হোমনায় বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা
jugantor
হোমনায় বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আরও ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামির নামে থানায় মামলা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ২৩ ডিসেম্বর হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিমা আহমাদ মেরীর নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার সময় হোমনা চৌরাস্তা মোড়ে মো. হেদায়েতুল ইসলাম গ্র“প ও মাহবুবুর রহমান কাঞ্চনের গ্র“পের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে মো. হেদায়েতুল ইসলাম, আশকর আলী ও নজরুল ইসলাম আহত হন।

তাদের হোমনা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে হেদায়েতুল ইসলাম বাদী হয়ে হোমনা থানায় এ মামলা করেন। এ মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করে। এ মামলায় মাহবুবুর রহমান কাঞ্চন ও হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করে জেলাহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা যুগান্তর প্রতিনিধিকে জানান, এটি একটি ডাহা মিথ্যা মামলা।

মিছিলের নেতৃত্ব দেয়াকে কেন্দও করে দুই গ্র“পে মারামারি হয়েছে অথচ বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে। এর আগেও এ ধরনের একাধিক মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। পুলিশি হয়রানির কারণে নেতাকর্মীরা বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না।

হোমনায় বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ৬৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আরও ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামির নামে থানায় মামলা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ২৩ ডিসেম্বর হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিমা আহমাদ মেরীর নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার সময় হোমনা চৌরাস্তা মোড়ে মো. হেদায়েতুল ইসলাম গ্র“প ও মাহবুবুর রহমান কাঞ্চনের গ্র“পের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে মো. হেদায়েতুল ইসলাম, আশকর আলী ও নজরুল ইসলাম আহত হন।

তাদের হোমনা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে হেদায়েতুল ইসলাম বাদী হয়ে হোমনা থানায় এ মামলা করেন। এ মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহসহ ৬৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করে। এ মামলায় মাহবুবুর রহমান কাঞ্চন ও হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করে জেলাহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা যুগান্তর প্রতিনিধিকে জানান, এটি একটি ডাহা মিথ্যা মামলা।

মিছিলের নেতৃত্ব দেয়াকে কেন্দও করে দুই গ্র“পে মারামারি হয়েছে অথচ বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে। এর আগেও এ ধরনের একাধিক মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। পুলিশি হয়রানির কারণে নেতাকর্মীরা বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না।