নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘদিন পর এলাকায়

ভোলায় বিএনপির হেভিওয়েট

তিন প্রার্থী ফের ঢাকায়

  ভোলা প্রতিনিধি ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এলাকা

ভোলায় নির্বাচনের রেশ শেষ না হতেই ফের এলাকা ছেড়ে ঢাকাগামী হলেন বিএনপির তিন হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা। তারা ভোট দিতেও কেন্দ্রে যাননি।

এদের মধ্যে কেউ কেউ আট বছর পর এলাকায় আসেন ও বিএনপি ঐক্যজোটের প্রার্থী হন। এলাকায় এসে প্রচারণায় না নেমে নিজ নিজ বাড়িতে টানা ১৫ দিন অবস্থান করে শেষ পর্যন্ত নিজের ভোটটিও না দিয়ে ফের ঢাকায় ফিরে যান। আর এ নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভের শেষ নেই। একমাত্র এলাকায় থেকে যান ভোলা-১ আসনের প্রার্থী জেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর।

তিনি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচনে নানান অনিয়মের অভিযোগও তুলে ধরেন। ঢাকায় ফিরে যাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- ভোলা-৩ আসনের প্রার্থী, যিনি এর আগে ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম। তিনি ঢাকায় বসেই লোক মারফত তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

বাছাইয়ের দিনও উপস্থিত ছিলেন না। আট বছর পর নির্বাচনের ১৫ দিন আগে তিনি শোডাউন করে এলাকায় ফিরতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন। ওই থেকেই ঘরবন্দি ছিলেন। শুধু শুক্রবার দুপুরে নামাজের জন্য বাড়ির পাশের মসজিদে যান। নির্বাচনের চার দিন আগে নৌবাহিনীর টহল শুরু হলে একদিন প্রচারে গিয়ে ২০০১ সালে নির্যাতিত নারীদের (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) তোপের মুখে পড়েন।

এরপর ফের ঘরে ফিরে যান। তিনি ভোট দিতে যাননি। সোমবার ভোরে এলাকা ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশে পাড়ি জমান। তিনি অবশ্য আগেই যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রে তিনি কোনো এজেন্ট দেবেন না। ভোটের ফল তিনি আগেই জেনে গেছেন। ভোলা-৪ আসনের সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম এলাকায় ব্যাপক শোডাউন করে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ওই থেকে কয়েক দিন প্রচারণায় নামার চেষ্টা করেন। তিনিও সাত বছর পর এলাকায় ফিরে নির্বাচনের প্রার্থী হন। ভোটের দিন কেন্দ্রে ভোট দিতে না গিয়ে তিনি ভোলা জেলা শহরে চলে আসেন।

রাতে ঢাকায় ফিরে যান। তিনি অবশ্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। ভোলা-২ আসনের আলোচিত সাবেক এমপি মো. হাফিজ ইব্রাহিমও আট বছর পর প্রার্থী হয়ে এলাকায় ফেরেন। তিনিও ভোটের ১৪ দিন আগে ব্যাপক শোডাউন করে এলাকায় ফিরতে গিয়ে সংঘাতের মুখোমুখি হন। ওই থেকেই বোরহানউদ্দিন উপজেলা সড়কের কুড়ালিয়া ভবনে অবস্থান করলেও নির্বাচনী কোনো প্রকার প্রচারণায় ছিলেন না। তিনিও ভোট দিতে যাননি।

ভোট শেষ না হতেই রাতে ঢাকা ফিরে যান। ওই আসনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল জানান, তিনি সোমবার সকালে তার সঙ্গে দেখা করে কুশলবিনিময় করবেন ভেবেছিলেন।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×