এ সময় পাক-হানাদার বাহিনীর অবস্থান ছিল ছাতক সিমেন্ট কারখানা এলাকায়। মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ওইদিন রাতেই কারখানা এলাকা ছেড়ে নদীপাড়ি দিয়ে ছাতক শহরে চলে যায় হানাদার বাহিনী।

আখাউড়া : ১৯৭১ এই দিনে মুক্তিযোদ্ধার পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহম্মেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকায় লিলু মিয়া, নাজির হোসেন, দেওয়ান খান খাদেমসহ আরও অনেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে আখাউড়া ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম রণাঙ্গন। ভারতের ক্রিপুরা সীমান্ত ঘেঁসা হওয়ায় মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে আখাউড়ায় সেনাদের সম্মুখে যুদ্ধ হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×